Saturday, January 31, 2026

যাতে মেয়েরা বোরখা পরে।

 


চ্যানেল আই এর ছোট্ট একটা ক্লিপ দেখলাম, কমেন্টে আছে, তবে এটা ছোট কিছু না। একজন শ্রমজীবী মানুষকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কোন প্রতীকে ভোট দেবেন ঠিক করেছেন? তিনি খুব সরলভাবে বললেন, ইসলামী প্রতীকে দেবো, যাতে মেয়েরা বোরখা পরে। বোরখা পরলে আমরা মনে করি মেয়েরা ভালো, এইটাই আমার একমাত্র চাওয়া।

এই কথাটার ভেতরে যে রাজনীতি, যে ক্ষমতার ভাষা, যে সহিংসতা, সেটা বুঝতে হলে আমাদের আরেকটু গভীরে যেতে হবে………দুঃখিত পোস্টটা অনেক বড় কিন্তু in-depth।

এখন বলি, এই লোকের কথা শুনে আমার প্রথম যে জিনিসটা মাথায় এসেছে সেটা ধর্ম না, সেটা ক্ষমতা। কারণ সে বলছে না, আমি ইসলামী নীতিতে ন্যায়বিচার চাই, দুর্নীতি কমুক, শ্রমিকের মজুরি বাড়ুক, হাসপাতাল-স্কুল ঠিক হোক। 

সে বলছে, “বোরখা পরলে মেয়েরা ভালো।” মানে, রাষ্ট্র চালানোর যোগ্যতা যাচাইয়ের মাপকাঠি সে বানিয়েছে নারীর শরীর ঢাকার কাপড়। এটাই বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক মস্তিষ্কের কমন এবং সবচেয়ে সফল প্রোপাগান্ডা, নারীর ভালো/খারাপ কে নীতির প্রশ্ন থেকে নামিয়ে এনে পোশাকের প্রশ্নে পরিণত করা, যাতে পুরুষ নির্বিঘ্নে নৈতিক পুলিশ হতে পারে, আর নারী সারাজীবন প্রমাণ দিতে থাকে যে সে সম্মানযোগ্য।

এটা কোনো একক ব্যক্তির মতামত না। এটা বাংলাদেশের বৃহৎ এক মানসিক কাঠামোর প্রতিফলন, যেখানে নারীর ভালো হওয়া মানে তার নৈতিকতা না, তার পোশাক। যেখানে নারী মানুষ না, চলমান নৈতিক সাইনবোর্ড। যেখানে রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার, সবাই মিলে নারীর শরীরকে একটা রাজনৈতিক প্রজেক্ট বানিয়ে ফেলেছে।

বোরখা এখানে শুধু ধর্মীয় পোশাক না। বোরখা এখন একটা নৈতিক সার্টিফিকেট। আপনি বোরখা পরলে আপনি ভালো, আপনি না পরলে আপনি সন্দেহজনক। আপনার চিন্তা, শিক্ষা, কাজ, সততা, মানবিকতা, সবকিছু গৌণ হয়ে যায়। মূল প্রশ্ন একটাই, আপনি ঢাকছেন কি না। এই নির্বাচনের মৌসুমে সবাই মৌসুমী বোরখা বা মাথা ঢাকছে ঠিক এই কারণেই।

এই ভাবনাটা খুব বিপজ্জনক, কারণ এখানে নৈতিকতার মাপকাঠি মানুষের আচরণ না, মানুষের শরীর। আর যখন শরীর নৈতিকতার একমাত্র মাপকাঠি হয়, তখন সহিংসতা খুব স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। কারণ তখন সমাজ মনে করে, এই শরীরটা নিয়ন্ত্রণ করাই ন্যায়ের কাজ।

