জলজ্যান্ত একটা মানুষকে মেরে ফেলার গল্প বাইরে থেকে যতটা সরল শোনায়, ভেতরে ঢুকলে ততটাই জটিল হয়ে ওঠে। গল্পের ভেতরে ঢুকতে থাকলে একটার পর একটা দরজা খুলে যায়। আর প্রতিটি দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকে অমীমাংসিত কোন সত্য।
ফাহাদ গরীব ঘরের সন্তান। বয়স মাত্র ১৫ বছর। ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সে। অনিয়মিত কিংবা ঝরে পড়া ছাত্র। বাবা অটোচালক।
চলতি মাসের ২ তারিখে অপ্রতিমের বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেলিভারিম্যানের চাকরি দেওয়া হয় তাকে। মাস শেষে তার সঙ্গে চুক্তিপত্র করবেন এমন ইচ্ছাও ছিল ভদ্রলোকের। অপ্রতিমের সঙ্গে ফাহাদের ভালো-খারাপ তেমন কোনো সম্পর্কই ছিল না বলে জানতেন তার বাবা।
অপ্রতিমের বাবার ভাষ্যমতে, ‘অপ্রতিম ফাহাদকে খারাপ বলেনি। ভালোই মনে করত। ফাহাদও এ কয়েক দিনে কখনো অপ্রিতমকে খারাপ বলেনি। তেমন কোনো সম্পর্কও গড়ে ওঠেনি।’
এদিকে ফাহাদ অপ্রতিমের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। সম্প্রতি সে টাকা ফেরত চাইছিল। পুলিশ মনে করছে এ নিয়ে অপ্রতিমের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে থাকতে পারে ফাহাদ।
শুক্রবার সন্ধ্যা পেরিয়ে অপ্রতিম যখন বাসায় ফিরছে না, তখন ফাহাদকেই ফোন করে ডেকে আনেন অপ্রতিমের বাবা। ছেলে কোথায় গেছে, সে কিছু জানে কি না, সেটা জানতেই তাকে খোঁজা হয়। সেই সময় ফাহাদ তাদের ইন্টারনেট গ্রুপে অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার কথাও লিখে দেয়।
এদিকে অপ্রতিমের পরিবারের হাতে আসে সিসিটিভি ফুটেজ। ফুটেজে যাকে অপ্রতিমের সঙ্গে দেখা গেছে সে কে জানতে চাইলে তুহিনকে দেখামাত্রই সহজেই চিনিয়ে দেয় ফাহাদ। তখন ফাহাদকেই বলা হয় তুহিনকে ফোন করে জানতে, অপ্রতিমকে সে দেখেছে কি না। ফাহাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনের কথোপকথনে তুহিন জানায় অপ্রতিম তার কাছে আসেনি
সময় তখন রাত ১০টা।
ততক্ষণে অপ্রতিম পৃথিবীতে নেই।
পরদিন শনিবার সকালে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী তুহিন ও সন্দেহভাজন অপর গ্রেপ্তারকৃত আসামী সিয়াম (১৯) মোটরসাইকেলে করে অপ্রতিমদের বাসায় আসে। তার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথাও বলে। সান্ত্বনাও দেয়।
অপ্রতিমের বাবা বলেন, শনিবার সকালে বাসায় এসে তুহিন স্বাভাবিক আচরণ করলেও নানা প্রশ্নে একটু রিয়েক্ট করে সঙ্গে আসা তার বন্ধু সিয়াম।
শনিবার দুপুরে যখন অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের খবর আসে তখন পরিবারের সঙ্গে ঘটনাস্থলে যেতে ফাহাদকেও বলা হয়, সে শরীর খারাপ লাগছে বলে চলে যায়।
আরেকজন আসামী কামরুল অপ্রতিমের পরিবারের চোখে তখনো অপরিচিত। অপ্রতিমের বাবা বলেছেন, তাকে তারা আগে কখনো দেখেননি।
কামরুল তুহিনের বন্ধু। হ ত্যা র আগে তুহিন, ফাহাদের মতো তাকেও ডেকে সঙ্গী করে। তুহিন কিশোর গ্যাং লিডার।
