Wednesday, September 23, 2026

মূল্যায়ন

 

আমার বাবা কখন যে আমার বান্ধবীর প্রেমে নিজেকে উজাড় করে দিল বুঝতেই পারিনি!! আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে মায়ের কথা ভাবলে!! আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারি না।
আমার বাবা বেশ প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। রাত্রি আমার প্রিয় বান্ধবী। বিশ্ববিদ্যালয়ের একদম প্রথম থেকেই আমাদের ভাব হয়ে যায়। ও মফস্বল থেকে এসেছে। ও খুব সুন্দর গান গাইতে পারে।
আমার জন্মদিনের পার্টিতে গান গেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেয়। কিন্তু আমাদের পরিবারের প্রাচুর্য আর চাকচিক্য যে ওর মনে দাগ কেটেছিল তা বুঝতে পারেনি। প্রথমদিকে ও হলে সিট পায়নি তখন ছাত্রী হোস্টেলে ওঠে। ওর খাওয়া-দাওয়ার অসুবিধা দেখে আমার মায়া হয় তাই মাসে অন্তত চার পাঁচ দিন আমাদের বাসায় থাকতে শুরু করে। আমার মা একটা এনজিও প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার।
আমরা রাতে একসাথে খাওয়া দাওয়া করতাম। বাবা ঘুমানোর আগে ওর গান শুনত আর খুব প্রশংসা করত।
একদিন মা আর আমি বাসায় ছিলাম না। ফিরে দেখি ও আমাদের বাসায়!!
~ কিরে তুই কখন এলি
~ এই তো কিছুক্ষণ আগে, তোকে সারপ্রাইজ দিবো বলে বলিনি
কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে লক্ষ্য করি সেই সময় বাবাও বাসায়। বাবা আগ বাড়িয়ে বলে,
~ তোকে না পেয়ে ও তো চলেই যাচ্ছিল, আমি বললাম থাকতে
যদিও তখন একটুর জন্য সন্দেহ করিনি। আমার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী হিসেবে বাসার দারোয়ানরা ওকে যখন তখন ঢুকতে দিত। এভাবে দিনের পর দিন সময় অসময়ে ও আসতে থাকে।
একদিন আমি মায়ের সাথে বড় খালামণির বাসায় যাই। সেদিন আমাদের দেরি করে বাসায় ফেরার কথা।
মা দোতলার সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকেন। এরপর মায়ের বেডরুমে আমার সেই তথাকথিত প্রিয় বান্ধবী রাত্রি আর বাবা। মা জোরে চিৎকার দিয়ে জ্ঞান হারান। আমি দৌড়ে যেতে যেতে ততক্ষনে দুজনেই নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে কোনমতে।
এরপর থেকে আমার মা যে মনমরা হয়ে গেল সেটা থেকে আর বেরোতে পারল না। আমার বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামীর সাথে সিঙ্গাপুরে সেটেল। অপমান ঘৃণায় আমার মা তিলে তিলে ক্ষয়ে যেতে থাকে।
ঐদিন ওই ডাইনিটাকে আমি একটা চড় মারতে যাই তখনই বাবা আমার হাতটা ধরে বলে,
~ ভুলেও এই দুঃসাহস করবে না। তুমি জানো ও আমার কি!!!
আমি অপমানে আর ঘৃণায় স্তব্ধ হয়ে যাই। আমার ফুপি খালারা বাবাকে অনেক বুঝায় কিন্তু কোন লাভ হয়নি। বড় আপু বাবাকে ফোন দিয়ে এই পথ থেকে ফিরে আসতে বলে।
বাবা শুধু প্রতিউত্তরে বলে,
~ দেখো জীবনে শুধু কষ্টই করেছি। এখন একটু সুখ পেতে চাই। তোমাদের টাকাপয়সা আর কোন কিছুতেই তো অধিকারহীন করছি না। আর তোমার মাকেও ডিভোর্স দিব না যদি মেনে নেয়।
আমাদের সামনেই বাবা এসব ফোনে বলে। আমার ক্রোধে দুচোখ লাল হয়ে যায়। ইচ্ছে করতে থাকে দুজনকেই শেষ করে দিতে। মাকে বলি,
~ মা আমি ঠিক করে ফেলেছি এই দুইটাকে শেষ করে দিব নিজের হাতে।
আমার বাবা ৫৬ বছর বয়সে আমার ২১ বছর বয়সি বান্ধবীকে বিয়ে করে আর মাকে ডিভোর্স দেয়। আমি এখন মায়ের ফ্ল্যাটে থাকি। বাবা রাত্রিকে নিয়ে দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ায়, বড় ব্যবসায়ীদের সাথে আর বন্ধুদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।
একদিন বাসার দারোয়ানের কাছে জিজ্ঞেস করে জানতে পারি বাবা মদ খাওয়া শুরু করেছে আর রাত্রি নাকি নিজ হাতে ঢেলে দেয়। বাসায় অসংখ্য অতিথিদের যাতায়াত। সবাই রাত্রির গান শুনতে আসে। নাকি অন্য কিছু এটাতে সন্দেহের অবকাশ থাকে না!!
