Sunday, August 23, 2026

বাংলাদেশের মাবাপেরা

 

বাংলাদেশের খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবীদের বুদ্ধির একটা নকশা পাওয়া যায় যা অন্তর্গতভাবে একার্থক।
একজন বুদ্ধিজীবী বলছেন: শেখ মুজিব জানতেন না মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে'
কি সাংঘাতিক বুদ্ধিজীবী।
একজন বলছেন 'মাদ্রাসা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছে'
কি সাংঘাতিক আবিষ্কার।
কিন্তু ফিলোসোফিক্যালি তাদের বক্তব্য একই বিষয়কে প্রকাশ করে তা হলো সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধিতা।
আমাদের আর একজন বুদ্ধিজীবী পাকিস্তান হওয়ার পক্ষে সাফাই গেয়েছিলেন এই বলে যে 'উপন্যাসে মুসলিম চরিত্রের প্রায় অনুপস্থিতি'
কি সাংঘাতিক অজুহাত। কিন্তু মর্মবস্তুর দিক থেকে একই তা হলো সাম্প্রদায়িকতা যে সাম্প্রদায়িকতার এখন দারুণ রমরমা।
একজন বুদ্ধিজীবী বাঙালী জাতিসত্তাকে দুইভাগে ভাগ করেছিলেন 'বাঙালি মুসলমান, বাঙালি হিন্দু'।
জাতিকে সম্প্রদায়ে বিভক্তি করার জন্য তিনি এই বাংলাদেশে খুবই বিখ্যাত। কিন্তু এই বিভক্তির পশ্চাৎ উদ্দেশ্য কি?
সাম্প্রদায়িকতা।
একজন বুদ্ধিজীবী আবার আল্লাহর সার্বভৌমত্বে সমাজতন্ত্র গুলে এক বিচিত্র ভাবান্দোলনের তরিকা প্রচার করেন। ভাববাদ এবং বস্তুবাদকে এক ঘাটে জল খাওয়ান।
মর্মের দিক থেকে একই উদ্দেশ্য: সাম্প্রদায়িকতা।
আরো অনেক ছোট ছোট সাগরেদ বুদ্ধিজীবীর পয়দা হয়েছে যাদের মূল সুর গুরুদের পদাঙ্কানুসরণ।
বাংলাদেশ যে আজ সাম্প্রদায়িক উন্মত্ততায় ফুটছে, এর পেছনে আমাদের এইসব বুদ্ধিজীবীদের অবদান কে অস্বীকার করবে?
এদের প্রধান ক্রেতা হচ্ছে পেটিবুর্জোয়া মধ্যবিত্ত এবং ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী। যে দেশের ৯৯% মানুষ সাম্প্রদায়িক, সেখানে এমন বুদ্ধিজীবীদের পোয়াবারো হবে, তাতে আর আশ্চর্য হবার কিছু নেই।
এদের বিপরীতে যারা ইহজাগতিকতা, অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলবে, তারা তাদের উষ্টা খেয়ে ডাস্টবিনে পড়ে কাৎরাবে, এটাই স্বাভাবিক। তাই এখানে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি হবে পরিতাজ্য। শুধু পরিতাজ্য নয়, আক্রমণের লক্ষ্য। রক্তাক্ত করাই ইহাদের প্রধান সংস্কৃতি।
শুধু বুদ্ধিজীবী কেন, এখানে সেই রাজনীতিবিদগণ সবচেয়ে বেশি কল্কে পায় যারা অস্থিমজ্জায় সাম্প্রদায়িক। মুক্তিযুদ্ধ এদের প্রধান আক্রমণের লক্ষবস্তু। কারণ একমাত্র মুক্তিযুদ্ধই হচ্ছে আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ ইহজাগতিক জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম যার ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ।
তাই মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করাই আমাদের এইসব রাজনীতিবিদদের একমাত্র চর্চা যাদের বুকে সাম্প্রদায়িকতার পতাকা পতপত করে উড়ছে। শুধু পুরনো নয়, নতুন নতুন ছোকরা রাজনীতিবিদগণও এক একটা সাম্প্রদায়িক পাণ্ডা।
ফলত, আমাদের বুদ্ধিচর্চা এবং রাজনীতি একটি গোষ্পদে মুখ ডুবিয়ে মহানন্দে স্নান কিংবা গোসল করছে তার নাম সাম্প্রদায়িকতা..

Ahsan Habib

ডালের স্যান্ডউইচ

 


অধিকাংশ বাড়িতেই ডাল রান্না হয়। আর অধিকাংশ সময়েই তা এক দিনে শেষ হয় না। ফলে মাইক্রোওয়েভে একটু ডাল গরম করে নিলেই হবে। তবে মাথায় রাখতে হবে, ডাল যেন ঘন বা শুষ্ক হয়, জলীয় ভাব কম থাকে তাতে। নয়তো গ্যাস জ্বালিয়ে আঁচে রেখে ডাল একটু শুকিয়ে নিতে হবে। এ বার বানিয়ে নিন ডালের স্যান্ডউইচ।

উপকরণ

আধ কাপ পেঁয়াজ (মিহি করে কাটা)

আধ কাপ টম্যাটোকুচি

আধ কাপ শসাকুচি

আধ কাপ গ্রেট করা চিজ়

আধ টেবিলচামচ চিলি ফ্লেক্স

১ চা-চামচ অরিগ্যানো

১ টেবিলচামচ মাখন

আগের রাতে পড়ে থাকা ডাল

২-৪ টুকরো পাউরুটি

প্রণালী

এক টুকরো পাউরুটির উপর শুষ্ক এবং ঘন ডাল মাখিয়ে দিন ভাল করে।

তার উপর একে একে পেঁয়াজ, টম্যাটো এবং শসাকুচি দিয়ে দিন।

এ বার গ্রেট করা রাখা চিজ় তার উপরে ছড়িয়ে দিন। শেষে ছড়িয়ে দিন অরিগ্যানো এবং চিলি ফ্লেক্স।

অন্য দিকে আর একটি পাউরুটিতে মাখন মাখিয়ে অন্য টুকরোর উপরে রাখুন।

এ বার স্যান্ডউইচ মেকারে ভরে খানিকক্ষণ সেঁকে নিন। সময়মতো বার করে নিতে হবে।

এ বার গরম গরম ডালের স্যান্ডউইচ খেয়ে নিন তৃপ্তি করে। পেটও ভরবে, খাটনিও কম।


Tempura-Bowl-Style Egg and Rice

 


Ingredients (Serves 1)

3 eggs


10g butter


2 tbsp *tenkasu* (tempura scraps)


[A] 1 1/2 tbsp *mentsuyu* (3x concentrated)


[A] 1/3 tbsp sugar


1 bowl of cooked rice


Chopped green onions (to taste)




Instructions

① Heat the butter in a frying pan over medium heat and crack in the eggs.


② Once the egg whites begin to set, lightly break up and swirl the yolks using cooking chopsticks or a similar utensil.


③ Turn off the heat, add the *tenkasu*, and drizzle [A] over the mixture.


④ Sprinkle with green onions, serve over the rice, and it's ready!