শুক্রবার বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলের দিকে যায়। উদ্দেশ্য আইফোন ছিনিয়ে নেওয়া। সেখানে পৌঁছে আইফোন নেওয়ার চেষ্টা করলে অপ্রতিম বাধা দেয়। শুরু হয় ধস্তাধস্তি।
অপ্রতিমকে বাঁশ দিয়ে প্রথমে তুহিন, তারপর আঘাত করে ফাহাদ ও কামরুল। অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার আইফোন নিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
তুহিনের বয়স ১৯। ২০২৫ সালে কুমিল্লা সিটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর পড়াশোনা ছেড়ে দেয়। কামরুলের বয়স ১৬। আর সিয়ামের বয়স ১৯, সে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এরা সবাই বখাটে।
একটা বিষয় খেয়াল করুন। তুহিনের সঙ্গে কিন্তু অপ্রতিমের এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মেলামেশা। অপ্রতিম তুহিনের বাইকে চড়েছে, বাইক চালিয়েছে, সেই বাইকের সঙ্গে ছবি তুলে নিজের ফেসবুক, টিকটকে পোস্ট করেছে। অপ্রতীমকে তো তার স্নেহভাজন, ঘনিষ্ঠ ছোট ভাইয়ের দৃষ্টিতে দেখার কথা। ফাহিমের ক্ষেত্রেও বিষয়টা তাই। অপ্রতিমের বাবা তাকে কাজের সুযোগ দিয়েছিল, স্বাভাবিক হিসাব অনুযায়ী অপ্রতিমের পরিবারের প্রতি তার তো কৃতজ্ঞ হওয়ার কথা। অথচ তারা দুজন মিলে অপ্রতিমকেই শত্রুজ্ঞান করল। এখানেই শ্রেণিগত প্রতিহিংসার আশংকাটা সবচেয়ে নগ্ন ভাবে সামনে আসে!
তাহলে প্রশ্নটা কি শুধুই আইফোন বা পাঁচ হাজার টাকা? এগুলো হয়তো দৃশ্যমান কারণ। তার অন্তরালে হয়তো আরও গভীর কোনো ক্ষোভ কাজ করেছে! কখনো কখনো মানুষের ক্ষোভের আসল কারণ সে নিজেও উচ্চারণ করে না। এই অন্তর্গত গভীর শূণ্যতা থেকে জন্ম নেওয়া তীব্র প্রতিহিংসা এবং শ্রেণী বিদ্বেষ সে নিজেকেও দেখাতে চায় না। নিজের চেয়ে একটু ভালো অবস্থানে থাকা, বেশি সুযোগ পাওয়া, সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ও সফল কাউকে দেখতে দেখতে তার ভেতরে যে বঞ্চনার বোধ, তুলনা, ক্ষোভ বা ঘৃণা জমে তা সে স্বীকার করে না।
আইফোন ছিনিয়ে নেওয়া তখন অজুহাত হয়ে উঠে আর পাঁচ হাজার টাকা হয়ে উঠে জমে থাকা অন্য কোনো ক্ষোভের উপলক্ষ। আমরা জানি না অপ্রতিমের হ ত্যা র পেছনে এমন কোনো শ্রেণীগত বিদ্বেষ ছিল কিনা!
কারণ এই শ্রেণী বিদ্বেষের সবচেয়ে বিপদজনক সত্যটা হচ্ছে মানুষ তখন অন্যের প্রাপ্তিকে সহ্য করতে না পেরে এক বিজাতীয় ঘৃণা নিজের ভেতরে পুষে রাখে আজন্ম। তখন সেটা অন্যের বিরুদ্ধে তার নিজের ব্যর্থতার প্রতিশোধ হয়ে ওঠে।
মানুষ তখন নিজের যাবতীয় না-পাওয়া, অযোগ্যতা ও ব্যর্থতার দায় অন্যের পাওয়ার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়। অন্যের সাফল্য তার কাছে আর সেই মানুষটির অর্জন বলে মনে হয় না, মনে হয়, সেটাই তার নিজের জীবনের বঞ্চনার কারণ। তখন সে নিজের জীবন বদলানোর চেষ্টা না করে অন্যের জীবন থেকে অর্জনগুলো কেড়ে নেওয়ার হিংস্র খেলায় নামে। এমন নির্মম খেলোয়াড় হয়তো আপনার চারপাশেই ঘুরে বেড়াচ্ছে, আপনি শুধু খেলাটা এখনও বুঝে উঠতে পারেননি।
“Envy is the coward’s way of dealing with another man’s success.”