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু-বান্ধবী সবাই রাত্রিকে কটু কথা শোনায়। কিন্তু আমার প্রিয় গাড়িটিতে করে ক্যাম্পাসে রানীর বেশে আসে আর এসব ওর গায়েই লাগায় না। এরই মধ্যে এক বন্ধু বলে,
~ লিমা এইটাকে আমি একটা রেস্তোরায় দেখেছি ৫০ বছরের এক লোকের সাথে। তোর বাবা বোধ হয় জানেনা।
আমি ঠিক করি রাত্রি কি করছে, কেমন চলছে সেটা একটু খতিয়ে দেখব। এভাবে প্রায় দেড় মাস নিয়মিত পিছু নেয়ার পর সত্যটা সামনে আসে।
৫০ বছরের যে ভদ্রলোক তিনি আমার বাবার সাথে ব্যবসায়িক সূত্রে পরিচিত। সেভাবেই হয়তো রাত্রির সাথে কোন পার্টিতে পরিচয়। সেই লোকের বিদেশেও বিজনেস আছে। আমার বাবার চেয়ে তার অবস্থা আরো ভালো। অর্থাৎ রাত্রির এখন আমার বাবার স্ট্যাটাস জাহাঙ্গীর আংকেলের তুলনায় কম মনে হচ্ছে তাই ওনাকে ধরা!!
বন্ধুরা আমাকে অনেক ভাবে সাহায্য না করলে এসব বের করা সম্ভব হতো না!! এরপর আসে সেই কাঙ্খিত দিন।
আমার বন্ধু সাজ্জাদ রাত্রির পিছু নিয়ে একটা রিসোর্টে গিয়ে জাহাঙ্গির আঙ্কেলের সাথে রাত্রির অবস্থান নিশ্চিত করে। রিসোর্টটা ঢাকা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে। ও বলে আমি যেন বাবাকে নিয়ে দ্রুতই ওই স্থানে উপস্থিত হই। কিন্তু বাবা কি রাজি হবে?
~ হ্যালো বাবা তুমি কি আমার সাথে একটা রিসোর্টে যেতে পারবে?
~ কেন?
~ না মানে আমার এক বন্ধুকে কারা যেন আটকে রেখে ওখানে মারছে। ও অনেক কষ্টে ফোন দিয়ে আমার জরুরী সাহায্য চেয়েছে। বাবা প্লিজ আসো আমি তো এতদিন তোমার কাছে কিছু চাইনি!!
আমার বাবা এতদিন পর আমার ফোন পেয়ে বিশ মিনিটের মধ্যে চলে আসে। একসাথে সেই রিসোর্টে যাই। ওদের রুম আর অবস্থান বন্ধুরা আগেই মার্ক করে রেখেছে। তখন বিকাল পাঁচটা বাজে। ১১ নম্বর রুমে আমি আর বন্ধুরা নক করি। বাবাও পাশে। আর সৌভাগ্যক্রমে দরজা খুলে দেয় রাত্রি।
~ রাত্রি তুমি এখানে??
তখন ওর কি যে একটা চেহারা হয়!! আমার প্রচন্ড শান্তি লাগছিল অনেকদিন পর। এই দুই বছরে যত জ্বালা আর মায়ের চাপা আর্তনাদের যেন বিচার আমি পেয়েছি!!!
দরজা চাপিয়ে দিতে চায় রাত্রি। বাবাসহ আমরা জোর করে ঢুকি। জাহাঙ্গীর আঙ্কেল তখন ওয়াশরুমে ছিলেন। বের হয়ে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান।
~ জাহাঙ্গীর তুমি আমার স্ত্রীর সাথে? তোমার স্ত্রী সন্তান আছে না???
~ ৫৮ বছর বয়সে তুমি কচি মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করবে, স্ত্রী সন্তান ছাড়বে আর আমি পারব না??
জাহাঙ্গীর আঙ্কেল তো ঠিকই বলেছে, কি উত্তর দিবে আমার বাবা?? উত্তর দিতে না পেরে মারামারি শুরু করে।
আমার বন্ধুরা রাত্রি আর জাহাঙ্গীর আঙ্কেলের ভিডিও ধারণ করে আর জাহাঙ্গীর আঙ্কেলের স্ত্রীর নম্বর নিয়ে পাঠিয়ে দেয়। রাত্রিকেও উত্তম মধ্যম দিতে ছাড়ে না।
দুজনকে রেখে আমরা চলে আসি। বাবা নিরব। হঠাৎ গাড়িতে কাঁদতে শুরু করে।
~ আমাকে মাফ করে দিবি? তোর মাকে আর তোদেরকে অনেক কষ্ট দিয়েছি।
~ বাবা এই দুই বছরে আমাদের কষ্ট দেখনি, আজ দেখলে? আর তোমার এত কষ্টবোধের কি আছে? এক রাত্রি গেছে, এরকম আরো হাজার রাত্রি চাইলেই পাবে!! তোমার এই তুমি যখন কিছুই ছিলে না তখন আমার মা ছিল তোমার পাশে, কতটুকু মূল্যায়ন করেছ তাকে???
বাবা বুঝতে পারে আমাদের হৃদয়ে তার আর জায়গা হবে না। একবার যদি ভেবে দেখতো একটা ২১ বছরের মেয়ে কেন ৫৫ বছর বয়সী একটা লোকের জন্য মরিয়া হবে??? কেন মেয়ের বয়সী আর মেয়ের বান্ধবী হয়েও একটা সুন্দর পরিবার ধ্বংস করবে।
বাবার চোখে আকাঙ্খার চশমাটা খান খান হয়ে ভেঙে গেছে আজ। এজন্য উপলব্ধি হয়েছে কিন্তু এখন তার এই উপলব্ধি আমাদের কোন কাজে আসবে না। আমার মাকে যে মূল্যায়ন করে নি সে আমাদের বাবা হতে পারে না।