বাংলাদেশে গত এক দশকে বোরখা কীভাবে ভালো মেয়ের ইউনিফর্ম হয়ে উঠেছে, সেটা কোনো স্বাভাবিক সাংস্কৃতিক বিবর্তন না। এটা পরিকল্পিত, রাজনৈতিক, এবং পুরুষতান্ত্রিক। ধর্মীয় ভাষা ব্যবহার করে নারীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো হয়েছে, আর সেই নিয়ন্ত্রণকে বলা হয়েছে নৈতিকতা, শালীনতা, সংস্কৃতি।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই চিন্তাটা শুধু অশিক্ষিত মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। এটা শহুরে মধ্যবিত্ত, শিক্ষিত শ্রেণীর মধ্যেও গভীরভাবে প্রোথিত। পার্থক্য শুধু ভাষায়। একজন শ্রমজীবী মানুষ সরাসরি বলছে, “বোরখা মানেই ভালো”। আর শিক্ষিত মানুষ বলছে, “বোরখা না পরলে মেয়েরা সেফ না”, “সমাজের কথা ভাবতে হবে”, “রিয়েলিটি বুঝতে হবে”। কিন্তু মূল যুক্তিটা একই, নারীর নিয়ন্ত্রণই মুখ্য।

এইখানেই পিতৃতন্ত্র সবচেয়ে naked। কারণ পিতৃতন্ত্র নারীর নৈতিক দায়িত্ব তার নিজের ওপর চাপায়, কিন্তু পুরুষের দায়িত্ব নিয়ে নীরব থাকে। পুরুষ কী পরবে, কী দেখবে, কী করবে, এই প্রশ্নগুলো অপ্রাসঙ্গিক। সব নজর নারীর শরীরের ওপর।

আর এই বোরখা কেন্দ্রিক নৈতিকতা শেষ পর্যন্ত রাজনীতির জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায়। যখন একজন মানুষ বলে, আমি ইসলামী প্রতীকে ভোট দেবো যাতে মেয়েরা বোরখা পরে, তখন সে আসলে বোঝায়, রাষ্ট্রের কাজ হবে নারীর পোশাক ঠিক করা। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শ্রমের অধিকার, সব গৌণ। রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব হবে নারীর শরীর শাসন করা।

এই মানসিকতা থেকেই আসে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, চরিত্রহনন, ডিজিটাল লিঞ্চিং, এমনকি হত্যা। কারণ একবার যদি সমাজ ঠিক করে ফেলে যে “good woman” কেমন হবে, তাহলে “bad woman” কে শাস্তি দেওয়াও নৈতিক কর্তব্য হয়ে যায়।

অনেক নারী বোরখা পরেন বিশ্বাস থেকে, নিরাপত্তার জন্য, স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য, এবং সেটা তাদের অধিকার। সমস্যাটা হলো যখন বোরখা নৈতিকতার সার্টিফিকেট হয়ে যায়, আর না পরা মানেই খারাপ নারী হয়ে যায়। তখন পোশাক থাকে না, পোশাক হয়ে ওঠে শাসনের ভাষা, যার ভেতর দিয়ে নারীকে ‘ভালো মেয়ে/খারাপ মেয়ে’ ক্যাটাগরিতে ভাগ করে রাখা হয়। এবং এই ভাগটা রাজনৈতিক, কারণ ভালোর অর্থ এখানে প্রায়ই obedient,  আর খারাপ হচ্ছে স্বাধীন বা প্রশ্নকারী।

বাংলাদেশে বোরখা কীভাবে এত শক্তিশালী সামাজিক প্রতীক হয়ে উঠল ? হুম, এটা একদিনে হয়নি। এটা একটা দীর্ঘ রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক রূপান্তরের ফল। ১৯৭১ এর পর যে সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষতা কে রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ করেছিল, সেটা থেকে বেরিয়ে সময়ের পরিবর্তে রাষ্ট্র ধীরে ধীরে ধর্মকে ক্ষমতার ভাষায় ফিরিয়ে আনে।  সামরিক শাসনের সময় এই প্রক্রিয়া গতি পায়, আর ১৯৮৮ সালে ধর্মীয় পরিচয় রাষ্ট্রীয় বৈধতার অংশ হয়ে ওঠার পর সমাজও ধর্মীয় চিহ্নকে নৈতিকতার মাপকাঠি বানাতে শুরু করে। রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞানের খুব সাধারণ পাঠ, রাষ্ট্র যে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা করে, সমাজ সেটাকে দৈনন্দিন পুলিশিংয়ে অনুবাদ করে।