— George Bernard Shaw, Man and Superman
জলজ্যান্ত একটা মানুষকে মেরে ফেলার গল্প বাইরে থেকে যতটা সরল শোনায়, ভেতরে ঢুকলে ততটাই জটিল হয়ে ওঠে। গল্পের ভেতরে ঢুকতে থাকলে একটার পর একটা দরজা খুলে যায়। আর প্রতিটি দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকে অমীমাংসিত কোন সত্য।
ফাহাদ গরীব ঘরের সন্তান। বয়স মাত্র ১৫ বছর। ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সে। অনিয়মিত কিংবা ঝরে পড়া ছাত্র। বাবা অটোচালক।
চলতি মাসের ২ তারিখে অপ্রতিমের বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেলিভারিম্যানের চাকরি দেওয়া হয় তাকে। মাস শেষে তার সঙ্গে চুক্তিপত্র করবেন এমন ইচ্ছাও ছিল ভদ্রলোকের। অপ্রতিমের সঙ্গে ফাহাদের ভালো-খারাপ তেমন কোনো সম্পর্কই ছিল না বলে জানতেন তার বাবা।
অপ্রতিমের বাবার ভাষ্যমতে, ‘অপ্রতিম ফাহাদকে খারাপ বলেনি। ভালোই মনে করত। ফাহাদও এ কয়েক দিনে কখনো অপ্রিতমকে খারাপ বলেনি। তেমন কোনো সম্পর্কও গড়ে ওঠেনি।’
এদিকে ফাহাদ অপ্রতিমের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। সম্প্রতি সে টাকা ফেরত চাইছিল। পুলিশ মনে করছে এ নিয়ে অপ্রতিমের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে থাকতে পারে ফাহাদ।
শুক্রবার সন্ধ্যা পেরিয়ে অপ্রতিম যখন বাসায় ফিরছে না, তখন ফাহাদকেই ফোন করে ডেকে আনেন অপ্রতিমের বাবা। ছেলে কোথায় গেছে, সে কিছু জানে কি না, সেটা জানতেই তাকে খোঁজা হয়। সেই সময় ফাহাদ তাদের ইন্টারনেট গ্রুপে অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার কথাও লিখে দেয়।
এদিকে অপ্রতিমের পরিবারের হাতে আসে সিসিটিভি ফুটেজ। ফুটেজে যাকে অপ্রতিমের সঙ্গে দেখা গেছে সে কে জানতে চাইলে তুহিনকে দেখামাত্রই সহজেই চিনিয়ে দেয় ফাহাদ। তখন ফাহাদকেই বলা হয় তুহিনকে ফোন করে জানতে, অপ্রতিমকে সে দেখেছে কি না। ফাহাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনের কথোপকথনে তুহিন জানায় অপ্রতিম তার কাছে আসেনি
সময় তখন রাত ১০টা।
ততক্ষণে অপ্রতিম পৃথিবীতে নেই।
পরদিন শনিবার সকালে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী তুহিন ও সন্দেহভাজন অপর গ্রেপ্তারকৃত আসামী সিয়াম (১৯) মোটরসাইকেলে করে অপ্রতিমদের বাসায় আসে। তার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথাও বলে। সান্ত্বনাও দেয়।
অপ্রতিমের বাবা বলেন, শনিবার সকালে বাসায় এসে তুহিন স্বাভাবিক আচরণ করলেও নানা প্রশ্নে একটু রিয়েক্ট করে সঙ্গে আসা তার বন্ধু সিয়াম।
শনিবার দুপুরে যখন অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের খবর আসে তখন পরিবারের সঙ্গে ঘটনাস্থলে যেতে ফাহাদকেও বলা হয়, সে শরীর খারাপ লাগছে বলে চলে যায়।
আরেকজন আসামী কামরুল অপ্রতিমের পরিবারের চোখে তখনো অপরিচিত। অপ্রতিমের বাবা বলেছেন, তাকে তারা আগে কখনো দেখেননি।
কামরুল তুহিনের বন্ধু। হ ত্যা র আগে তুহিন, ফাহাদের মতো তাকেও ডেকে সঙ্গী করে। তুহিন কিশোর গ্যাং লিডার।
