Tuesday, August 11, 2026

Stuffed bell peppers with whole grain mustard dressing

 


Ingredients (Serves 2)

・4 green bell peppers


・200g mixed ground meat (beef and pork blend; choose a leaner cut)


・1/2 beaten egg


・3 tbsp breadcrumbs


・1/2 tsp salt


・A pinch of pepper


・All-purpose flour (as needed)


・1 tsp vegetable oil


・(A) 1/2 tbsp grainy mustard


・(A) 2 tsp vinegar (e.g., wine vinegar)


・(A) 1 1/2 tbsp olive oil


・(A) Salt and pepper (a pinch of each)


Instructions

・Cut 3 of the bell peppers in half lengthwise and remove the seeds.


Remove the seeds and stems from the remaining pepper and finely chop it.


・In a bowl, mix the egg and breadcrumbs well. Once the breadcrumbs have softened, add the ground meat, salt, and pepper; mix roughly, then add the finely chopped bell pepper.


・Lightly dust the inside of the halved bell peppers with flour (using a tea strainer or similar tool), then pack the meat mixture (from the previous step) firmly inside, ensuring there are no gaps.


・Heat the vegetable oil in a frying pan and arrange the stuffed peppers with the meat side facing down. Cover with a lid and cook over medium-low heat for 5–6 minutes.


Once browned, flip them over, cover again, and cook in the same manner.


・Arrange on a plate and drizzle with the combined ingredients from (A).

আমার ম নের ক থা ব লেছেন দাদা

 আমাদের শিক্ষিত, কালচারাল এওয়ার মধ্যবিত্ত

তার মেয়েদের নিয়ে, এখন সবচেয়ে জটিল সময় পার করতেছে সম্ভবত!
বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীটা বহুদিন ধরে, নানা ট্যাবু ভেঙে, নানা রকম সামাজিক বাধা পার হয়ে,
তার মেয়েদেরকে সিরিয়াসলি লেখাপড়া করানো শুরু করেছিলো , চাকরির অনিহা দূর করেছে।
অংক জানা, আর্ট কালচার বোঝা, রাজনীতি সচেতন মস্তিষ্ক হইতে হলে যে তার যৌণ পরিচয়টা আসলে দরকার নাই,
বোধ বুদ্ধি ইন্টেলিজেন্সের যে সেক্সুয়াল ডিজ এডভান্টেজ নাই, এইটা আমাদের আগের জেনারেশনের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীটা বহু কষ্টে প্রায় এস্টাবিলিশড করে নিয়ে আসছিলো।
মুশকিল হচ্ছে
এখন যে ধরনের আলাপ হয় আমাদের সোসাইটিতে,
কালচারালি পিছায়া থাকা শ্রেণীটা হঠাৎ করে যে ধরনের কনফিডেন্স নিয়ে কথা বলা শুরু করছে , নানা রকম মতামত এস্টাবলিশড করার চেষ্টা করতেছে,
সেইসব মধ্যবিত্ত শ্রেণিটার জন্য খুবই অস্বস্তিকর হয়ে দাড়াইছে!
আমাদের কালচারাল, নতুনের প্রতি আগ্রহী, সাংস্কৃতিক, বোধ বুদ্ধির চর্চা করা মধ্যবিত্তের কোথাও কোন রিপ্রেজেন্টেশনও নাই এখন!
নাটক দেখেন!
দেখেন তার চরিত্র গুলো?
সব কেমন অশিক্ষিত রাগী, চিন্তা না করে কথা বলা, থামতে না জানা সব স্থুল চরিত্র,
তাতে মেয়েদের রিপ্রেজেন্টেশন দেখেন?
সেসব নাটকে মেয়েদেরকে বকা দেয়া যায়, দু চারটা চড় দেয়া যায়, যা খুশি বলা যায়, এই সব আচরণ,
চাকরি করলে তাতে প্রমোশন পাইলে চরিত্র খারাপ হইতে হয় এই ধারনা
কোন শ্রেণীটা রিপ্রেজেন্ট করে এসব?
বহুদিন ধরে দেশের প্রায় অশিক্ষিত, নিম্নশ্রেণীটার আধুনিক শিক্ষা, চাকরির পরিবেশ নিয়ে যে অমুলক ভয়, এসব তার সমস্ত চিত্রায়ন না?
সিনেমা দেখেন?
দেখেন কি বিশ্রী ধরনের সব বুদ্ধি বিবর্জিত, মানুষের মনের সূক্ষ্ম চ্যালেঞ্জ না বোঝা, জীবন না বোঝা ইমোশন ড্রিভেন, ধ্বংস প্রত্যাশী নেশা ফেশা করে বেড়ানো,
অশিক্ষিত নিম্নশ্রেনীর সব চরিত্র!
তাতে মেয়েরা?
একেবারে কিছুই না। শরীর ছাড়া কিচ্ছুনা।