এরপর ৯০ এর দশক থেকে আরেকটা বড় পরিবর্তন আসে, গাল্ফ মাইগ্রেশন ও রেমিট্যান্স অর্থনীতি। মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করতে গিয়ে সেখানকার ধর্মীয় সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসে অনেক পরিবারে পোশাক-আচারের নতুন মানদণ্ড ঢোকে, একই সঙ্গে দেশে ইসলামী পোশাকের বাজারও বিস্তৃত হয়।

গবেষণা ও সমাজতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখায় যে গত দুই দশকে বাংলাদেশে, বিশেষ করে নগর এলাকায়, হিজাব ও বোরখা পরিধানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। 

এই পরিবর্তনকে শুধুমাত্র ধর্মীয় জাগরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা খুব সরলীকরণ হবে। গবেষণা বলে বাংলাদেশে নারীদের পর্দা বা বোরখা গ্রহণের পেছনে ধর্মীয় বিশ্বাসের পাশাপাশি কাজ করছে সামাজিক নিরাপত্তা, সম্মানজনকতা (respectability), এবং পুরুষতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের কাঠামো, যেখানে নারী শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করা সামাজিক শৃঙ্খলার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে (রহমান, ২০২৫)। অনেক নারী বোরখা পরেন ‘নিজের পছন্দে’, কিন্তু সেই পছন্দটি তৈরি হয় সামাজিক প্রত্যাশা, ভয় এবং গ্রহণযোগ্যতার চাপে, স্বাধীন শূন্যতায় না(Kabeer et al., Cambridge University Press)।

আচ্ছা এইখানে একটু বলে রাখি, ওই ব্যক্তির শিক্ষাগত অবস্থান বা ব্যক্তিগত বিশ্বাস নিয়ে আমি বলছি না।  আমি বলছি কীভাবে বোরখা ধীরে ধীরে ভালো নারীর একমাত্র দৃশ্যমান প্রতীক হয়ে উঠল, এবং কীভাবে এই প্রতীক আজ রাষ্ট্রক্ষমতা কল্পনার মানদণ্ড পর্যন্ত নির্ধারণ করছে। সমাজবিজ্ঞানে একে বিশ্লেষণ করা হয়েছে moral coding of women’s bodies হিসেবে, এখানে নারীর শরীর পরিণত হয় নৈতিকতার বাহকে, আর পুরুষেরা নিজেদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও কর্তৃত্বের কল্পনাকে সেই শরীরের ওপর চাপিয়ে দেয়। 

ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশে নারীর পোশাক কখনোই একরৈখিক ছিল না। গ্রাম-শহর, শ্রেণি-পেশা, ধর্মীয় অনুশীলন, সবকিছুর মধ্যেই বৈচিত্র্য ছিল। ষাট ও সত্তরের দশকে শাড়ি ছিল প্রধান পোশাক, মাথা ঢাকার রীতি ছিল সামাজিক, কিন্তু তা কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ভাষা ছিল না। 

আশির দশকে সামরিক শাসন, মধ্যপ্রাচ্য-ফেরত শ্রমিকদের অভিজ্ঞতা, পেট্রো-ডলারের সাংস্কৃতিক প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক ইসলামিক নেটওয়ার্কের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে পোশাক রাজনীতিকরণ শুরু হয়। নব্বইয়ের পর এনজিও রাষ্ট্র, উন্নয়ন বয়ান ও একই সঙ্গে ইসলামিক পরিচয় রাজনীতির উত্থান, এই দুই বিপরীত ধারার সংঘাতে নারীর শরীর হয়ে ওঠে আদর্শিক লড়াইয়ের মাঠ।

দুই হাজার দশকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়াজ-মাহফিলের ডিজিটাল বিস্তার এবং ধর্মীয় আবেগের রাজনৈতিক পুঁজিকরণ এই প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করে। বোরখা তখন আর ব্যক্তিগত বিশ্বাসের অনুশীলন থাকে না, এটা হয়ে ওঠে visual shorthand, এক নজরে ভালো নারী চেনার উপায়। তোহা এবং লুৎফার গবেষণায়, বাংলাদেশে নারীর “ভালো” বা “খারাপ” মূল্যায়ন এখন ক্রমেই পোশাককেন্দ্রিক হয়ে উঠছে, যা সরাসরি নারীর কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাকে প্রভাবিত করছে। 