ইশরাত জাহান এনি

Tuesday, September 22, 2026

সুকুবা মসজিদে ছিল কুরআন প্রতিযোগিতা


 

 সুকুবা মসজিদে ,এই  র বি বারে ,  হ ইয়ে গেল শিশু দের   কুরআন প্রতিযোগিতা । সারা বিশ্বের বাচ্চাদের সাথে আমাদের দেশের বাচ্চারা ও প্রতিযোগিতায় ছিল। ডক্ট র মুনির  ভাই এর মেয়ে ও ছিল এই  প্রতিযোগিতায়।
উনি আমাদের সবাইকে দাওয়াত দিয়েছিলেন । লাঞ্চ এ দিলেন, চিকেন বিরিয়ানি। এই বিরিয়ানির  উপ রে দেওয়া হ য়েছিল গ্রিন অনিয়ন , এতে বিরিয়ানি টা দেখতে  বেশ লাগছিল আবার খেতে ও ভাল লাগছিল।
এই আইডিয়া টা আমি এপ্লাই  কর বো ভাবছি।
আমাদের দেশে যেম ন কুরআন  খত ম ক রার প র সুই ট কিছু  বিলানো হ য় , তেম নি আরবীয়রা পায়েস রান্না ক রে এনেছিল, মিশরীয়রা এ নেছিল  আপেল পাই আর ম নে হয় আফগানিরা দিল কেক। 
আমার পাশে  ব সে ছিল দুই জন নাই জে রিয়ান। তাদের সা থে অনেক ক থা হল। তাদের দেশে এত ভাষা যে তারা নি জে দের ভি ত র ইংরেজিতে ক থা বলে। 
এক জন মহি লা এসে আমাকে ব ল লেন , আমি পাকিস্তানী কিনা। আমি ও তাকে পাকিস্তানী ম নে করে ছিলাম, ব ল লাম । আস লে সে ছিল  আফ গা নি ।
একজন দেশি ভাবি এসে জানালো প্রতি শু ক্র বার আমাদের সুকুবা ম সজিদে আমাদের  ক মিউনিটি  এক সাথে হ য়ে খাওয়া দাওয়া করে , খুতবা পাঠ হ য় , বাচ্চারা খেলাধুলা ক রে , সামাজিকতা হয় । আমাকে দা ওয়াত দিলেন। 
ফিরে আসার পথে এ ম ন বৃষ্টি শুরু  হ লো , ম নে হ চ্ছিল যে ,  প্ৃথিবীর স ব  ময় লা জঞ্জাল ধুয়ে 
নেওয়ার সংকল্প নিয়ে সে মাঠে নেমেছে।




Zakuchiki Snack

 


Ingredients (Serves 2)

Chicken tenderloins (cut into bite-sized pieces): 4


[A] Milk: 50 ml


[A] Soy sauce: 1/2 tbsp


[A] Grated garlic: 1 tsp


[A] Salt: 1/3 tsp


[A] Pepper: To taste


Cake flour: 30 g


Vegetable oil: 4 tbsp


Instructions:

 ① Place the chicken tenderloins and [A] in a bowl, massage the mixture into the meat, and let it sit for 10 minutes.



② Add the cake flour to the bowl and mix well.



③ Heat the vegetable oil in a frying pan over medium heat. Lightly coat the chicken from step ② with additional cake flour (an appropriate amount, not included in the listed ingredients) and fry until crispy. It's ready to serve!




