Saturday, August 8, 2026

ফিশ কোফতা কারি

 

মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে কোফতা? হ্যাঁ, আর স্বাদটা একবার খেলে মনে থাকবে! 😍
মাছের ঝোল বা ভাজা তো প্রায়ই হয়, কিন্তু মাছ দিয়ে এমন নরম, মশলাদার কোফতা বানিয়ে দেখেছেন কখনও?
আজ কাতলা মাছ দিয়ে বানালাম Fish Kofta Curry—যেখানে মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে তৈরি করা কোফতাগুলো প্রথমে হালকা করে ভেজে নিয়ে পরে দেওয়া হয়েছে সুন্দর মশলাদার গ্রেভিতে।
এই রান্নার সবচেয়ে ভালো দিকটা কী জানেন?
বাড়িতে থাকা এমন মাছের টুকরোগুলোও খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়, যেগুলো দিয়ে সেদিন আর সাধারণ মাছের ঝোল করতে ইচ্ছে করছে না।
আর শেষের সামান্য ঘিটা কিন্তু একেবারেই বাদ দেবেন না—পুরো রান্নাটার গন্ধ আর স্বাদটাই বদলে দেয়! ❤️
চলুন, দেখে নিন আমার ঘরোয়া স্টাইলে Fish Kofta Curry। 👇
🐟 ফিশ কোফতার জন্য
• কাতলা মাছের টুকরো – ৫টি (৫০০ গ্রাম)
• পেঁয়াজ – ১টি ছোট, মিহি করে কুচি করা
• ধনেপাতা – ১ মুঠো, কুচি করা
• লেবুর রস – ১ চা চামচ
• ডিম – ১টি
• কর্নফ্লাওয়ার – ৩ চা চামচ
• পাউরুটি – ½ স্লাইস
🍲 ফিশ কোফতা কারির জন্য
• সর্ষের তেল – ৪–৫ টেবিল চামচ
• জিরে – ½ চা চামচ
• দারুচিনি – ১ ইঞ্চি
• সবুজ এলাচ – ৩টি
• লবঙ্গ – ৩টি
• পেঁয়াজ – ২টি বড়, মিহি করে কুচি করা
মশলার পেস্ট:
• পেঁয়াজ – ১টি বড়
• আদা – ১½ ইঞ্চি
• রসুন – ৭–৮ কোয়া
• কাঁচালঙ্কা – ৭–৮টি
• টমেটো – ১টি মাঝারি
• হলুদ গুঁড়ো – ½ চা চামচ
• কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো – ১ টেবিল চামচ
• ধনে গুঁড়ো – ½ চা চামচ
• জিরে গুঁড়ো – ½ চা চামচ
• নুন – স্বাদমতো
• গোলমরিচের গুঁড়ো – ½ চা চামচ
• টক দই – ৩ টেবিল চামচ
• গরম মশলার গুঁড়ো – ১–২ চিমটি (ভাজা দারুচিনি, সবুজ এলাচ ও লবঙ্গের গুঁড়ো)
• ধনেপাতা – ১ মুঠো, কুচি করা
• ঘি – ১ টেবিল চামচ
👩🏻‍🍳 প্রণালী
১. মাছ প্রস্তুত করা
মাছের টুকরোগুলো নুন ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে নিন। প্যানে তেল গরম করে মাছের টুকরোগুলো দুই পিঠে ৩–৪ মিনিট করে হালকা ভেজে নিন। ঠান্ডা হলে সমস্ত কাঁটা ও চামড়া ছাড়িয়ে নিন।
২. ফিশ বল তৈরি করা
কাঁটা ছাড়ানো মাছের সঙ্গে কুচি করা পেঁয়াজ, ধনেপাতা, ডিম, কর্নফ্লাওয়ার এবং আধ স্লাইস পাউরুটি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে একটি মাঝারি শক্ত মণ্ড তৈরি করুন।
কর্নফ্লাওয়ার বেশি দেবেন না, এতে কোফতা শক্ত হয়ে যেতে পারে। পাউরুটি কোফতার টেক্সচার ব্যালান্স করতে সাহায্য করে।
এবার ছোট ছোট বল তৈরি করুন। সামান্য লেবুর রস ছড়িয়ে দিয়ে ১৫–২০ মিনিট ফ্রিজে রাখুন। এতে ভাজার সময় কোফতা ভেঙে যাবে না।
৩. ফিশ বল ভাজা
চওড়া প্যানে সর্ষের তেল গরম করে মাঝারি আঁচে ফিশ বলগুলো সোনালি বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। আঁচ কম রাখবেন, যাতে কোফতা ভেঙে না যায় এবং সমানভাবে ভাজা হয়।
৪. কারি তৈরি করা
একই প্যানে প্রয়োজনমতো আরও একটু তেল দিন। তেল গরম হলে জিরে, দারুচিনি, এলাচ ও লবঙ্গ দিয়ে ফোড়ন দিন।
কুচি করা পেঁয়াজ দিয়ে সোনালি বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
এবার মশলার পেস্ট দিয়ে কম আঁচে ভালো করে কষিয়ে নিন, যতক্ষণ না কাঁচা গন্ধ চলে যায়।
এরপর নুন, হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গোলমরিচের গুঁড়ো এবং টক দই দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তেল ছেড়ে আসা পর্যন্ত মশলা কষিয়ে নিন।
৫. কোফতা দিয়ে রান্না শেষ করা
মশলায় পরিমাণমতো জল দিন, যাতে ফিশ বলগুলো আংশিকভাবে ঝোলে ডুবে থাকে। ঝোল ফুটে উঠলে সাবধানে ফিশ বলগুলো দিয়ে দিন।
আঁচ কমিয়ে ঢেকে ২–৩ মিনিট রান্না করুন।
এরপর গরম মশলার গুঁড়ো ও কুচি করা ধনেপাতা ছড়িয়ে আবার ঢেকে আরও ২–৪ মিনিট রান্না করে গ্যাস বন্ধ করে দিন।
৬. পরিবেশন
পরিবেশনের সময় উপর থেকে সামান্য ঘি ছড়িয়ে দিন।
গরম সাদা ভাত, পোলাও, রুটি বা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন। ❤️

