Wednesday, May 13, 2026

অমুল্য উপহার




আমার জাপানিজ কলিগ আমাকে এই  কোস্টার গুলি দিয়েছে। এক একটা উনি  নিজের হাতে  

বানিয়েছেন। 

উনার শখ হ ল বিভিন্ন জায়গায় বে ড়াতে যাওয়া আর সেখান থেকে কাপ ড় সংগ্রহ করা। আমাকে দেওয়া এই  কোস্টারগুলি তে তিনি তার বিভিন্ন জায়গা থেকে আনা কাপড় গুলির টুকরা  ব্যবহার করেছেন।

আমাদের দেশের কাঁথা সেলাইয়ের সাথে মিল আছে , অনেকটা প্যাঁচ ওয়ার্ক এর মত । 

আমার কাছে  এই অমুল্য উপহার একটা  স ম্পদ, একটা মেমোরি হ য়ে থাক লো , তাই এইগুলি দেয়ালে সাজিয়ে  রে খেছি। এই সাজানোটা হয়েছে , জাপানের  Wabi sabi  থি ওরি মেনে। যার মানে  "the beauty in imperfection"

এক জন বিদেশি মানুষ আমার ক থা ভেবে , কাপ ড় কিনেছেন, তার অনেক অনেক মুল্যবান স ম য় ব্যয় ক রে ছেন এই গুলি বানানোর জন্য তাই আমি  সারা জীবন এই টা যত্ন ক রে   রে খে দিবো  আমার  সংগ্রহে । 

এখানে কিছু কেউ দিলে তাকে কিছু দিতে হ য় । আমি উনাকে কিছুই দিইনি। এই ভালবাসার বিনিময়ে  কিছু দিয়ে আমি তাকে ছোট করতে চাই না।  

আসলে , এর বিনিময়ে আমি কি দিতে পারি  উনাকে?

 এই মনিহার আমার নাহি সাজে".


 

Tuesday, May 12, 2026

মোরলা মাছের ঝুরি

 


মোরলা মাছ ছোটবেলায় খুব একটা খেতে চাইতাম না কিন্তু এই রান্নাটা খেতে খুব ভালো লাগতো।
রেসিপি
মাছগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিলাম এবার এতে নুন, হলুদ গুঁড়ো মাখিয়ে পাঁচ মিনিট রেখে দিলাম।
একটা মসলা তৈরি করে নিতে হবে । গ্রাইন্ডার এ কালো সরষে, সাদা সরষে, পোস্ত, কাঁচা লঙ্কা অল্প জল দিয়ে পেস্ট করে নিলাম। এখানে সাদা সরষে আর পোস্ত র পরিমাণ সমান হবে আর কালো সরষে কম পরিমাণে দিতে হবে।
মাছের সঙ্গে এই মসলা মেখে নিলাম । আর ওপরে এক চামচ সর্ষের তেল ছড়িয়ে দিলাম।
এবার মাছের মিশ্রণটা আধঘন্টা ঢেকে রেখে দিলাম।
একটা তাওয়া ভালো করে গরম করে অল্প সর্ষের তেল ছড়িয়ে দিলাম ।
এরপর মাছের মিশ্রণটা তাওয়ার উপর ঢেলে চারিদিকে ছড়িয়ে দিলাম। কম আঁচে প্রায় পাঁচ থেকে সাত মিনিট হয়ে গেলে নিচের দিকটা লালচে হয়ে আসবে।
এখন খুন্তি তে করে খুব সাবধানে মাছের মিশ্রণ উল্টে দিলাম।
আরো ৪-৫ মিনিট রান্না হয়ে গেলে নিচের দিকটা যখন লাল হবে তখন আরো একবার উল্টে দিতে হবে ।
এইভাবে তিন চারবার উল্টে পাল্টে রান্নাটা করতে হবে। তবে খুব সাবধানে করতে হবে যাতে মাছগুলো ভেঙে না যায়। নামানোর আগে এক চামচ সরষের তেল ছড়িয়ে দিতে হবে।
গরম ভাত দিয়ে এটা খেতে খুব ভালো লাগে।

ভাতের মাড় নাকি সবচেয়ে কার্যকর হাইড্রেটিং পানীয়।

 


ভাতের মাড় ফেলায় দিচ্ছেন। গরীবদের খাবার ম নে করছেন । আমি ও মনে করতাম। কিন্তু ভুল স ব ই ভুল।

একসময় যা ছিল শুধুমাত্র বাঙালির রান্নাঘরের এক চিরচেনা ‘বাই-প্রোডাক্ট’, আজ সেটিই হয়ে উঠছে একটি ন্যাচারাল সামার ড্রিংক। ভাত রান্নার সময় যে স্টার্চযুক্ত পানি বের হয়, সেটিই মূলত ভাতের মাড়। এতে থাকে হালকা কার্বোহাইড্রেট, যা শরীরে দ্রুত এনার্জি জোগায়, আবার খুব সহজে হজমও হয়। বাঙালির রান্নাঘরের খুব সাধারণ এই উপকরণ নতুন করে ফিরে আসছে ট্রেন্ডে। এটিকেই এখন বলা হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর হাইড্রেটিং পানীয়। গরমের দিনে শরীরকে দেয় আরাম, পাশাপাশি রাখে হাইড্রেটেড।

হালকা স্বাদ, স্বস্তির অনুভূতি

ভাতের মাড়ের স্বাদ খুবই হালকা বা কোমল। না টক, না মিষ্টি। যা গরমের দিনে মুখে এনে দেয় কিছুটা আরাম। অনেকেই একে লেবুর শরবত বা বাটারমিল্কের তুলনায়ও বেশি কোমল মনে করেন, কারণ এতে কোনো তীব্র অ্যাসিডিক বা ভারী ভাব নেই।


কেন এটি গরমে উপযুক্ত

এই পানীয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর কোমলতা। সহজপাচ্য হওয়ায় এটি পেটের ওপর চাপ ফেলে না। বরং শরীরকে ধীরে ধীরে হাইড্রেট করে এবং ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। হালকা লবণ ও ভাজা জিরা যোগ করলে এতে যুক্ত হয় ইলেকট্রোলাইট ও ডাইজেস্টিভ গুণ, যা গরমে বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়।




সাধারণ ভাতের মাড়ই পান করুন কিছু টুইস্ট সহযোগে


আধা কাপ চাল ভালো করে ধুয়ে তিন কাপ পানিতে রান্না করুন। ভাত সেদ্ধ হয়ে গেলে পানি ছেঁকে আলাদা করে নিন। সেই স্টার্চযুক্ত পানিতে এক চিমটি লবণ, সামান্য ভাজা জিরা গুঁড়া এবং ব্ল্যাক সল্ট মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে এই সামার ড্রিংক। চাইলে এক চা চামচ লেবুর রস যোগ করে নিতে পারেন হালকা ট্যাংগি স্বাদের জন্য। ঠান্ডা করে পান করলে এর সতেজতা আরও বেড়ে যায়।