Thursday, September 10, 2026

নারী – রিহানা মরিয়ম শিট থেকে আন্ডার দ্যা স্কিন




বেশ আগে যখন আমি মনোবিদ্যা সম্পর্কে সিরিয়াস পড়াশোনা শুরু করি নাই তখন বন্ধুদের এক আড্ডায় প্রশ্ন উঠল মানুষ কেন কাঁদে। আমি তখনই সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম এই বলে যে মানুষ কাঁদে তখনই যখন সে নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় মনে করে।

চোখ থেকে পানি বের হওয়াই কান্না নয়। পেঁয়াজ কাটলে চোখ থেকে যে পনি বের হয়। সেই পানি কান্নার পানি রাসায়নিকভাবে আলাদা। দুনিয়ার সকল প্রাণীর মধ্যে মানুষই একমাত্র আবেগজনিত কান্না করে থাকে।
তার সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থা তার মধ্যে যে আবেগগত বিপর্যয় তৈরি করে কান্নার মাধ্যমে সে সেই অসহায় বিপর্যয় প্রকাশ করে। এই প্রকাশ অন্যদের জানায় ক্রন্দনরত ব্যক্তির নাজুক অবস্থাটা। এটা অন্যদের মনে সহানুভূতি বা এমপ্যাথি তৈরী করে যেটা সামাজিক বন্ধন বাড়ায়।
ক্রন্দনের মাধ্যমে নিজের অসহায়ত্ব যে সে শুধু সমাজের অন্যদের জানায় তাই না, এটা ক্রন্দনরত ব্যক্তি নিজেকেও জানায়। তাই মানুষ একাকি বা গোপনেও কাঁদে।
নানা গবেষণা বলছে ক্রন্দন আবেগ কিন্তু সে একই সাথে আগ্রাসী আক্রমণাত্মক আবেগের রাস টেনে ধরে। সেটা নিজের এবং অন্য মানুষদের উভয়ের জন্যই সত্য। প্রচণ্ড বিষাদগ্রস্ত ব্যক্তি কাঁদলে তার বিষাদ কেটে যায়। আক্রান্তের চোখের জল রাগে অন্ধ আক্রমণরত ব্যক্তি বা যৌন আবেগে উন্মত্ত ব্যক্তির আবেগ কমিয়ে ফেলে।
কিন্তু নিজের আবেগের রাশ টানতে কান্নার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী হল বোধ। আমরা অসহায় হলে আমাদের আবেগ তখন আমাদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। যখন আমরা কারণটা বুঝতে পারি, তখন আমরা আর তেমন অসহায় বোধ করি না। তখন আমাদের পক্ষে আমাদের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। যুক্তি আমাদের সহায় হয় পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য।
সেটাও যতটুকু অন্যদের জন্য সত্য সেটা ততটুকুই নিজেদের জন্য সত্য। আমরা কোন বিষয় বুঝতে পারলে আমরা সমাধানের একটা রাস্তা পাই, আমরা আর অসহায় থাকি না তাই আবেগ থেকে বের হওয়া সহজ হয়।
সুতরাং বোধের সাথে অসহায়ত্বের একটা সম্পর্ক আছে। অসহায়ত্বের সাথে আছে অনিয়ন্ত্রিত নেতিবাচক আবেগের সম্পর্ক। অনিয়ন্ত্রিত নেতিবাচক আবেগের সাথে সম্পর্ক আছে ক্রোধ, হিংসা, ঈর্ষা ও প্রতিশোধের মানসিকতা।
পৃথিবীটা ক্রমেই জটিল হচ্ছে তাই মানুষের বোধ যেন আর পেরে উঠছে না। মানুষ এখন কল্পনার এক সহজ জগত বা বুদ্বুদ তৈরী করে তার ভেতরে সফল হয়ে বাস করতে চাইছে। যখন সংঘাত হচ্ছে তখন সে আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে মুক্তি পেতে চাইছে কারণ বাস্তবতার সাথে সংযুক্তি তার কমই বুদ্বুদের ভেতরে থাকার কারণে।
পুরুষের চেয়ে নারীর জীবন আরও জটিল – তারা এই জগতে কেমন আছে?