✨ একই মাছ, কিন্তু রান্নার ধরনটা একটু আলাদা—আর তাতেই তৈরি হয়ে গেল এমন একটা পদ, যা পাতে পড়লে সবাই দ্বিতীয়বার চাইবে! 😋

Tanima Mondal

জাপানে ম্যারেজ ডে পালন




আমি যতদূর  জানি, জাপানে সাধারণতঃ তিনভাবে ম্যারেজ ডে পালন ক রে বাংলাদেশিরা ।
১ নম্ব রে আছে, নিজে র পরিচিত ঘনিষ্ঠ জ নদের  বাড়িতে দাওয়াত করা। 
এ খন জনপ্রিয় হ লো রেস্টুরেন্ট ভাড়া ক রে আয়োজন ক রে অনেক ব ড় ক রে পাল ন করা। আয়োজকের কোন ঝামেলা থাকেনা । যাকে দাওয়াত করা হয়েছে সে  নিজের পয়সা দিয়ে খেয়ে আবার গিফট দিয়ে আসে। 
আগে , নিজে র পরিচিত ঘনিষ্ঠ জ নদের  বাড়িতে দাওয়াত করে ম্যারেজ ডে পালন  করতাম কিন্তু দেখা যায় অতিথি আপ্যায়নে দিন টা চ লে যায় , দুজনের দিন টা আর থাকে না। 
তাই  আমরা নিজেদের ম ত করে  পরিবারের  সাথে ম্যারেজ ডে পাল ন ক রি, যা আমাদের খুব ই  আ প ন একটা দিন হ য়। এইবার আমাদের  ম্যারেজ ডে ছিল এক টু স্পেশাল। স ব সময় আমরা খাইতেন সুশি খায় ।  এইবার  তাই আম রা পরিবার মিলে আস ল সুশি খেলাম । স বাই কে ব ল বো এক বার হ লে ও আসল সুশি খাওয়ার জন্য।  খেয়েই বুঝতে পারা যায় স্বাদের ডিফারেন্ট । খাঁইতেন সুশি ও খেতে মজা । কিন্তু  আসল সুশি খেলে ম নে হ য় বার বার খাই। ধ ন্য বাদ জানায় আমার স্বামীকে , এ ত সুন্দর একটা সা র প্রাইজ দেওয়ার জন্য । এই পথ চলা চলুক অনন্ত কাল  ........................।।


