Scroll in এর প্রতিবেদন পড়লাম, ৮০-৯০ এর দশকের ঢাকায় যেখানে হিজাব ছিল তুলনামূলকভাবে বিরল, সেখানে আজ এটা সামাজিক সম্মান ও শালীনতার দৃশ্যমান প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অর্থাৎ পোশাক এখন ব্যক্তিগত পছন্দ থেকে সামাজিক চরিত্রের সার্টিফিকেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ।

এই বোরখা-কেন্দ্রিক নৈতিকতা শুধু নারী-পুরুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে না, নারীদের মধ্যেও গভীর শ্রেণিবিন্যাস ও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করে। একই ধর্মের ভেতরেই ভালো মুসলিম নারী বনাম  অপর্যাপ্ত বা সন্দেহজনক নারী এই বিভাজন গড়ে ওঠে। সমাজবিজ্ঞানের ভাষায়, intra-group othering। এখানে বোরখা পরা নারী হয়ে ওঠে নৈতিক মানদণ্ড, আর না পরা নারীকে ক্রমাগত ব্যাখ্যা দিতে হয়, তার বিশ্বাস, চরিত্র ও নাগরিকত্ব নিয়ে। অফিসে কে বিশ্বাসযোগ্য, রাস্তায় কে নিরাপদ, পরিবারে কার কথা গ্রহণযোগ্য, এসব নির্ধারণে পোশাক একপ্রকার নীরব আদালত হয়ে ওঠে।

এই প্রক্রিয়া আরও ভয়ংকর হয় যখন তা অন্য ধর্মের নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। ভালো নারী যদি একমাত্র একটা ধর্মীয় ভিজ্যুয়াল কোডে আবদ্ধ হয়, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বা আদিবাসী নারীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নৈতিক মানচিত্রের বাইরে ঠেলে দেওয়া হয়। আরেন্ট যাকে বলেছিলেন the banality of exclusion, বর্জন এতটাই স্বাভাবিক হয়ে যায় যে কেউ আর প্রশ্ন তোলে না। সহিংসতা তখন নৈতিকভাবে নীরবভাবে অনুমোদিত হয়ে ওঠে।

এখানেই পিতৃতন্ত্র সবচেয়ে কার্যকর। এটা সরাসরি শাসন করে না, কিন্তু সমাজের ভেতরেই নৈতিক পুলিশ বসিয়ে দেয়। নারী নারীর পাশে দাঁড়ানোর বদলে একে অপরকে মাপতে শুরু করে, কে বেশি ভালো, কে কম। অ্যাক্সেল হনেথের recognition theory বলে, এই ধরনের নৈতিক অবমূল্যায়ন নারীর সামাজিক মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার দাবিকেও দুর্বল করে দেয়।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড়টা আসে যখন মেয়েরা বড় পরিসরে ঘরের বাইরে যেতে শুরু করে। গার্মেন্টস, এনজিও, বিশ্ববিদ্যালয়, শহুরে চাকরি। তখন পুরুষতান্ত্রিক সমাজ একটা পুরোনো টেনশন ফিল করে, নারী বাইরে গেলে নিয়ন্ত্রণ কমে। এই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার সবচেয়ে কম খরচের টুল কী? লজ্জা। পর্দা না করলে সম্মান নেই, এই ন্যারেটিভ নারীকে কাজ/পড়াশোনার সুযোগ থেকেও পুরোপুরি ফেরায় না, আবার স্বাধীনতাকেও শর্তসাপেক্ষ করে। একে ডেনিজ কান্দিয়োটি যেভাবে বলেন, এটা একধরনের patriarchal bargain, সমাজ নারীর চলাচল মেনে নেয়, বিনিময়ে নারীকে ‘ভদ্রতার ইউনিফর্ম’ পরতে হয়। তত্ত্বের ভাষা বাদ দিলেও বাস্তবটা সোজা, বাইরে যেতে হলে, বোরখা পরো।