অতীত কালে বেশীরভাগ নারী পরিবারকে জগত ভেবেই সেখানে নিজেকে সমর্পণ করেছে ও নিজের সফলতার জন্য, নিজের আনন্দ ও ভালবাসার জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে সুখী হতে চেয়েছে।
পুরুষের কাজ ছিল বাইরের জগতের লড়াইটা করা যাতে নিজের পরিবারকে সে সেটা থেকে মুক্ত রাখতে পারে। এখন সেটা পরিবর্তিত হয়েছে। নারী এখন বাইরের জগতের লড়াইতেও সম শক্তি নিয়ে লড়ছে। সন্তান এলে তার কাঁধে চাপ এখন দ্বিগুন।
সমাজে অনুভূতিশীল ও চিন্তাশীলেরা সমসময় নারীকে বুঝতে চেয়েছে তাদের নিজেদের চেয়েও নারীর দৃষ্টিভঙ্গী থেকে যে নারীর চোখে দুনিয়াটা আসলে কেমন। জগত সম্পর্কে তারা কি বোধ করে - তারা কি অনুভব করে - তারা কি চায়।
নারী পুরুষ কিভাবে একে অপরের সাথে মিশবে, কি আচরণ করবে এগুলো সমাজে তৈরী হয় সামাজিক স্ক্রিপ্ট থেকে একদম ঠিক সিনেমায় যেমন ঘটে।
যেমন মাত্র একশ বছর আগে রোমান্টিক প্রেমের মত বিষয়টা আমাদের সমাজে ছিল না বললেই চলে। শিশু বয়সে কিশোর কিশোরীর বিয়ে হয়ে যেত তারপর একদিকে হত রাতের অন্ধকারে যৌন সম্পর্ক ও অপর দিকে দিনের আলোয় তাদের মধ্যে থাকত যেন অনেকটা অযৌন পারিবারিক সম্পর্ক।
রোমান্টিকতা, সিডাকশন, আকর্ষণ এগুলো রাজা বাদশাহদের হারেমের নর্তকিদের আচরণ অথবা সমাজবিচ্যুত ও মন্দ লোকের অপকর্ম হিসাবে আখ্যায়িত ছিল।
পশ্চিমা সাহিত্য, দেশী সাহিত্য ও নাটক সিনেমা আমাদের জন্য কিভাবে নারী পুরুষের একে অপরের প্রতি আচরন করবে তার একটি স্ক্রিপ্ট তৈরী করে দিয়েছে। এখন আমরা প্রথম ডেট থেকে শুরু করে বিচ্ছেদ পর্যন্ত কি আচরণ করতে হবে সেটা সেই সোশাল স্ক্রিপ্ট থেকে শিখি ও অনুসরণ করি।
সিমন দ্য বোভোয়া বলেছেন ভিন্ন দেশকে বুঝতে গেলে তার সাহিত্য হচ্ছে সবচেয়ে ভাল মাধ্যম। তেমনই নারী বা পুরুষকে বুঝতে গেলে সাহিত্য ও সিনেমা হল গুরুত্বপূর্ণ উপায়। গত কয়েক দশকে বেশ কিছু ছবি হয়েছে যেগুলো খুঁজতে চেয়েছে নারীর চোখে দুনিয়াকে।
বর্তমানে নারী ঘরে বাইরে সর্বক্ষেত্রে অগ্রগ্রতির স্বাক্ষর রাখছে। নারীর কাঁধে চাপ এখন দ্বিগুন তাই তার অসহায়ত্বও দ্বিগুন হবার কথা। তার কান্নাও দ্বিগুন হবার কথা। কিন্তু এখনকার নারী যেন কাঁদে না।
কাঁদে না তাই সে নিজের অসহায়ত্বের জানানও যেন দেয় না। সেটা যেমন সমাজের কাছে যায় না, সেটা তেমন নিজের সচেতনতার দুয়ারেও পৌঁছায় না। ফলে সে ক্ষুব্ধ হয়। সফলতার আস্তরণের নিচে ক্রোধ, হিংসা, ঈর্ষা ও প্রতিশোধের আগুন যে জ্বলতে - থাকে সেটা সে জানে।
সেটা যখনই বেরিয়ে আসতে চায় তখনই সে অতিরিক্ত সফলতা দিয়ে আবার সেটাকে ঢেকে ফেলে। কষ্ট করে নিজের অন্তরে সেটা ঢেকে রাখলেও সেই ক্রোধ, হিংসা, ঈর্ষা ও প্রতিশোধের মানসিকতা চাপা থাকছে না। সেটা ক্রমেই যেন তার জগতকে আরও অন্ধকার ও অবরুদ্ধ করে ফেলে।
এমন একটা ঘটনাই দেখি আমরা রিহানা মারিয়ম নূর ছবিতে। ছবির পরিচালক যেটাকে নারীর সমস্যা বলে দেখাতে চেয়েছেন, নারীবাদীরা সেটাকে একজন নারীর মানসিক সমস্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এই রিহানা এক কাল্পনিক আদর্শিকতায় ভুগছেন যাদের থাকে বিশ্লেষনাত্মক মন, যাদের থাকে অনমনীয়, আবদ্ধ ও কঠোর আচরণ, যার অযাচিত রকমের খুঁতখুঁতে এবং নিয়মতান্ত্রিক ও নৈতিকতায় কঠোর। ওসিপিডি বা অবসেসিভ কম্পালসিভ পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারের লক্ষণগুলো অনেকটা এমনই।