Gourmet Toast

 


Ingredients (Serves 1)

Salad spinach: 50g


Wiener sausages: 2


Cherry tomatoes: 3


Olive oil: 1 tsp


Salt: 1/3 tsp


Black pepper: To taste


[A] Egg: 1


[A] Milk: 2 tbsp


[A] Powdered cheese (Parmesan): 2 tsp


[A] Salt: 1/3 tsp


[A] Black pepper: To taste


Sliced ​​bread (thick-cut, e.g., 4- or 5-slice loaf, recommended): 1 slice


Pizza cheese (shredded): 20g


Directions


① Cut the salad spinach into 3cm lengths. Slice the sausages into 5mm rounds and the cherry tomatoes into thirds.



② Heat the olive oil in a frying pan over medium heat and sauté the sausages. Add the spinach, sauté together, and season with salt and black pepper.



③ Combine ingredients [A] in a bowl and mix well.



④ Place the bread on a baking sheet lined with aluminum foil and make a cut just inside the crust. Press down on the center with a spoon to create a hollow, being careful not to tear the bottom.



⑤ Fill the hollow in the bread with the mixture from step ② and pour in the egg mixture from step ③. Arrange the cherry tomatoes on top and sprinkle with the pizza cheese. Toast in an oven toaster until the egg mixture is cooked through and the cheese is browned—it's ready!




করমের আচার

 

