Wednesday, February 4, 2026

মন কাঁদে ফেলে আসা শবে বরাতের জন্য

 


ছবি আর রান্না Mostaria Eti

ইতির হাতের বুটের ডালের হালুয়া, গাজরের হালুয়া, খিচুড়ি আর গরুর মাংস। মুখে দিয়েই ছোট বেলার কথা মনে পড়ে গেল। ছোট বেলার শবে বরাত এর সাথে এখনেরটার বিস্তর তফাত। সে সময় মোহাম্মদপুর থাকতাম, দুই দিন আগে থেকেই টাউন হলের আনাচে কানাচে তারা বাতি, আগরবাতির পসরা সাজিয়ে টেবিল নিয়ে বসে যেত অনেক দোকান। অন্যদিনের চেয়ে বেশি মাংশ ঝুলতো কসাইয়ের দোকনে, বেকারি আর দোকান গুলোয়ে নানা কিসিমের পাউরুটির জন্য আলাদা টেবিল বরাদ্দ হত। আমি এলাউন্সের টাকা দিয়ে আম্মার পছন্দের আগর বাতি কিনে নিয়ে আসতাম, কিনতাম তারাবাতি, গোপনে কেনা হত মুররা। বিকাল থেকেই বাসায় আগরবাতি জ্বলতো। বিভিন্ন বাড়ির হালুয়া রুটিতে ভরতে থাকতো খাবার টেবিল, কত ধরনের যা হালুয়া, যেই বাসার হালুয়া বেশি মজা সেইগুলোর ভাগ পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যেত। আম্মার হাতেরটা সবচেয়ে মজা হত, কিন্তু সেটা তো থাকছেই, কয়েকদিন বেশ তারিয়ে তারিয়ে খাওয়া যাবে।
সন্ধ্যা নামলেই মুররা আর তারা বাতি নিয়ে বেরিয়ে পড়া। তখন ছাদে ছাদে বড়দের তত্বাবধানে পিচ্চিদের তারাবাতি জালানো শুরু হয়ে গেছে। রস্তায় রাস্তায় আমাদের মত কিশোর বয়সিরা মুররা, লাঠি পটকা, রসুন পটকা নিয়ে মেতে উঠেছে পাড়ার মুরুব্বিদের চোখ এড়িয়ে।তারপর রাতে নামাজের নাম করে পাড়ার দুস্টু ছেলেরা একসাথে হওয়া রাত ভর পাড়ায় ঘুরাঘুরি। এটাও ছিল যেন আরেকটা ইদ। সে সময় পুরো পাড়ার সবার সাথে সবার ছিল সখ্য, পাড়ার সব ছেলেমেয়েরা পাড়ার মুরুব্বিদের আদরে বড় হত। বয়সে বড়দের সমিহ করার একটা রেওয়াজ ছিল। আজ তো "কিয়েক্টা অবস্থার" যুগ।
কেন আজ সব এমন হয়ে গেল ? আমরা এখানে এলাম কিভাবে? সে সব প্রশ্নের জবাব নাই। থাকলেও রয়েছে বিরাট সব বিতর্ক। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞ্যানে সে গুলো বোধগম্য নয়। ইতিও তার ছেলে বেলার দারুন শবে বরাতের গল্প শোনায়। আমি চোখ বন্ধ করে দেখতে পাই ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে, বাসায় রান্নার ধুম পড়েছে।।
নিভৃতে এই মন কাঁদে ফেলে আসা শবে বরাতের জন্য। নিভৃতে যে যার মত পুরান স্মৃতি হাতড়ে আমাদের মত কয়েক মুহুর্ত ফিরে যেতে চাই অতীতে। আম্মা ছাড়া এবার দ্বিতীয় শবে বরাত, জীবন থেমে থাকে না। ইতি আমাদের বাসার ট্র্যাডিশনের শেষ কুটো টা ধরে রাখতে, হালুয়া রুটি বানায়। আমরা একসাথে টেবিলে বসি স্মৃতি রোমন্থন করি। আমিও আমার ছেলেবেলার গল্প শোনাই, দুইজনের ছোট বেলার স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়ায় আমাদের, মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। এমন একটা একটা সুতোয় ভালবাসার নকশিকাঁথা তৈরি হয়, নতুন স্মৃতিরা তৈরি হয় ভবিষ্যতের কোন এক আরো ভাল বা খারাপ শবে বরাতে রোমন্থনের জন্য।

Tuesday, February 3, 2026

Pizza-style baked potatoes and sausages with cheese

 


Ingredients:


250g potatoes


4-5 sausages


10g butter


3 tablespoons pizza sauce (tomato ketchup works too)


Pizza cheese, to taste


Parsley (finely chopped), to taste


Black pepper, to taste


Directions:


1. Peel the potatoes, cut them into bite-sized pieces, and soak them in water. Drain, place in a heat-resistant container, loosely cover with plastic wrap, and microwave at 600W for about 4 minutes until the potatoes are cooked through.


2. Add the sausages, cut diagonally into thirds, and the butter to the potatoes and mix well.


3. Place the potatoes in a heat-resistant dish and top with pizza sauce and pizza cheese. Place in a toaster oven and cook for 10 minutes, or until golden brown. Finish by sprinkling with parsley and black pepper.

এইবারের শ বে বরাতে র আয়োজন

  


মঙ্গল বার জব ছিল, তাই তেম ন কিছু  করতে পারে নি। 

বুটের  ডালের   , সুজির আর ডিমের  হালুয়া  করেছি।   আমার মা করতো বুটের  ডালের  আর  সুজির হালুয়া।

অনেক মানুষের জন্য বানাতো তাই এই দুইটাই ছিল আইটেম। ডিমের হালুয়া বানাতো আমার খালা। 

আমার ফুপু   শ বে বরাতে এম ন সুন্দর আয়োজন ক রে প্লেট সাজিয়ে খাবার পাঠা তো যাতে আভিজাত্য , নান্দনিকতা ছুঁয়ে থাকতো তার  আর একটা বিশেষ আইটেম ছিল নেশেস্তার হালুয়া। কি যে ভাল লাগতো খেতে।

কিন্তু আমি বানাতে পারি না। 

জাপানে এসে আমি যখন ডিমের হালুয়া করি , সবাই নাকি এই হালুয়া প্রথম খেল, আগে নাকি নামই শুনেনি তাই ব ল লো । আমি  তাই পার্টি হ লেই ডিমের হালুয়া রান্না ক রতাম। আমার ছোট ছেলে  ডিমের হালুয়া আর বড় ছেলে বুটের ডালের হালুয়া পছন্দ ক রে তাই আমি এই দুইটা আইটেম ক রেই থাকি।

বুটের হালুয়া প্রায় মানুষ ই  পছন্দ ক রে । আমি জাপানে এসে পাকিস্তানী ভাইয়ের জন্য ও বুটের ডালের হালুয়া  বা নি য়েছি।

এই যে এ ত ক থা ব লার কার ণ , এই গুলি আমাদের ট্রাডিশন , আমাদের আপন জ নের মেমোরি , আবেগ। 

আমি হারিয়ে যেতে দিতে চাই না এই  মেমোরি, আবেগ আর ট্রাডিশন কে।