Tuesday, January 25, 2022

 ২৫/১/২০২২

মঙ্গলবার

আজকের এলেমেলো ভাবনা

১/

যার কাছে তোমার অভিমানের কোন মূল্য নেই, তার কাছে অভিমান প্রকাশ করাটা শুধু বেমানানই নয়, লজ্জার, অমর্যাদার আর অপমানেরও!

২/

মা হওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যাপার। আমি এর জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি।

আমি এখনকার আলোচিত সারগসি মাদার ধারণা টা আমার বেলায় মেনে নিতে পারব না। অনেক বেদনা আর কষ্টের প রে পরম ক্রুনাময়ের দয়া পেয়েছি, যার থেকে বড় পাওয়া একজন মেয়ের জীবনে আর কিছু নেই। ফিগার খারাপ হইয়ে গেছে, চেহারা খারাপ হইয়ে গেছে। O.K.

কারণ এগুলি চিরকালের না।


Sunday, January 23, 2022

 

২৪/১/২০২২

সোমবার

আজকের এলেমেলো ভাবনা

১/

টক তেঁতুল যেমন আছে, তেমন মিষ্টি তেঁতুল ও আছে।


আমি টক মনে করে খেয়ে ত অবাক,
মিষ্টি তেঁতুল। বিনা ঝামেলায় আচার খাচ্ছি মনে হয়েছে। আমার উনি, জাপানের সুপার মার্কেট থেকে কিনে এনেছিল।

জাপানে এখন আমাদের ওই দিক কার অনেক জিনিষ পাওয়া যাচ্ছে।

২/

পৃথিবীটা একটা বেচাকেনার জায়গা। দরকারে ‘কেনা’ প্রয়োজনে ‘বেচা’।

৩/

নারীকে আপন ভাগ্য জয় করিবার কেন নাহি দিবে অধিকার, হে বিধাতা?


Tuesday, January 11, 2022

 



গোলাপি চা


গোলাপি চা। অনেকের কাছে তা ‘নুন-চা’। কেউ বা আবার একে চেনেন ‘গুলাবি চায়’ বলে। কাশ্মীরের স্থানীয়দের মতে, গোলাপি চা-পানে বেশ উপকারিতাও রয়েছে। এতে মূল উপকরণ বলতে গ্রিন টি, নুন এবং বেকিং সোডা। চায়ে নুন থাকার ফলে তা পান করলে পাহাড়ি এলাকায় ডিহাইড্রেশন কম হয়।

অনেকেই এই চায়ের কাপে ছড়িয়ে দেন স্টার আনিস। অনেকে আবার এতে আধভাঙা বাদাম ছড়িয়ে দেন।
গোলাপি চায়ের স্বাদ যেমন অপরিচিত, তা তৈরির পদ্ধতিও আলাদা মনে হতে পারে অনেকের। প্রথমে একটি পাত্রে পরিমাণ মতো জলে গ্রিন টি এবং এক চিমটে বেকিং সোডা দিয়ে বেশ অনেক ক্ষণ ধরে ফোটাতে হবে। বেকিং সোডার জেরেই চায়ের রং গোলাপিতে পরিণত হয়। তবে সঙ্গে সঙ্গে তা হয় না। গ্রিন টি-তে বেকিং সোডা দিয়ে জল ফোটালে তা রং বদলে প্রথমে পীতাভ বাদামি রঙের হয়ে যায়। এর পর চায়ে গাঢ় মেরুন রং ধরতে থাকে।

 চায়ের রং বদলে বার্গন্ডি হওয়ামাত্র সেই রং ধরে রাখতে পাত্রে বরফ বা ঠান্ডা জল ঢালা হয়। এর পর তাতে দুধ মেশালে গোলাপি রং দেখা যায়।

চায়ের রং বদল হওয়ামাত্রই সঙ্গে সঙ্গে তা পরিবেশন করা হয় না। এর পরেও চা তৈরি বাকি। এ বার একটি হাতায় এই পানীয় ভরে তা চায়ের পাত্র থেকে অন্য পাত্রে বার বার উঁচু-নিচু করে ঢালা হয়। বার বার একই পদ্ধতিতে চা ঢালার ফলে তাতে বাতাস ঢুকে বেশ ফেনা ফেনা হয়ে ওঠে।

 লন্ডনের এক চা-বিক্রেতার দাবি, পানীয় তৈরির পর তা হাতায় ভরে উঁচু-নিচু করে চার ঘণ্টা ধরে বার বার ঢালা না হলে এর আসল স্বাদই পাওয়া যাবে না!

আসলে,
গোলাপি চা তৈরি করতে পাকা হাতের প্রয়োজন।