রাঢ় বাংলার মানভূম থেকে ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, অসম, বাংলাদেশ — বিভিন্ন অঞ্চলে আজ করমের আচার পালিত হচ্ছে। কোথাও রূপ বদলেছে, কোথাও গান বদলেছে, কোথাও কাহিনি বদলেছে। কিন্তু করমের কেন্দ্রে অপরিবর্তিত থেকে গেছে কয়েকটা জিনিস: বৃক্ষ, বীজ, অঙ্কুর, মাটি, জল, গান, আর মানুষের ভবিষ্যৎ।
দশ বছর ধরে করম দেখছি। যত দেখেছি, ততই মনে হয়েছে করম পরবকে "ফসলের উৎসব" বললে তার গভীরতাটা ধরা পড়ে না।
এই উপলব্ধিটা প্রথম হয়েছিল 'পান্তা ভাতে পান্না' দেখতে দেখতে।
একটা ছোট ঘরের মাটির মেঝে। দেওয়ালে আলপনা দেওয়া হয়েছে। সামনে ধানের চারা। তার সামনে বসে কয়েকজন ব্রতপালনকারী। সামনে পান্তা ভাত, শাক। নুন নেই। তারা ধানের চারাটার সামনে বসে খাচ্ছেন। খাওয়া শেষ হলে চারাটাকে আবার জমিতে ফিরিয়ে রেখে আসা হল।
ছবিটা যখন তুলেছিলাম, এত কথা হয়তো মাথায় ছিল না। আজ ফিরে তাকালে দৃশ্যটা অন্যরকম লাগে।
আমি কৃষক পরিবারের সন্তান। তাই ধানের চারার সামনে বসে মানুষকে পান্তা ভাত খেতে দেখার মধ্যে একটা অদ্ভুত আবেগ কাজ করে। মানুষ যেন খাদ্যের উৎসের সামনে বসে খাদ্য গ্রহণ করছে। যে গাছ তাকে অন্ন দেবে, তার সামনে বসেই সে নিজের অন্ন খাচ্ছে। তারপর সেই চারাটাকেই আবার মাটিতে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
এ যেন কৃষির কাছে একটা নীরব ঋণস্বীকার।
করমের আগে কয়েকদিন ধরে জাওয়া তৈরি হয়। অঞ্চলভেদে বীজের সংখ্যা বদলায় — কোথাও পাঁচ রকম, কোথাও সাত বা নয় রকম বীজ। বাঁশের পাত্রে বালির সঙ্গে বীজ বোনা হয়, হলুদ-জল আর তেল দেওয়া হয়, তারপর কয়েকদিন ধরে অঙ্কুরের যত্ন নেওয়া হয়।
আমরা সাধারণত ritual আর কৃষিকে আলাদা করে দেখি — একদিকে কৃষি, বাস্তব কাজ; অন্যদিকে পূজা, বিশ্বাসের বিষয়। কিন্তু জাওয়ার মধ্যে এই দুটোকে আলাদা করা কঠিন। বীজ বাছাই হচ্ছে। মাটিতে রাখা হচ্ছে। জল দেওয়া হচ্ছে। অপেক্ষা করা হচ্ছে। অঙ্কুর দেখা হচ্ছে। তারপর সেই অঙ্কুরকে ঘিরে গান হচ্ছে।
বীজের ভিতরে জীবন আছে এই সাধারণ অথচ বিস্ময়কর সত্যটা কৃষক প্রতিমুহূর্তে জানেন। 'আচরণীয় কৃত্য' সেই জ্ঞানকে শুধু ব্যবহারিক রাখে না, তাকে অর্থ দেয়। বীজকে অঙ্কুরিত করা তখন হয়ে ওঠে ভবিষ্যৎকে চোখের সামনে আনা। আজ যে বীজ, কয়েকদিন পরে সে সবুজ। আজ যে সবুজ, কাল সে ফসল। ফসল থেকে অন্ন। অন্ন থেকে শরীর। শরীর থেকে সন্তান। সন্তান থেকে সমাজ।
জাওয়া-উৎসবকে অবিবাহিত তরুণীদের ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হয়েছে। সেখানে গান ও শরীরী অনুশীলনের মাধ্যমে প্রজন্মান্তরে মাতৃত্বের জ্ঞান সঞ্চারের কথাও বলা হয়েছে।
অর্থাৎ অঙ্কুর এখানে শুধু ফসলের প্রতিরূপ নয়। উদ্ভিদের জন্ম এবং মানুষের জন্ম একই প্রতীকী ভাষায় কথা বলতে শুরু করে।
বীজ অঙ্কুরিত হচ্ছে।
মেয়ে ভবিষ্যতে মা হবে।
জমি ফসল ধারণ করবে।
ঘর সন্তান ধারণ করবে।
প্রকৃতি উৎপাদন করবে।
মানুষও উৎপাদন করবে।
এই কারণেই করমকে শুধু “fertility festival” বলা যেমন অসম্পূর্ণ, তেমনই শুধু “agricultural festival” বলাও অসম্পূর্ণ।
এটা উর্বরতার সংক্রান্ত বিশ্বাস ও আচারের বহুস্তরীয় কল্পনা।
তাই করমের জাওয়া শুধু চারা নয়। সে ভবিষ্যতের একটা ছোট্ট দৃশ্য।
করম নিয়ে প্রচলিত একটা লোককাহিনি আছে।
আঁটকুড়া এক রাজা। সন্তানহীন। খাদ্যের সন্ধানে বেরিয়ে প্রখর রোদে করমের একটা ডাল ভাঙলেন। সেই ডালে ছিল ভ্রমর ও ভ্রমরি। তারা মগ্ন ছিল সৃষ্টি-রহস্যে। ডাল ভাঙায় মিলনে বাধা পড়ল। রুষ্ট হয়ে তারা অভিশাপ দিল — তোর কখনও সন্তান হবে না। পরে তারাই উপায় বলে দিয় — ভাঙা ডাল ঘরে নিয়ে গিয়ে ভক্তি সহকারে পূজা করো। রাজা করম পূজা উদযাপন করে সন্তান লাভ করলেন। জন্ম নিল করমু আর ধরমু।
এখানে লক্ষ্য করার মতো বিষয় হল—করমের সৃষ্টি-কাহিনির ভিতরেই যৌনতা ও প্রজনন উপস্থিত। ভ্রমর-ভ্রমরির মৈথুন এখানে অশ্লীল বা হাস্যরসাত্মক দৃশ্য নয়। এখানে সেই দৃশ্য “সৃষ্টি রহস্য”-এর প্রতীক। একদিকে ভ্রমর-ভ্রমরি নিজেদের সন্তান সৃষ্টির কাজে ব্যস্ত। অন্যদিকে রাজা সন্তানহীন। আর করমের ডাল ভেঙে যাওয়ার পর সেই করমই হয়ে উঠছে সন্তানলাভের মাধ্যম। প্রকৃতির reproductive cycle এবং মানুষের reproductive desire একই কাহিনির মধ্যে এসে গেছে।
"করম ডাল কাইটতে গেলি করম ছলমল রাজার বেটা বাহিরাঁঞছে টাঙ্গি ঝলমল…"
করমু আর ধরমু বড় হয়। একদিন করমের আচার পালনের সময় করমু ভুল করে। বাসি ভাতের বদলে গরম ভাতে পান্না করে। করমের গায়ে ফোস্কা পড়ে। তারপর থেকে করমুর ভাগ্য খারাপ হতে থাকে। রাগ করে সে করমের ডাল উপড়ে ফেলে দেয়। তারপর শুরু হয় তার অনুসন্ধান, তার যাত্রা — পথে নানা মানুষের সঙ্গে দেখা,
আর প্রতিটি ঘটনা থেকে সে কিছু শিখে ফিরে আসে। এখানে করম হঠাৎ fertility cult-এর সীমানা ছাড়িয়ে নৈতিকতার কাহিনি হয়ে ওঠে।
করমু ভুল করে।
ভুলের ফল ভোগ করে।
নিজের ভুলের মুখোমুখি হয়।
করমকে ফিরিয়ে আনে।