শুক্রবার বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলের দিকে যায়। উদ্দেশ্য আইফোন ছিনিয়ে নেওয়া। সেখানে পৌঁছে আইফোন নেওয়ার চেষ্টা করলে অপ্রতিম বাধা দেয়। শুরু হয় ধস্তাধস্তি।
অপ্রতিমকে বাঁশ দিয়ে প্রথমে তুহিন, তারপর আঘাত করে ফাহাদ ও কামরুল। অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার আইফোন নিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
তুহিনের বয়স ১৯। ২০২৫ সালে কুমিল্লা সিটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর পড়াশোনা ছেড়ে দেয়। কামরুলের বয়স ১৬। আর সিয়ামের বয়স ১৯, সে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এরা সবাই বখাটে।
একটা বিষয় খেয়াল করুন। তুহিনের সঙ্গে কিন্তু অপ্রতিমের এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মেলামেশা। অপ্রতিম তুহিনের বাইকে চড়েছে, বাইক চালিয়েছে, সেই বাইকের সঙ্গে ছবি তুলে নিজের ফেসবুক, টিকটকে পোস্ট করেছে। অপ্রতীমকে তো তার স্নেহভাজন, ঘনিষ্ঠ ছোট ভাইয়ের দৃষ্টিতে দেখার কথা। ফাহিমের ক্ষেত্রেও বিষয়টা তাই। অপ্রতিমের বাবা তাকে কাজের সুযোগ দিয়েছিল, স্বাভাবিক হিসাব অনুযায়ী অপ্রতিমের পরিবারের প্রতি তার তো কৃতজ্ঞ হওয়ার কথা। অথচ তারা দুজন মিলে অপ্রতিমকেই শত্রুজ্ঞান করল। এখানেই শ্রেণিগত প্রতিহিংসার আশংকাটা সবচেয়ে নগ্ন ভাবে সামনে আসে!
তাহলে প্রশ্নটা কি শুধুই আইফোন বা পাঁচ হাজার টাকা? এগুলো হয়তো দৃশ্যমান কারণ। তার অন্তরালে হয়তো আরও গভীর কোনো ক্ষোভ কাজ করেছে! কখনো কখনো মানুষের ক্ষোভের আসল কারণ সে নিজেও উচ্চারণ করে না। এই অন্তর্গত গভীর শূণ্যতা থেকে জন্ম নেওয়া তীব্র প্রতিহিংসা এবং শ্রেণী বিদ্বেষ সে নিজেকেও দেখাতে চায় না। নিজের চেয়ে একটু ভালো অবস্থানে থাকা, বেশি সুযোগ পাওয়া, সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ও সফল কাউকে দেখতে দেখতে তার ভেতরে যে বঞ্চনার বোধ, তুলনা, ক্ষোভ বা ঘৃণা জমে তা সে স্বীকার করে না।
আইফোন ছিনিয়ে নেওয়া তখন অজুহাত হয়ে উঠে আর পাঁচ হাজার টাকা হয়ে উঠে জমে থাকা অন্য কোনো ক্ষোভের উপলক্ষ। আমরা জানি না অপ্রতিমের হ ত্যা র পেছনে এমন কোনো শ্রেণীগত বিদ্বেষ ছিল কিনা!
কারণ এই শ্রেণী বিদ্বেষের সবচেয়ে বিপদজনক সত্যটা হচ্ছে মানুষ তখন অন্যের প্রাপ্তিকে সহ্য করতে না পেরে এক বিজাতীয় ঘৃণা নিজের ভেতরে পুষে রাখে আজন্ম। তখন সেটা অন্যের বিরুদ্ধে তার নিজের ব্যর্থতার প্রতিশোধ হয়ে ওঠে।
মানুষ তখন নিজের যাবতীয় না-পাওয়া, অযোগ্যতা ও ব্যর্থতার দায় অন্যের পাওয়ার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়। অন্যের সাফল্য তার কাছে আর সেই মানুষটির অর্জন বলে মনে হয় না, মনে হয়, সেটাই তার নিজের জীবনের বঞ্চনার কারণ। তখন সে নিজের জীবন বদলানোর চেষ্টা না করে অন্যের জীবন থেকে অর্জনগুলো কেড়ে নেওয়ার হিংস্র খেলায় নামে। এমন নির্মম খেলোয়াড় হয়তো আপনার চারপাশেই ঘুরে বেড়াচ্ছে, আপনি শুধু খেলাটা এখনও বুঝে উঠতে পারেননি।
“Envy is the coward’s way of dealing with another man’s success.”
— George Bernard Shaw, Man and Superman
ফ রিদা আক্তার
No comments:
Post a Comment