এখানেই বোরখা ব্যক্তিগত পছন্দ থেকে সামাজিক বাধ্যবাধকতা হয়ে উঠতে শুরু করে। বাংলাদেশে অনেক নারীর জন্য বোরখা/হিজাব একধরনের সামাজিক ঢাল, যার মাধ্যমে তারা রাস্তাঘাটের হয়রানি, আত্মীয়-প্রতিবেশীর নজরদারি, এবং চরিত্রহননের ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করেন।  কিন্তু ট্র্যাজেডি হলো, এটা নারীর নিরাপত্তা বাড়ায় না, বরং পুরুষদের অপরাধবোধ কমায়। কারণ তখন দায়টা ঘুরে যায়, “তুমি ঢাকোনি বলেই তোমার সাথে এমন হলো।” এইভাবেই ভালো নারী ধারণা আসলে অপরাধকে নৈতিকভাবে ধুয়ে দেয়, ভিক্টিমকে দায়ী করে।

এর সাথে যোগ হয় ২০১০ এর পরের ডিজিটাল সময়: ফেসবুক-ইউটিউব-টিকটকে নৈতিক পুলিশিং, শেমিং, ভাইরাল বিচার এগুলো বোরখাকে আরও রাজনৈতিক করে তোলে। নারী যত বেশি দৃশ্যমান, তত বেশি শরীরকে শাস্তির জায়গা বানানো হয়, ছবি, পোশাক, হাঁটাচলা, সব কিছু দিয়ে। ফলে বোরখা শুধু বিশ্বাস না, একটা সেফটি পাস হিসেবেও ব্যবহৃত হতে থাকে। কিন্তু যে সমাজে নিরাপত্তা পেতে নারীর শরীর ঢাকা লাগবে, সেই সমাজে নিরাপত্তা আসলে নারী পাচ্ছে না, পুরুষতন্ত্র পাচ্ছে।

এখন ওই লোকের কথায় ফিরে আসি। “বোরখা পড়লে মেয়েরা ভালো”, এই বাক্যে তিনটা ভয়ংকর অনুমান আছে। এক, নারীকে মানুষ হিসেবে না, মরাল অবজেক্ট হিসেবে দেখা। দুই, ভালো মানে নৈতিকতা না, মানে পুরুষের জন্য কম ঝুঁকিপূর্ণ নারী। তিন, রাষ্ট্র চালানোর প্রশ্নেও কেন্দ্রবিন্দু বানানো হচ্ছে নারীর শরীর, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা না। এটাকে আমি বলব political socialisation। মানুষকে বছরের পর বছর শেখানো হয়েছে, রাষ্ট্রের বড় শত্রু নারী স্বাধীনতা। ফলে ভোটের ভাষাও হয়ে গেছে নারীর পোশাক।

এই যে বোরখা এখন ভালো নারীর সিম্বল, এটা নিরীহ সাংস্কৃতিক পরিবর্তন না। এটা ক্ষমতার শ্রেণিবিভাগ! I mean, কে সম্মান পাবে, কে সন্দেহভাজন হবে; কে রাস্তায় নিরাপদ থাকবে, কে টার্গেট হবে; কে কথা বলার অধিকার পাবে, কে চুপ থাকার নির্দেশ পাবে। এবং শেষ পর্যন্ত কে দেশ চালাবে, যারা নীতি-যুক্তি দিয়ে না, নৈতিক আতঙ্ক দিয়ে রাজনীতি করতে পারে।

যদি আমরা সত্যিই একটা ন্যায্য সমাজ চাই, তাহলে প্রশ্নটা বোরখা-বিরোধিতা বা বোরখা-সমর্থন না। প্রশ্নটা আরও কড়া, কোন যুক্তিতে নারীর পোশাককে রাষ্ট্র পরিচালনার মানদণ্ড বানানো হয়? যে সমাজ নারীকে ভালো প্রমাণ করতে কাপড়কে শর্ত করে, সে সমাজ আসলে পুরুষকে খারাপ কাজ করার লাইসেন্স দেয়। এবং যে রাজনীতি নারীকে “ঢেকে” ভালো বানাতে চায়, সে রাজনীতি একদিন সবাইকে ঢেকে ফেলবে, প্রশ্নকে, ইতিহাসকে, অধিকারকে, ভোটকে।

আপনি বোরখা পরতে পারেন, আপনার অধিকার। কিন্তু “বোরখা = ভালো নারী” এই সমীকরণটা রাজনৈতিকভাবে ভাঙতেই হবে। কারণ এটা নারীর ওপর ধর্ম চাপানোর আগেই একটা জিনিস চাপায়, পুরুষের কর্তৃত্ব।