অর্থাৎ করমের কাঠামোটি হতে পারে: ভুল → বিপর্যয় → উপলব্ধি → যাত্রা → শিক্ষা → পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
করমের কাহিনি তাই একটি moral ecology তৈরি করে। প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করলে যেমন ফল ভোগ করতে হয়, তেমনি সামাজিক ও নৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করলেও তার ভোগান্তি আছে। একটা গাছের পূজা থেকে একটা সমাজ তার শিশুদের এই কথাগুলোই শেখায়।
করমের শেষ দিনের আচার — পান্তা ভাতে পান্না। লেখায় ব্যবহৃত ছবিতে দেখুন: জমি থেকে ধানের চারা তুলে আনা হয়েছে। তার সামনে বসে ব্রতপালনকারী নুন ছাড়া বাসি ভাত খাচ্ছেন। তারপর চারাটাকে আবার জমির নির্দিষ্ট জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
এই দৃশ্যটা দেখলেই আমার নিজের ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যায়। কৃষক যখন চাষাবাদ করেন — তখন মাঠে বসেই খেতে হয়। মাঠ থেকে বাড়িতে ফিরে খাওয়া-দাওয়া করে আবার মাঠে পরিশ্রম করতে যাওয়া সম্ভব হয় না। আমার বাবা-কাকারা যখন মাঠে কাজ করতেন, আমি নিজেও খাবার নিয়ে গেছি। কাজ থামিয়ে মানুষ মাঠেই বসে খাওয়া-দাওয়া করেছেন, তারপর আবার কাজে ফিরেছেন।
এটা নিছক দরকারের কথা — বাস্তব প্রয়োজনের কথা। কিন্তু এই একই জিনিস যখন রিচুয়ালের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, তখন তার একটা আলাদা গুরুত্ব তৈরি হয়ে যায়। মাঠে বসে খাওয়াটা যেখানে ছিল শ্রমের প্রয়োজন, সেখানে ধানের চারার সামনে বসে খাওয়াটা হয়ে ওঠে 'বিশেষ অর্থের' প্রয়োজন। শরীর যেটা রোজ করে বেঁচে থাকার জন্য, করম পরব সেটাকেই নিয়ে যায় স্মরণের জায়গায়।
এই দৃশ্যটা যেন একটা গোটা কৃষিচক্রকে কয়েক মিনিটে অভিনয় করে দেখায় — মাটি থেকে ধান, ধান থেকে অন্ন, অন্ন থেকে মানুষ, মানুষ থেকে পশু ও ঘর, আর ঘর থেকে আবার মাটি। এখানে খাদ্য বাজারের জিনিস নয়। খাদ্যের উৎসকে চোখের সামনে আনা হয়েছে। মানুষ সেই উৎসের সামনে বসে খাচ্ছে, তারপর তাকে আবার তার জায়গায় ফিরিয়ে দিচ্ছে। যেন বলা হচ্ছে — তুমি আমাকে খাওয়াও, আমি তোমাকে ফিরিয়ে দিচ্ছি।
পান্তা হল আগের দিনের রান্না করা ভাতের জলভেজা রূপ। মাঠে যাওয়া কৃষকের চেনা খাদ্য। শ্রমজীবী জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সহজ খাবার। যে অন্ন যোগাচ্ছে, তার সামনে বসেই সেই খাদ্য গ্রহণ করা। অন্ন আকাশ থেকে আসে না — তার একটা বীজ আছে, মাটি আছে, জল আছে, কৃষক আছে, শ্রম আছে। তারপর তার শরীর আমাদের শরীর হয়।
করম পরব যখন বারবার দেখেছি মনে হয়েছে করমের জওয়া কি seed-bed বা nursery-র কৃষিজ্ঞানকে ritual-এর মধ্যে ধরে রেখেছে? কারণ কৃষির ইতিহাসে একটি বড় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন হল—বীজ সরাসরি মূল জমিতে না ফেলে আগে একটি ছোট জায়গায় বীজ অঙ্কুরিত করা, চারা তৈরি করা, তারপর সেই চারা মূল জমিতে বসানো। ধানচাষে এই nursery থেকে transplanting পদ্ধতি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু আরও দেখতে দেখতে মনে হয়েছে প্রশ্নটা আরও বড় হওয়া দরকার: করম কি কৃষিকাজকে শুধু প্রযুক্তি হিসেবে নয়, একটি নৈতিক সম্পর্ক হিসেবে দেখতে শেখায়?
ক্যামেরা হাতে এই দৃশ্যের পাশে দাঁড়িয়ে মনে একটা বীজমন্ত্র তৈরি হয়েছিল স্বতঃস্ফূর্তভাবে — হে বৃক্ষ, হে প্রথম অঙ্কুর, তুমি আছ তাই ক্ষুধার নিবৃত্তি হচ্ছে। তোমার ক্ষমতা আমাদের ভিতর প্রবাহিত হোক।
আমরা সাধারণত ভাবি, মানুষ গাছের পূজা করে তার কাছ থেকে কিছু পাওয়ার জন্য যথা ফসল, সন্তান, সুখ, সমৃদ্ধি। কিন্তু উলটো দিক থেকেও দেখা যায়। মানুষ এখানে প্রথমে গ্রহণকারী। তারপর সে স্বীকার করে — যা গ্রহণ করছে, তার একটা উৎস আছে।
একটা লোকবিশ্বাস আছে — হড় সমাজের সৃষ্টি-রহস্য করম বৃক্ষের সঙ্গে জড়িয়ে। প্রথমে করম বৃক্ষের সৃষ্টি, তারপর তার শিকড়ে হড়ের (মানুষের) জন্ম। বৃক্ষের শিকড়ে যদি মানুষের জন্ম হয়, তাহলে বৃক্ষ আর বাইরের প্রকৃতি থাকে না — সে পূর্বপুরুষ, সে জন্মের স্মৃতি, সে সমাজের শিকড়। আর জাওয়া সেই বিশাল বৃক্ষের ছোট্ট, অস্থায়ী সংস্করণ।
আজ করমকে দেখলে মনে হয়, কৃষি মানুষকে কী শিখিয়েছিল? অপেক্ষা করতে শিখিয়েছিল। বীজ পুঁতে সঙ্গে সঙ্গে ফসল পাওয়া যায় না। যত্ন করতে শিখিয়েছিল। অনিশ্চয়তা মেনে নিতে শিখিয়েছিল। সব বীজ অঙ্কুরিত হয় না। শ্রমের মর্যাদা শিখিয়েছিল। প্রত্যাবর্তন শিখিয়েছিল। মাটি থেকে যা আসে, শেষে মাটিতেই ফিরে যায়। আর হয়তো ঋণ স্বীকার করতে শিখিয়েছিল, কারণ মানুষ একা বাঁচে না।
গাছ তাকে খাওয়ায়। গাছ তাকে ছায়া দেয়। পশু কৃষিকাজে সাহায্য করে। মাটি তাকে ধারণ করে। জল তাকে বাঁচায়। এই সম্পর্কের ভিতর দাঁড়িয়ে করমতিরা যেন বলে — আমি একা নই। আমার অন্নের ভিতর অন্য জীবনের শ্রম আছে। আমার শরীরের ভিতর মাটির খাদ্য আছে। আমার সন্তানের ভিতর ভবিষ্যৎ আছে।

