Tuesday, February 3, 2026

এইবারের শ বে বরাতে র আয়োজন

  


মঙ্গল বার জব ছিল, তাই তেম ন কিছু  করতে পারে নি। 

বুটের  ডালের   , সুজির আর ডিমের  হালুয়া  করেছি।   আমার মা করতো বুটের  ডালের  আর  সুজির হালুয়া।

অনেক মানুষের জন্য বানাতো তাই এই দুইটাই ছিল আইটেম। ডিমের হালুয়া বানাতো আমার খালা। 

আমার ফুপু   শ বে বরাতে এম ন সুন্দর আয়োজন ক রে প্লেট সাজিয়ে খাবার পাঠা তো যাতে আভিজাত্য , নান্দনিকতা ছুঁয়ে থাকতো তার  আর একটা বিশেষ আইটেম ছিল নেশেস্তার হালুয়া। কি যে ভাল লাগতো খেতে।

কিন্তু আমি বানাতে পারি না। 

জাপানে এসে আমি যখন ডিমের হালুয়া করি , সবাই নাকি এই হালুয়া প্রথম খেল, আগে নাকি নামই শুনেনি তাই ব ল লো । আমি  তাই পার্টি হ লেই ডিমের হালুয়া রান্না ক রতাম। আমার ছোট ছেলে  ডিমের হালুয়া আর বড় ছেলে বুটের ডালের হালুয়া পছন্দ ক রে তাই আমি এই দুইটা আইটেম ক রেই থাকি।

বুটের হালুয়া প্রায় মানুষ ই  পছন্দ ক রে । আমি জাপানে এসে পাকিস্তানী ভাইয়ের জন্য ও বুটের ডালের হালুয়া  বা নি য়েছি।

এই যে এ ত ক থা ব লার কার ণ , এই গুলি আমাদের ট্রাডিশন , আমাদের আপন জ নের মেমোরি , আবেগ। 

আমি হারিয়ে যেতে দিতে চাই না এই  মেমোরি, আবেগ আর ট্রাডিশন কে।







No comments:

Post a Comment