ড. লুবনা ফেরদৌসী 

শিক্ষক ও গবেষক, 

ইউনিভার্সিটি অব হাল, ইংল্যান্ড

Juicy grilled chicken breast

 


Ingredients (Serves 2):

1 chicken breast (shredded)


1 tablespoon soy sauce


1 teaspoon sugar


Potato starch (to taste)


2 tablespoons vegetable oil


Directions:

1. Mix ingredients (A) in a bowl. Drain and divide into 6 equal portions. Lightly flatten each portion and coat with potato starch.

2. Add vegetable oil to a frying pan and heat over medium heat. Add chicken breast (A) and cook until crispy on both sides. Finish!

Crown chrysanthemum and mandarin orange salad

 


Ingredients (Serves 2)


1 bag of chrysanthemum leaves (Chrysanthemum jasmine)


1 mandarin orange


1 teaspoon honey


1/4 teaspoon salt


2 teaspoons vinegar


1 teaspoon mustard


2 teaspoons extra virgin olive oil


Directions


1. Tear the tips of the chrysanthemum leaves from the stems and place them in cold water. Once crisp, drain in a colander and drain thoroughly.

2. Peel the mandarin orange, cut into quarters lengthwise, and then into 5mm-wide slices.

3. Place (1) and (2) in a bowl, add the mixed <dressing> ingredients, mix well, and serve.

The secret that dentists hide from us: It whitens teeth and removes tart...

একদিনে ত্বক ১০গুণ ফর্সা গ্লো হবে কালো দাগ ময়লা তুলে দেবে D tan face pa...

Friday, January 30, 2026

তেলহীন, স্বাস্থ্যকর পোলাও

 


উপকরণ

৬০-৭০ গ্রাম বাসমতি বা গোবিন্দভোগ চালের ভাত (অল্প সেদ্ধ করা)

১ বাটি পেঁয়াজকুচি

অর্ধেক বাটি গাজরকুচি

অর্ধেক বাটি বিন্‌স

অর্ধেক বাটি ক্যাপসিকামকুচি

অর্ধেক বাটি ফুলকপিকুচি

এক বাটি মুরগির মাংসের ছোট টুকরো (অল্প সেদ্ধ করা)

২ টেবিল চামচ টম্যাটোকুচি

১টি জয়িত্রী

১টি দারচিনি টুকরো

৩-৪টি লবঙ্গ

দেড় টেবিল চামচ দই

১ চা চামচ ধনেগুঁড়ো

১ চা চামচ জিরেগুঁড়ো

এক চতুর্থাংশ চা চামচ হলুদগুঁড়ো

১ চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো

১ চা চামচ গরমমশলা গুঁড়ো

১ চা চামচ কসৌরি মেথি গুঁড়ো

১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা

১ চা চামচ পুদিনা পাতাকুচি

স্বাদ মতো নুন

প্রয়োজন মতো জল

প্রণালী

প্রথমে এক দিকে ভাত রান্না করে নিন। বেশি সেদ্ধ না করে অল্প খানিক ক্ষণ ফুটিয়ে শক্ত শক্ত হয়ে থাকা ভাত একটি বাটিতে তুলে রাখুন। একেবারে রান্নার শেষে এটির প্রয়োজন পড়বে আবার।