রিহানা মারিয়ম নূর ছবিতে কিন্তু একজন মানসিক সমস্যাযুক্ত নারীর জীবনযুদ্ধকে তুলে ধরা হয়নি। একজন মানসিক সমস্যাযুক্ত নারীর আচরণকে সকল নারীর স্বাভাবিক আচরণ ধরে নিয়ে সেটার আলোকে তাদের সাথে সমাজের সংঘাতকে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে। এবং পরিশেষে সকল নারীকেই দোষী করা হয়েছে এই প্রশ্ন তুলে যে তাদের এই আচরণ আত্মকেন্দ্রীক কিনা।
সেই হিসাবে রিহানা মারিয়ম নূর ছবিটি সুপ্ত নারীবিদ্ধেষী - যাকে বলা হয় ইন্টার্নালাইজড মিসজিনি - যখন নারীই নারীর শত্রু। পরিচালক যা বোঝাতে চেয়েছেন তার উল্টোটা করে ফেলেছেন। ছবি হিসাবে এটা রিহানা মারিয়ম নূর নয়, এটা গল রিহানা মারিয়ম শিট।
নারী কি চায় মুক্ত পশ্চিমা বিশ্বেও এটা নিয়ে বিভ্রান্তি কম নয়। অস্কার সহ একাধিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ১৯৯১ সালের ছবি থেলমা এন্ড লুইস নারীবাদী বলে খ্যাত। ক্যালি খৌরির লেখা ও রিডলি স্কট পরিচালিত হলিউডের এই ছবিতে দেখা যায় অল্প বয়সে ধর্ষিতা লুইস যে একটি বারে কাজ করে, সে জীবন সম্পর্কে হতাশ, সে পালিয়ে যেতে চাইছে।
তার বান্ধবী থেলমা, কিছুটা অলস, বোকা ও আবেগপ্রবণ যে তার স্বামীর নিয়ন্ত্রণ ও অসম্মানজনক আচরণে অতিষ্ঠ। তারা ঠিক করে গাড়ি নিয়ে দুদিনের একটা রোড ট্রিপে যাবে। স্বামীকে না জানিয়ে থেলমা রওয়ানা দেয় লুইসের সাথে।
প্রথম দিনই থেলমার সাথে এক রোডসাইড বারে পরিচয় হয় এক ব্যক্তির। তারা ঘনিষ্ঠ হয়ে সেখানে কিছুটা সময় কাটালে পার্কিং লটে সেই ব্যক্তি থেলমাকে ধর্ষন করতে উদ্যত হয়। তখন লুইস এসে পড়ে। সে পিস্তল বের করে এবং লোকটাকে গুলি করে মেরে ফেলে। তারপর মেয়ে দুটি হয়ে যায় পলাতক।
এই পলাতক জীবনেই তারা যেন তারা তাদের আসল সত্তাকে খুঁজে পায় যেটা সকল নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত। এটাই এই ছবির কাহিনী। ছবিটি অসম্ভব জনপ্রিয় হলেও বা চলচিত্রগত মানের জন্য অস্কার সহ নানা পুরস্কার পেলেও এটা প্রকৃত নারীবাদী ও নারী বোদ্ধাদের কাছে পরিত্যাক্ত হয়েছে যে মুক্ত নারী মানেই ক্রিমিনালদের মত সকল সামাজিক দায় দায়িত্ব ও শর্ত থেকে মুক্ত হওয়া নয়।
নারীর চিন্তাকে বোঝার আর একটি অসাধারণ ছবি হল ডেভিড লিঞ্চ রচিত এবং পরিচালিত ২০০১ সালে নির্মিত আমেরিকা ও ফরাসী যৌথ উদ্যোগের ছবি মুলহোল্যান্ড ড্রাইভ। এই ছবিটি একটি মনস্তাত্বিক ছবি সেখানে এক্সপ্লোর করতে চাওয়া হয়েছে নারীর জীবনে বাস্তবতা ও কল্পনার যে উপরিপাত বা সুপারপোজিশন সেটাকে।
হলিউডের মুলহল্যান্ড ড্রাইভে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হলে একটি মেয়ে সামান্য আহত হয়ে বেঁচে যায়। কিন্তু সে স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে যায়। রাতে সে আশ্রয় নেয় একটি নিকটবর্তি খালি এপার্টমেন্টে। সকালে সেই এপার্টমেন্টে একটি কাছাকাছি বয়সের মেয়ে কিছুদিনের জন্য থাকতে আসে যার নাম বেটি। বেটি একটি ছবিতে নায়িকার অডিশন দিতে এসেছে ও এপার্টমেন্টটা হল তার এক চাচীর।