আর হয়তো সেই জন্যই করমের শেষ দিনে ধানের চারার সামনে বসে মানুষ পান্তা ভাত খায়, তারপর চারাটাকে আবার জমিতে ফিরিয়ে দেয় — ঠিক যেমন মাঠের কৃষক মাঠেই বসে খেয়ে আবার মাঠে ফেরেন। শুধু এখানে শ্রম নয়, স্মরণ ও কৃতজ্ঞতা কাজ করে।

সুব্রত ঘোষ

Shiitake Mushrooms Baked in Foil with Garlic and Cheese

 


Ingredients

Shiitake mushrooms: 4

Garlic: 1 clove

Soy sauce: 1 teaspoon

Grated Parmesan cheese: 1 tablespoon




Instructions

1. Remove the stems from the shiitake mushrooms and place the caps on a sheet of aluminum foil. Finely chop the stems and add them to the foil along with the caps.


Grate the garlic, add it along with the other ingredients, and wrap everything up in the foil.


Toast in a toaster oven at 250°C for 10 minutes.



2. Transfer to a serving dish and it's ready to eat.

No butter or heavy cream needed! Easy pumpkin potage.

 


Ingredients (Serves 2–3)

1/4 pumpkin


1/2 onion


400ml water


1/2 tsp salt


[A] 70ml milk


[A] 1 tsp consommé granules


[A] Pepper (to taste)


Instructions

① Peel the pumpkin and cut it into 2–3 cm cubes. Peel the onion and slice it thinly.


② Place the pumpkin, onion, water, and salt in a pot and heat over medium heat. Once it boils, reduce the heat to low and simmer for about 10 minutes until the pumpkin is tender.


③ Let the mixture cool slightly, then transfer it—including the cooking liquid—to a blender and blend until smooth.


④ Return the mixture to the pot, add ingredients [A], and heat over medium heat. Stir while warming it through, being careful not to let it boil. It’s ready to serve!


Sprinkle with dried parsley before eating, if desired.




Simple dietary shifts have been shown to rapidly reverse the key biological markers of aging.