অন্য দিকে, নন স্টিক প্যান গরম করে পেঁয়াজকুচি ঢেলে দিন। ঢিমে আঁচে ভাজতে হবে পেঁয়াজগুলি। যদি তেলের দরকার পড়ে, তা হলে অল্প জল ছিটিয়ে দিন। পেঁয়াজগুলি বাদামি রং ধরলেই আগুন নিভিয়ে দিন। ভাজা পেঁয়াজগুলি সরিয়ে সেই প্যানে ছোট করে কাটা গাজর, বেলপেপার, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি, বিন্‌স ঢেলে দিন। মাঝারি আঁচে ভাজতে হবে। এর সঙ্গেই হালকা সেদ্ধ করা মুরগির মাংসের টুকরোগুলি দিয়ে দিতে পারেন যদি আমিষ পোলাও করতে চান। ২-৩ মিনিট ধরে শুকনো খোলায় ভাজতে হবে সব্জিগুলিকে। এ বার সব্জিগুলির উপর অর্ধেক কাপ জল ঢেলে দিন। ঢাকা দিয়ে ৩-৪ মিনিট রান্না হতে দিন। যখন দেখবেন, সব্জিগুলির রং পাল্টে যাচ্ছে, হালকা সেদ্ধ হয়েছে, একটি বাটিতে তুলে নিন সব্জিগুলি। চিকেন থাকলে সেগুলিও সেই বাটিতে তুলে নিন। নতুন করে প্যান গরম করে টম্যাটো টুকরো ঢেলে দিন যাতে শুকনো খোলায় ভাজা হয়। এর সঙ্গে জয়িত্রী, লবঙ্গ আর দারচিনি মিশিয়ে দেবেন। অল্প খানিক ক্ষণ ভাজার পর টম্যাটোর উপর জল ঢেলে নরম করে নিন। তার পর অন্য সব্জিগুলিও ঢেলে দিন। জল শুষে গিয়ে রান্না হতে থাকবে সব্জিগুলি।

তত ক্ষণ ছোট এক বাটিতে দই নিয়ে তার মধ্যে জিরেগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, হলুদ, লঙ্কা, গরমমশলা গুঁড়ো, কসৌরি মেথি আর নুন ভাল করে ফেটিয়ে নিন। প্যানে রাখা সব্জিগুলির মধ্যে মশলা মেশানো দই ঢেলে দিয়ে তার উপর আদা-রসুন বাটা ঢেলে দিন। ঢিমে আঁচে ঢাকা দিয়ে ২-৩ মিনিট রান্না করুন। শুকিয়ে যেতে শুরু করলে ১ চা চামচ পুদিনা পাতা ছিঁড়ে এর উপর ছড়িয়ে দিন। একেবারে শুরুতে ভেজে রাখা পেঁয়াজও এর উপর দিয়ে দেবেন। পোলাওয়ে যে মুচমুচে ভাব আসে, তার নেপথ্যে কিন্তু এই পেঁয়াজভাজাই রয়েছে।

শেষে হালকা সেদ্ধ করা ভাত এই মশলা মেশানো সব্জিগুলির উপর হাতা দিয়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। চামচ দিয়ে ভাত ছড়িয়ে দিলেই কাজটা সহজ হবে। অল্প দুধে কেশর গুলে সেটি ভাতের উপর দিয়ে ছড়িয়ে দেবেন। ঢাকা দিয়ে রান্না হোক খানিক ক্ষণ। ৫ মিনিট পরে ঢাকা খুলুন। তেলহীন, স্বাস্থ্যকর সব্জি ও চিকেন পোলাও প্রস্তুত।

Mayo corn cheese bread

 


Ingredients:

150g pancake mix

1 can whole corn (canned) (190g total weight / 120g solids)

1 egg

4 tablespoons mayonnaise

30g pizza cheese

Directions:

1. Put the pancake mix, juice from the can of whole corn, half the whole corn, egg, and 1 tablespoon of mayonnaise into a bowl and knead until the dough comes together.

2. Line a heat-resistant container with parchment paper, add the mixture from 1, and flatten it.

3. Mix the remaining whole corn and mayonnaise and spread over 2. Then top with pizza cheese. Place on a baking tray and bake in a preheated oven at 180°C for 20-30 minutes. Finish!


Cabbage and Chikuwa Salad with Sesame Mayonnaise

 


Ingredients (Serves 2):

200g cabbage


2 chikuwa (fish cakes)


[A] 1 can of tuna in oil (drained)


[A] 60g sweet corn


[A] 2 tablespoons mayonnaise


[A] 1 teaspoon mentsuyu (double-concentrated)


[A] 1 teaspoon ground white sesame seeds


[A] 1 teaspoon sugar


Directions:

1. Roughly shred the cabbage. Place in a heat-resistant bowl, loosely cover with plastic wrap, and microwave at 600W for 2 minutes. Let cool and squeeze out the excess water.