বেটি সেই এপার্টমেন্টে স্মৃতিভ্রষ্ট মেয়েটিকে আবিষ্কার করে। স্মৃতিভ্রষ্ট মেয়েটি তার নিজের নাম দেয় রিটা। তারা দুজনে মিলে খুঁজে বের করেত চেষ্টা করে স্মৃতিভ্রষ্ট রিটা আসলে কে। একটি কফি শপে গিয়ে স্মৃতিভ্রষ্ট মেয়েটির মনে পড়ে তার প্রকৃত নাম ডায়ান। ডায়ানকে খুঁজে বের করতে গিয়ে তারা দেখে ডায়ান আসলে খুন হয়েছে এবং যে দেখতে একদম বেটির মত।
বিষয়টি এমন হয়ে ওঠে যে রিটা এবং বেটি একে অপরের স্বপ্ন। এই ছবিটি আমাদের সেই চিন্তায় নিয়ে যায় যে বর্তমান সমাজে মেয়েরা কতটুকু আসল আর কতটুকু সমাজের স্বপ্ন বা সোশাল স্ক্রিপ্টের বাস্তবায়ন।
নারী নিয়ে অসাধারণ আর একটি ছবি হল কিছুটা মিশেল ফেবারের ২০০০ সালের উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে জোনাথন গ্লেজার পরিচালিত এবং গ্লেজার এবং ওয়াল্টার ক্যাম্পবেলের কাহিনিতে বৃটিশ ছবি আন্ডার দ্যা স্কিন।
এই ছবিতে একটি এলিয়েন সত্তা পৃথিবীর মূলত পুরুষ মানুষদের আচরণ বোঝার জন্য একটি মৃত নারীর দেহের বাইরের চামড়া অংশটা নিজ দেহে পরে ফেলে। তখন সে হয়ে যায় শরীরে এক আকর্ষণীয়া তরুণী কিন্তু মনে এলিয়েন। এর পর একটা মোটর ভ্যান নিয়ে সে শহরে ঘুরতে বের হয়।
চিন্তার দিক থেকে সে থাকে শিশুতোষ অপরিণত, নিরাপরাধ ও সরল কিন্তু দেহে সে এক আকর্ষনীয়া যুবতি। ধীরে ধীরে সে মানুষের আচরণ শিখতে থাকে এবং সেটা প্রয়োগ করতে থাকে যে কোন পুরুষ মানুষের প্রতি। সকল প্রকার পুরুষই তার প্রতি আকৃষ্ট হয়।
যারা সরল, অনভিজ্ঞ ও সাদাসিধা পুরুষ তারা তার প্রতি আকৃষ্ট হলে ও আবেগে সংযুক্ত হলে তাকে তারা অনুসরণ করে এবং এলিয়েনটি তাদের একটি খালি ঘরে নিয়ে যায়। যখনই তার কাছাকাছি যায় তখন সেই এলিয়েন জগতের কালো পিচের মত এক ঘন তরলে তারা ডুবে যায় এবং তাদের হাড় মাংস বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা শেষ হয়ে যায়।
যুবতিটি রূপি এলিয়েনটির সাথে যখন এক অভিজ্ঞ পুরুষের সম্পর্ক করতে চায়, তখন তাদের মধ্যে যৌনতা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয় এবং এলিয়েনটি পালিয়ে যায়।
যুবতিরূপি এলিয়েনটির সাথে যখন এক নারীবিদ্বেষীর দেখা হয় এক বন্য পরিবেশে যে ছিল একজন গাছ চোর। যুবতিটি ঘুম থেকে জেগে দেখে যে উক্ত নারীবিদ্বেষী বনজীবি তাকে যৌন নিগ্রহ করছে। তখন সে তার নারী দেহ খুলে ফেলে নিজের কালো এলিয়েন দেহ নিয়ে পালিয়ে যেতে চায় কিন্তু ব্যক্তটি তাকে শুধু হত্যাই করে না জীবন্ত এলিয়েনটিকে আগুনে দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়।
আন্ডার দ্যা স্কিন যেন বলতে চায় অপরিণত মনের এক আকর্ষনীয়া যুবতি সরল আবেগপ্রবণ পুরুষের জন্য ভয়ংকর, পরিণত পুরুষের জন্য বিভ্রান্তি ও নারীবিদ্বেষীর জন্য ক্রোধ ও প্রতিশোধের অসহায় শিকার।
শেষের কথা - বোধেই মুক্তি....
সিরাজুল হোসেন