 


Simple dietary shifts have been shown to rapidly reverse the key biological markers of aging.
The study, from scientists at the University of Sydney, reveals that most individuals can turn back their body's internal clock in as little as four weeks.
Researchers tracked 104 Australians aged 65 to 75, randomly placing them on four different diets with varying balances of fat, protein, and carbohydrates.
To measure their biological age—which reflects how well the body actually functions compared to one's chronological age—the scientists evaluated 20 critical health biomarkers, including cholesterol, insulin levels, and C-reactive protein, a primary indicator of systemic inflammation. Shockingly, three out of the four groups exhibited marked reductions in their biological age scores after only a month on their new meal plans, proving that aging-related markers can respond remarkably fast to dietary intervention.
While all participants consumed the same portion of daily calories from protein, the sources and macronutrient ratios made a substantial difference. The most pronounced improvements occurred in the group eating an omnivorous diet that was lower in fat and higher in carbohydrates, consisting of roughly 53% carbohydrates, 28% to 29% fat, and 14% protein.
Groups that switched to semi-vegetarian diets rich in plant-based proteins also enjoyed a decrease in their biological age. Conversely, those who stuck to a high-fat omnivorous diet—closest to typical Western eating habits—saw no physiological improvement. Though researchers caution that longer trials are required to confirm if these changes translate to a longer lifespan or reduced disease risk, the findings suggest that small, practical adjustments later in life can yield rapid health dividends.

source: Andrews, C. J., Ribeiro, V. R., Gosby, A., Le Couteur, D. G., Raubenheimer, D., Tan, J., Simpson, S. J., & Senior, A. M. (2026). Short-term dietary intervention alters physiological profiles relevant to ageing. Aging Cell

Hashem Al-Ghaili

Monday, September 21, 2026

প্রোটিন স্যালাড

 



👇🏻🥕🌽🥗
এই খাবার টা স্বাস্থ্যকর তো বটেই সাথে সাথে ভীষণ টেস্টিও হয়। রেসিপি টা লিখে দিলাম 👇🏻🌼📌যারা ওজন কমাতে চাইছেন, হাই প্রোটিন লো কার্ব ডায়েট এ আছেন, তাদের জন্য হেল্পফুল হবে। আপনারা নিজেদের portion মেইনটেইন করে খেতে পারেন। আমি এখানে দুজনের মতো বানিয়েছি।
🌼📌এটা বাচ্চাদের টিফিন বক্সেও দিয়ে দিতে পারেন ভীষণ হেলদি।

উপকরণ :

পনির -১০০ গ্রাম (বড়ো করে কেটে নিয়েছি)
ব্রকলি -৪/৫ টা ফুল ছোটো করে কাটা
গাজর -২ টো লম্বা করে কেটে নিয়েছি
হলুদ ক্যাপসিকাম -১/২ (চৌকো করে টুকরো)
লাল ক্যাপসিকাম -১/২(চৌকো করে টুকরো)
করাইশুঁটি-ছোটো এক বাটি।
রোস্টেড চিনে বাদাম-২ টেবিল চামচ
রসুন কুচি-৬/৭ কোয়া
পিঁয়াজ-২ টো মাঝারি সাইজের চৌকো করে কেটে পাঁপড়ি গুলো আলাদা করে নিয়েছি।
কাঁচা লঙ্কা কুচি-১
নুন- স্বাদ অনুযায়ী
গোলমরিচ গুঁড়ো-১/২ চামচ
চিলি ফ্লেক-অল্প
অরিগানো-১ চামচ
বাটার-১ চামচ

প্রণালী:

🌼একটা পাত্রে জল বসিয়ে জল টগবগ করে ফুটে উঠলে ব্রকলি আর গাজর টা দিয়ে ২ মিনিট হাই ফ্লেমে রেখে জল ছেকে তুলে নিয়েছি, অর্থ্যাৎ ব্লাঞ্চ করে নিয়েছি।
🌼ফ্রাই প্যান গরম করে বাটার দিয়েছি। গলে গেলে রসুন কুচি দিয়ে হাল্কা ভেজে পিঁয়াজ, ক্যাপসিকাম দুরকম দিয়ে নাড়াচাড়া করে একে একে করাইশুঁটি ব্লাঞ্চ করা গাজর আর ব্রকলি দিয়েছি। একটু ভাজা হলে চিনে বাদাম টা দিয়েছি, পনির দিয়েছি একই সাথে। হাই ফ্লেম রেখেই সব কিছু টস করে নিয়েছি। নুন, গোলমরিচ গুঁড়ো, চিলি ফ্লেক, অরিগানো, কাঁচা লঙ্কা কুচি সব একে একে দিয়ে ৩/৪ মিনিট মতো রান্না হবে।
🌼নামিয়ে সার্ভ করুন গরম গরম এই স্যালাড। এর সাথে আর কিছু লাগবে না, এটাই একটা কমপ্লিট মিল। লাঞ্চে নিলে সাথে একটু টক দই বা রায়তা নিতে পারেন।খেতে ভীষণ ভালো লাগবে। 👇🏻👇🏻🤤
🌼🌼পনিরের বদলে চিকেন use করতে পারেন।
🌼🌼পনিরের সাথে মাশরুম use করতে পারেন।

🌼🌼এছাড়া বেবি কর্ন, সুইট কর্ন use করতে পারেন। ক্যাপসিকাম শুধু সবুজ টা use করতে পারেন, লাল বা হলুদ না থাকলে।আবার তিনটে থাকলে তিনটেই দিতে পারেন। বিনস দিতে পারেন।


Susmita Dey Das