Sunday, February 15, 2026

ফাল্গুন এর দিনে ঘরে যা যা রান্না হয়।

 


কাঁচা মুগে লাউ আর তিতা।
এতে ঘি ফোরন, তাতে মেথি, জিরা তেজপাতা দিয়ে উচ্ছে ভেজে ডাল সেদ্ধ, ফুটে গেলে আদা বাটা আর ঘি দিয়ে নামানো। কামিনী ভোগ চালের ভাত সাথে। তার গন্ধ মায়াবী।



কাঁচা টমাটো দিয়ে ময়া মাছের ঝাল
এতে কাঁচা টমাটো,লংকা দিয়ে মাছ একদম কম আঁচে রান্না, শেষে কাঁচা তেল ছড়িয়ে নামানো।



মৌরালা মাছ, শীষ পালং এর ডাটার হলুদ গোলা ঝোল
মাছ হালকা ভাজা। তেলে কালোজিরা দিয়ে, নুন হলুদ গুলে দিয়ে ডাটা হালকা ভেজে জল, কাঁচা লংকা, মাছ, ফুটে গেলেই হলো



কালি গাজর কা হালবা, কালো গাজর খুব কম সময় শীতে পাওয়া যায়, কাঞ্জি হয় খুব ভালো আর হালবা।



তুলাইপাঞ্জি ধান আমার কিনে চাল তৈরি করেন শমীক বাবু।
কুটির নাম পল্টু রায় বর্মন। কালিয়াগঞ্জ ব্লকের ঝাপড়াগাছি আর ধনকৈল হাট থেকে কেনা এই ধান। তারপর ছোট হাস্কিং মিলে চাল তৈরি করা হয়। বড় রাইস মিলে এই ধান থেকে চাল তৈরি করা যায় না। যেহেতু এটা নরম ধান। অভিজ্ঞ কুটি ছাড়া এই ধান থেকে চাল তৈরি করা সম্ভব নয়। গোটা উত্তর দিনাজপুর এ এগারো হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয় এই ধান । সেই চালের মাংসের পোলাও। অপূর্ব খেতে।

Samita Gopal Halder

২০২৬ এর ভ্যালেন্টাইন দিনে

ভ্যালেন্টাইন দিনে সবামী দিল স্ট্রবেরি , পুদিনা পাতা আর  ছোট ছেলে দিল মা বাবাকে চকোলেট , ব ড় ছেলে দিল শুভেচ্ছা।





 প রের দিন জাপানের বিখ্যাত তা কো ইয়াকি মানে অ ক্টো পাস দিয়ে বানানো স্ন্যাক খেলাম। কিছুক্ষন ছোট ছেলে আর হাজব্যান্ড কে নিয়ে পুরানো দিনের মেমরি তে ভরা জায়গা গুলিতে ঘুরে বেড়ালাম ।

অনেক ক থা ম নে পড়ে গেল।


রাতে স্ট্রীট এ খেলাম । এই দোকান টা আমাদের প রিচিত শরীফ আর মুক্তির  ওরা য শোরের । 


 
দে শের প তাকা দেখে ম ন ভ রে গেল



প্রথমে স্টাটার হিসাবে প টে টো ফ্রাই নিলাম। সবাদটা দেশের মশালা দিয়া চানাচুরের মত ছিল। আমার ছোট ছেলে ব ল লো , অনেক জাপানিজ এই সবাদ পছন্দ ক রে না। আমার খারাপ লাগে নি।




আমি মাটন তেহারি নিলাম, স ঙ্গে রায়তা আর সালাদ ছিল।
সবাদ বাড়িতে বানানো ক ম মসালা দিয়া বিরিয়ানির মত।


ছোট ছেলে আর তার বাবা নিল বিফ রামেন , স য়া সস ফ্লেভার। হালাল ছিল সব খাবার।



Saturday, February 14, 2026

রাজস্থানের সুস্বাদু পানীয় রাবে

 


উপকরণ:

২ টেবিল চামচ বাজরার গুঁড়ো

১ টেবিল চামচ ঘি

২ কাপ জল

১ টেবিল চামচ গুড়

আধ চা চামচ গোলমরিচগুঁড়ো

আধ চা চামচ আদাগুঁড়ো

১ চিমটে দারচিনিগুঁড়ো

প্রণালী:

একটি পাত্রে ঘি গরম করে বাজরার গুঁড়ো হালকা করে ভেজে নিন। এ বার তার ভিতরে জল মিশিয়ে নিন ভাল করে। ফুটন্ত মিশ্রণে গুড়, গোলমরিচের গুঁড়ো, আদার গুঁড়ো আর দারচিনিগুঁড়ো মিশিয়ে ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এ বার গরম গরম পানীয়ে চুমুক দিতে হবে। সকালের দিকে এই পানীয় খেলে উপকার পাবেন।