অনেক দিন পর হ্যান্ডি হোটেলে

অনেক দিন পর হ্যান্ডি হোটেলে খেতে এসে দেখি ,  স ব কাঁচের গ্লাস গুলি  স্টিলের গ্লাস হ য়ে গেছে।
একটা ত রকারি নিলে দুইটা নান দিচ্ছে। 
আর সব পাকিস্তানিরা বাংলায় ক থা ব লা শুরু করে ছে ।
আমার ডিটেক্টিভ ম ন  র হস্য পেয়ে আকুলি বিকুলি শুরু ক র লো । তাতে যে রিপোর্ট পেলাম, তা হ লো আগে যে পাকিস্তানি মালিক যিনি ছিলেন , তিনিই আছেন কিন্তু যারা জব ক রে তারা স বাই ভারতীয় বাঙালী । পাকিস্তানি রা স ব আউট।
কিন্তু কেন? 😲














 

Wednesday, September 9, 2026

শমিতা দিদির পেজ থেকে

 



কপুরকান্তি চালের ভাত।

মুলো শাকের ডাল ছড়ানো।
শাক ধুয়ে কেটে নেওয়া, নুন হলুদ দিয়ে চটকে রাখা।
তেলে শুকনো লংকা, পাঁচ ফোড়ন দিয়ে নারকেল আর বেটে রাখা মটর ডাল ভাজা ভাজা হলে তুলে নিয়ে, কড়াইতে শাক দিতে হবে, কাঁচা লংকাও, শাক মজে এলে অল্প চিনি, আর ভেজে রাখা ডাল। সব বেশ ভাজা হলে তৈরি।



খুদের বউয়া, আলু আর উচ্ছে পাতা ভাজা, সব্জির খোসা আর চিংড়ি বাটা, ডাল মাখা,কাঁচা আম বাটা।



এ রান্না মহামায়ার সংসারের, যশোরের শিকড়ের বাড়িতে তারা আড় মাছের রসা করতেন। আলু ভেজে, তেলে জিরা, তেজপাতা ফোরন দিয়ে, জিরা হালকা টেলে বাটা, সাথে আদা আর শুকনো লংকা শিলে বেটে, বেশ ঘন ঝোল, শেষে এলাচ বাটা।

Samita Gopal Halder