মঙ্গল বার জব ছিল, তাই তেম ন কিছু করতে পারে নি।
বুটের ডালের , সুজির আর ডিমের হালুয়া করেছি। আমার মা করতো বুটের ডালের আর সুজির হালুয়া।
অনেক মানুষের জন্য বানাতো তাই এই দুইটাই ছিল আইটেম। ডিমের হালুয়া বানাতো আমার খালা।
আমার ফুপু শ বে বরাতে এম ন সুন্দর আয়োজন ক রে প্লেট সাজিয়ে খাবার পাঠা তো যাতে আভিজাত্য , নান্দনিকতা ছুঁয়ে থাকতো তার আর একটা বিশেষ আইটেম ছিল নেশেস্তার হালুয়া। কি যে ভাল লাগতো খেতে।
কিন্তু আমি বানাতে পারি না।
জাপানে এসে আমি যখন ডিমের হালুয়া করি , সবাই নাকি এই হালুয়া প্রথম খেল, আগে নাকি নামই শুনেনি তাই ব ল লো । আমি তাই পার্টি হ লেই ডিমের হালুয়া রান্না ক রতাম। আমার ছোট ছেলে ডিমের হালুয়া আর বড় ছেলে বুটের ডালের হালুয়া পছন্দ ক রে তাই আমি এই দুইটা আইটেম ক রেই থাকি।
বুটের হালুয়া প্রায় মানুষ ই পছন্দ ক রে । আমি জাপানে এসে পাকিস্তানী ভাইয়ের জন্য ও বুটের ডালের হালুয়া বা নি য়েছি।
এই যে এ ত ক থা ব লার কার ণ , এই গুলি আমাদের ট্রাডিশন , আমাদের আপন জ নের মেমোরি , আবেগ।
আমি হারিয়ে যেতে দিতে চাই না এই মেমোরি, আবেগ আর ট্রাডিশন কে।
No comments:
Post a Comment