Tuesday, May 12, 2026

ভাতের মাড় নাকি সবচেয়ে কার্যকর হাইড্রেটিং পানীয়।

 


ভাতের মাড় ফেলায় দিচ্ছেন। গরীবদের খাবার ম নে করছেন । আমি ও মনে করতাম। কিন্তু ভুল স ব ই ভুল।

একসময় যা ছিল শুধুমাত্র বাঙালির রান্নাঘরের এক চিরচেনা ‘বাই-প্রোডাক্ট’, আজ সেটিই হয়ে উঠছে একটি ন্যাচারাল সামার ড্রিংক। ভাত রান্নার সময় যে স্টার্চযুক্ত পানি বের হয়, সেটিই মূলত ভাতের মাড়। এতে থাকে হালকা কার্বোহাইড্রেট, যা শরীরে দ্রুত এনার্জি জোগায়, আবার খুব সহজে হজমও হয়। বাঙালির রান্নাঘরের খুব সাধারণ এই উপকরণ নতুন করে ফিরে আসছে ট্রেন্ডে। এটিকেই এখন বলা হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর হাইড্রেটিং পানীয়। গরমের দিনে শরীরকে দেয় আরাম, পাশাপাশি রাখে হাইড্রেটেড।

হালকা স্বাদ, স্বস্তির অনুভূতি

ভাতের মাড়ের স্বাদ খুবই হালকা বা কোমল। না টক, না মিষ্টি। যা গরমের দিনে মুখে এনে দেয় কিছুটা আরাম। অনেকেই একে লেবুর শরবত বা বাটারমিল্কের তুলনায়ও বেশি কোমল মনে করেন, কারণ এতে কোনো তীব্র অ্যাসিডিক বা ভারী ভাব নেই।


কেন এটি গরমে উপযুক্ত

এই পানীয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর কোমলতা। সহজপাচ্য হওয়ায় এটি পেটের ওপর চাপ ফেলে না। বরং শরীরকে ধীরে ধীরে হাইড্রেট করে এবং ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। হালকা লবণ ও ভাজা জিরা যোগ করলে এতে যুক্ত হয় ইলেকট্রোলাইট ও ডাইজেস্টিভ গুণ, যা গরমে বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়।




সাধারণ ভাতের মাড়ই পান করুন কিছু টুইস্ট সহযোগে


আধা কাপ চাল ভালো করে ধুয়ে তিন কাপ পানিতে রান্না করুন। ভাত সেদ্ধ হয়ে গেলে পানি ছেঁকে আলাদা করে নিন। সেই স্টার্চযুক্ত পানিতে এক চিমটি লবণ, সামান্য ভাজা জিরা গুঁড়া এবং ব্ল্যাক সল্ট মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে এই সামার ড্রিংক। চাইলে এক চা চামচ লেবুর রস যোগ করে নিতে পারেন হালকা ট্যাংগি স্বাদের জন্য। ঠান্ডা করে পান করলে এর সতেজতা আরও বেড়ে যায়।

No comments:

Post a Comment