Friday, February 10, 2023


                        লিলুয়া ভাবনা

  জানি না, কেউ এমন করে ভাবে কিনা ? কিন্তু আমি ভাবি, 

   কেন আমি নিজেকে দেখতে পারি না?। 

ডানে, বায়ে,উপরে, নিচে আশেপাশের সব কিছু দেখতে পারি কিন্তু নিজেকে দেখতে পারি না ।

আয়নাতে যাকে দেখি সে কি আমি? ক্যামারাতে যাকে দেখি সেকি আমি? 

আমি তো নিজেকে চিনি না । 

লালনের গানটি মনে পড়ে যায়,

"আপনাকে চিনতে  পারলে রে  যাবে অচেনারে চেনা।"

আমি অচেনা রে নিয়ে চিন্তা করিনা , শুধু নিজেরে চিনতে চায়। একটু নিজের দু'চোখ ভরে 

নিজেকে দেখতে চায়। 

স্ ক্রেটিস বলেছে, "know thyself"

একজন অপরিচিত কে জানা যায়?  জানা যায়, কি একজন প রিবর্তন শীল কে। আমার আয়নায়, ক্যামেরায়, যাকে মেয়েবেলায় এক রকম দেখেছিলাম, কিশোরী বেলায় এসে যাকে দেখেছি, এই বয়সে তাকে তো খুঁজে পায়না। পড়ন্ত বেলায় হয়তো  তাকে খুঁজে ই পাব না।

নিজেকেই দেখতে, চিনতে আর জানতে না পারার এই সীমাবদ্ধতা নিয়ে একদিন টুপ ক রে মরে যাব।

শুন্য, শুন্য , শুন্য।

অন্ধকার,অন্ধকার,অন্ধকার।

কোথাও কেউ নেই।

আমার অস্তিত্ব কি সত্যিই কি আছে?  না সবই মায়া।

Saturday, January 28, 2023

  সূর্যশিশির (Sundews)


 

    ছবি : গুগল

ফুলটির বাংলা নাম সূর্যশিশির। 

ইংরেজি নাম Sundews এবং বৈজ্ঞানিক নাম Drosera 
সংস্কৃত ভাষায় এর  নাম দেবাবিন্দু,  আরেক নাম মুখাজালি। 
এটি বাংলাদেশের একমাত্র পতঙ্গখেকো উদ্ভিদ।
শীতকালে জন্মানো উদ্ভিদটি  বিলুপ্ত প্রায়।  অপেক্ষাকৃত কর্দমাক্ত স্থানে এরা বেশি জন্মে বলে বর্ষা মৌসুমে এদের মাঝে মাঝে খুঁজে পাওয়া যায়। 

এই উদ্ভিদ বাংলাদেশে শুধুমাত্র দিনাজপুর, রংপুর ও ঢাকা জেলায় পাওয়া যেত। তবে সিলেট এলাকার কয়েকটি জোনে ও তাকে দেখা গিয়েছিল।

সূর্যশিশির বাতাসেও একধরনের সুগন্ধ ছড়ায়। 

ফুলের মাথায় তীব্র আঠা থাকে এবং কোনো কীট-পতঙ্গ যখন ওই ফুলটিকে নর্মাল ফুল ভেবে ওর উপর বসে তখনই তীব্র আঠায় আটকা পড়ে যায়।
জন্মায় অম্ল (এসিড) বেড়ে যাওয়া মাটিতে। যে মাটিতে সূর্যশিশির জন্ম নেয় সেই মাটির পুষ্টিগুণ কম থাকে।

উদ্ভিদটির রয়েছে ঔষধীগুণ,এর থেকে হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্ট সহ একাধিক রোগের ওষুধ তৈরি হয় ।

ই উদ্ভিদ মানুষের ক্ষতি করে না। 

পোকা মাকড় কীটপতঙ্গ খেলেও উপকারী পোকা বা কীটপতঙ্গ এই উদ্ভিদের প্রতি আকৃষ্ট হয় না। এ কারণে উপকারী পোকা বা কীটপতঙ্গের ক্ষতি করতে পারে না।

 লুপ্ত হওয়ার আগে এই সব উদ্ভিদ অবশ্যই সংরক্ষণ করা দরকার।