আমাদের সিনেমা নাটক, এখনকার থেকে বহুগুন মডার্ন সময় তার অতিতে পার করে এসেছে!
আমাদের মিডিয়া অতিত বর্তমানের থেকে স্মার্ট ছিলো।
মানব মন, সোশাল চ্যালেঞ্জের অনেক সূক্ষ্ম জায়গা দেখাবার মতন ক্যাপাবল ছিলো আমাদের মিডিয়া।
এখন?
মধ্যবিত্ত, লেখাপড়া করা শ্রেনীটার হাত থেকে মিডিয়া ব্যাপারটা আসলে চলেই গেছে!
সব কিছু মিলেই সমাজে যে ধরনের অপিনিয়ন এখন তৈরি করা হইতেছে
সিনেমা, নাটক, ফেসবুক ইত্যাদি দিয়ে
তাতে শিক্ষিত, সচেতন মেয়েদের জন্য একটা অত্যন্ত বিপদজনক সময় এসে উপস্থিত হইছে!
তাদেরকে খাচায় রাখবার সমস্ত বন্দোবস্ত রেডি একেবারে।
মেয়েদেরকে আবার 'মেয়ে মানুষ' হইবার একটা উলটো যাত্রা যেন শুরু হয়েছে দেশে

Imran Kais

অপেক্ষা

 


আমার ​বাবা ছিলেন অসম্ভব হিসেবি মানুষ। সেকেন্ডের কাঁটার মতো কাঁটায় কাঁটায় মেপে চলতেন পুরো জীবন। আমাদের বাড়িতে আবেগের কোনো স্থান ছিল না। কিন্তু এই নিয়ম শৃঙ্খলার বাইরে একজন মানুষ ছিলেন। তিনি আমার ফুফু, নাম সুরঞ্জনা।