 

ডিম দিয়ে লাউ ডাল রান্না

 

লাউ, মসুর ডাল আর ডিমের দারুণ সংমিশ্রণে তৈরি এই রান্নাটি খুবই সহজ, ঘরোয়া এবং ভাতের সঙ্গে খেতে অসাধারণ। অল্প কিছু সাধারণ উপকরণেই তৈরি করা যায় মজাদার এই পদটি।
উপকরণ
লাউ — ½টি
মসুরের ডাল — ½ কাপ
ডিম — ২টি
পেঁয়াজ — ১টি বড় + বাগারের জন্য বেশি করে
কাঁচা মরিচ — পরিমাণমতো
আদা-রসুন বাটা — ½ চা চামচ
মরিচের গুঁড়া — ১ চা চামচ
হলুদের গুঁড়া — ½ চা চামচ
ধনিয়ার গুঁড়া — ১ চা চামচ
জিরার গুঁড়া — ½ চা চামচ
আস্ত জিরা — ১ চামচ
শুকনো মরিচ — ৩–৪টি
তেজপাতা — ১–২টি
ধনিয়াপাতা — সামান্য
লবণ — পরিমাণমতো
তেল — পরিমাণমতো
পানি — প্রয়োজনমতো
ধাপ ১: লাউ ও ডাল রান্না
প্রথমে ½টি লাউয়ের খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
এরপর একটি কড়াইতে কাটা লাউ, পরিষ্কার করে ধুয়ে নেওয়া ½ কাপ মসুরের ডাল, পরিমাণমতো কাঁচা মরিচ, ১টি বড় সাইজের পেঁয়াজ কুচি, ½ চা চামচ আদা-রসুন বাটা, ১ চা চামচ মরিচের গুঁড়া, ½ চা চামচ হলুদের গুঁড়া, ১ চা চামচ ধনিয়ার গুঁড়া, ½ চা চামচ জিরার গুঁড়া, পরিমাণমতো লবণ এবং অল্প একটু তেল দিয়ে সবকিছু হাত দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন।
এরপর অল্প পানি দিয়ে কড়াইটি ঢেকে লাউ ও ডাল ভালোভাবে কষিয়ে নিন। লাউ ও ডাল কিছুটা নরম হয়ে এলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে আবার ঢেকে সিদ্ধ হতে দিন।
ধাপ ২: ডিম ভেজে নেওয়া
এদিকে একটি বাটিতে ২টি ডিম, পরিমাণমতো কাঁচা মরিচ এবং অল্প পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
একটি প্যানে তেল গরম করে ডিমের মিশ্রণটি দিয়ে ভালোভাবে ভেজে নিন। এরপর ভাজা ডিমটি ছোট ছোট টুকরো করে কেটে রাখুন।
ধাপ ৩: ডিম ও লাউ-ডাল মেশানো
লাউ ও ডাল ভালোভাবে সিদ্ধ হয়ে এলে ভাজা ডিমের টুকরোগুলো দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিন।
এরপর আরও ৩–৪ মিনিট রান্না করে চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন।
ধাপ ৪: বাগার তৈরি
এবার অন্য একটি প্যানে ১ চামচ আস্ত জিরা, ৩–৪টি শুকনো মরিচ, ১–২টি তেজপাতা এবং বেশি করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালোভাবে ভেজে নিন।
পেঁয়াজ সুন্দরভাবে ভাজা হয়ে এলে এই বাগারটি রান্না করা লাউ, ডাল ও ডিমের মধ্যে দিয়ে দিন।
সবকিছু ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে সামান্য ধনিয়াপাতা দিয়ে আবারও মিশিয়ে নিন। সবশেষে লবণ ঠিক আছে কি না দেখে প্রয়োজন হলে ঠিক করে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

ব্যস, তৈরি হয়ে গেল দারুণ স্বাদের ডিম দিয়ে লাউ ডাল রান্না। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলে এই সহজ ঘরোয়া রান্নাটির স্বাদ হবে অসাধারণ।