​ফুফু বিবাহিত ছিলেন, কিন্তু বাবার বাড়িতেই থাকতেন। ফুফুর স্বামী সেনাবাহিনীতে ছিলেন, জাতিসংঘের শান্তি মিশনে গিয়ে গত চব্বিশ বছর ধরে নিখোঁজ। কোনো খবর নেই, জীবিত না মৃত তাও কেউ জানে না। বাড়ির সবাই ধরে নিয়েছিল ফুফু বিধবা, কিন্তু ফুফু কোনোদিন সাদা শাড়ি পরেরনি। আবার কোনোদিন কেঁদে কেটে বাড়িও মাথায় তোলেননি।
​ফুফুর ঘরে কোনো ঘড়ি ছিল না। ফুফু বলতেন, "যে সময়ের মধ্যে আমার মানুষটা নেই, সেই সময় মেপে আমি কী করবো রে সোহেল?"
​আমি যখন চারুকলার শেষ বর্ষে পড়ি, তখন একদিন হঠাৎ খেয়াল করলাম ফুফুর একটা অদ্ভুত অভ্যাস হয়েছে। প্রতিদিন বিকেল চারটে বাজলেই ফুফু বারান্দার কোণে গিয়ে দাঁড়াতেন। রোদের আলো ঘরের উত্তর দেওয়ালের যে কোণে গিয়ে পড়তো। ফুফু একটা মার্কার দিয়ে সেই আলোর শেষ সীমায় দাগ কেটে দিতেন। আর তার ঠিক পাশে একটা ছোট্ট অঙ্ক লিখতেন।
​একদিন কৌতুহল সামলাতে না পেরে জিজ্ঞেস করলাম, "ফুফু, দেওয়াল জুড়ে এসব কীসের হিসেব রাখছো?"
​ফুফু হেসে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, "এটা একটা ছায়াসময়, সোহেল। তোর বাবা তো নিয়ম শৃঙ্খলার হিসেব মাপে। আর আমি মাপি মানুষের অপেক্ষার সময়। রোদটা যখন ঐ কোণে পৌঁছায়, তখন বুঝতে পারি আরও একটা দিন চলে গেল, অথচ আমার সময়ের কাটাটা সেখানেই আটকে আছে।"
​আমি সেদিন বুঝেছিলাম, ফুফুর এই দাগ কেটে যাওয়াটা কোনো মানসিক ব্যাধি নয়, এটা হলো বেঁচে থাকার একটা অবলম্বন। আশা আর নিরাশার মাঝখানে ঝুলতে থাকা এক বিশ্বাস।
​কিন্তু ধাক্কাটা এলো তার কয়েক মাস পর। বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। হাসপাতালে যাওয়ার আগে বাবা আমাকে ডেকে দোকানের চাবিটা দিয়ে বললেন, "সোহেল, কাউন্টারে যে কালো চামড়ায় বাঁধানো ডায়রিটা আছে, ওটা কাউকে দেখতে দিবি না। আমার জীবনের সব ভুলত্রুটির জমা খরচ ওখানে আছে।"
​বাবা মারা যাওয়ার পরদিন রাতে সেই ডায়রিটা খুলে বসলাম। ভেবেছিলাম হয়তো দেনাপাওনার হিসেব পাবো। কিন্তু পাতা উল্টাতেই আমার বুকটা ধপ করে উঠলো।
​১৯৯৮ সালের একটা চিঠির প্রতিলিপি রয়েছে সেখানে। সেনাবাহিনীর তরফ থেকে আসা সরকারি চিঠি। ফুফুর স্বামী সিয়াচেনের বরফে ধসে মারা গেছেন এবং তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। চিঠিটা বাবার কাছেই এসেছিল। কিন্তু বাবা সেই চিঠিটা কোনোদিন ফুফুকে জানাননি।
​নিচে বাবার হাতে লেখা একটা ছোট্ট নোট-
"সুরঞ্জনাকে যদি সত্যটা বলে দিই, ও বেঁচে থাকার শেষ আশাটুকু হারিয়ে ফেলবে। শোক মানুষকে মেরে ফেলে, কিন্তু অপেক্ষা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। আমি ওকে মিথ্যা একটা আলো দিলাম, যাতে ও অন্ধকারকে জয় করতে পারে।"
​আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। আমার বাবার মতো এত নির্মমভাবে কঠোর, নীতিবাদী মানুষটা নিজের বোনের জন্য চব্বিশ বছর ধরে একটা মহাজাগতিক মিথ্যা লালন করে গেছেন!
​পরের দিন বিকেলে আমি ফুফুর ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালাম। বিকেল চারটে বাজে। রোদ এসে দেওয়ালের সেই কোণটায় পড়েছে। ফুফু মার্কার হাতে তুলে নিয়েছেন দাগ কাটার জন্য।
​আমার খুব ইচ্ছে হলো ফুফুকে জড়িয়ে ধরে সত্যটা বলে দিই। বলি, "ফুফু, আর দাগ কেটো না। আর অপেক্ষা কোরো না। যাকে তুমি খুঁজছো, সে চব্বিশ বছর আগেই বরফের নিচে ঘুমিয়ে গেছে।"
​কিন্তু যখন ফুফুর মুখের দিকে তাকালাম, আমার গলা শুকিয়ে এলো। আমি উপলব্ধি করলাম, কিছু সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় না, শুধু নিঃশ্বাস বন্ধ করে দেয়। আর কিছু মিথ্যা মানুষকে আস্ত একটা জীবন বাঁচিয়ে রাখার শক্তি দেয়।
​আমি ফুফুর কাছে গেলাম। ফুফুর হাত থেকে মার্কারটা আলতো করে কেড়ে নিলাম।
​ফুফু অবাক হয়ে বললো, "কী করছিস সোহেল?"
​আমি ফুফুর দিকে তাকিয়ে একটা হালকা হাসি দিয়ে বললাম, "ফুফু, প্রতিদিন শুধু দাগ কাটলে তো হিসেব মিলবে না। আজ থেকে আমি আর তুমি মিলে এই দেওয়ালে একটা বড় দেওয়ালচিত্র আঁকবো। যেই চিত্রে একটা বিশাল বরফের পাহাড় থাকবে, আর সেই পাহাড়ের উপর একটা আলো এসে পড়বে। রোদ যেখানটায় শেষ হবে, আমরা পাহারটাকে ততদূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাবো।"
​ফুফু আমার দিকে কিছুক্ষণ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। তারপর তার বয়সের ভারে ঝুলে যাওয়া চোখ দুটো দিয়ে দু ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়লো। ফুফু ফিসফিস করে বললেন, "তুই বুঝতে পেরেছিস, না রে সোহেল?"
​আমি চমকে উঠলাম, "কী বুঝতে পেরেছি ফুফু?"
​ফুফু দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললেন, "তোর বাবা ভেবেছিল আমি কিছু জানি না। কিন্তু ভাইয়ের হাতের লেখা তো আমি চিনি! ঐ চিঠিটা চব্বিশ বছর আগেই আমি তোর বাবার বাক্সে দেখে ফেলেছিলাম।"
​আমার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল। থমকে গিয়ে বললাম, "তাহলে... তাহলে এই যে প্রতিদিন দাগ কাটাকাটি? কেন এই মিথ্যে অপেক্ষা ফুফু?"
​ফুফু আমার হাতটা জড়িয়ে ধরে মৃদু হেসে বললেন, "তোর বাবা আমাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সত্যিটা লুকিয়েছিল। আর আমি তোর বাবাকে তার এই অপরাধবোধ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য না জানার ভান করেছিলাম।"
​বাইরে তখন বিকালের রোদ আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে আসছে। দেওয়ালের গায়ে আলোর শেষ চিহ্নটুকু মুছে যাচ্ছে।
​আমি আর কথা বাড়ালাম না। বাবা সারাজীবন নিয়ম শৃঙ্খলার কথা বলে গেছেন, কিন্তু মানুষের মনের ভেতরের এই অনিয়ন্ত্রিত ছায়াগড়ি, কোনো নিয়ম শৃঙ্খলা মানে না। তা শুধু নিঃশব্দ ভালোবাসায় চলতে থাকে, মৃত্যুর শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত!

Sohel R Rana