2. Cut the chikuwa diagonally into 1cm pieces.


3. Combine 1, 2, and [A] in a bowl, mix, and you're done!

The ultimate time-saving French toast recipe

 


Ingredients (Serves 2):


1 slice of bread (6 slices)


[A] 100ml milk


[A] 1 egg


[A] 1 tablespoon sugar


10g butter


Directions:


1. Cut the bread into 4 equal pieces and prick the surface with a fork.


2. Place [A] in a heat-resistant container, mix, and arrange [A] on top. Cover with plastic wrap and microwave for 30 seconds at 600W. Flip, cover with plastic wrap again, and microwave for 30 seconds at 600W.


3. Heat butter in a frying pan over medium heat and arrange [C] on top. Cook until golden brown on both sides and it's done!


Serve with powdered sugar and maple syrup to taste!

মুলোর বটি

 


এ রান্না বরিশালের ঝালোকাঠি গ্রামের বাড়ির।
মুলো ঘষে নিয়ে অথবা মিহি মিহি কেটে নিতে হবে।
মটর ডাল ভিজিয়ে বেটে নেওয়া লংকা দিয়ে, নুন, চিনি ফেটিয়ে কড়াইয়ে তেল দিয়ে ডাল বাটা টানিয়ে নেওয়া।
ওই কড়াইয়ে তেলে কালোজিরা, শুকনো লংকা, তেজপাতা দিয়ে মুলো দিয়ে, নুন, হলুদ, আদা বাটা, কাঁচা লংকা, চিনি সব দিয়ে ঢেকে রান্না হবে৷ বেশ মজে এলে কোরানো, ধনেপাতা আর মটর ডাল মেশাতে হবে আবার বেশ সব মিশে গেলে তৈরী।

পর্দা: নারীর সম্মান, নাকি মালিকানার চিহ্ন ?

 


সমসাময়িক মুসলিম সমাজে “পর্দা” সাধারণত উপস্থাপিত হয় নারীর সম্মান, নিরাপত্তা ও নৈতিকতার প্রতীক হিসেবে। কিন্তু ইতিহাস, নৃতত্ত্ব ও রাজনৈতিক সমাজতত্ত্বের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে একটি ভিন্ন চিত্র সামনে আসে। প্রশ্নটি তখন আর ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং তা হয়ে ওঠে ক্ষমতা, মালিকানা ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণের রাজনীতি।
এই লেখার মূল দাবি তিনটি থিসিসের উপর দাঁড়িয়ে আছে:
ক) পর্দা মূলত নারীর সম্মানের প্রতীক নয়, বরং ঐতিহাসিকভাবে এটি মালিকানার চিহ্ন।
খ) পর্দা নারীকে বাস্তবে নিরাপদ করেনি; বরং তাকে সামাজিকভাবে অদৃশ্য করেছে।
গ) ইসলাম যে নৈতিক আন্দোলন হিসেবে নারীর সামাজিক মুক্তির মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা তাকে ধীরে ধীরে নারীর বন্দিত্বের ভাষায় অনুবাদ করেছে।
১. পর্দার ঐতিহাসিক উৎস: ইসলাম নয়, সাম্রাজ্য !
ইতিহাসবিদদের মধ্যে (Leila Ahmed, Fatima Mernissi, Gerda Lerner) প্রায় ঐকমত্য আছে যে কঠোর পর্দা ও হারেম প্রথার শিকড় প্রাক-ইসলামিক পারস্য ও বাইজেন্টাইন রাজতন্ত্রে। এই সমাজগুলোতে রাজপরিবারের নারীরা ছিল রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির অংশ—উত্তরাধিকার ও রক্তের বিশুদ্ধতা রক্ষার রাজনৈতিক যন্ত্র।
ইসলামের প্রাথমিক সমাজে (মদিনা পর্ব) এমন কোনো প্রাতিষ্ঠানিক “নারী-বন্দিত্ব ব্যবস্থা” দেখা যায় না। কিন্তু যখন ইসলাম নৈতিক আন্দোলন থেকে সাম্রাজ্যে রূপ নেয় (উমাইয়া ও আব্বাসীয় যুগ), তখন বিজিত পারস্য ও রোমান প্রশাসনিক-সাংস্কৃতিক কাঠামোর সাথে সাথে নারী নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তিগুলোও আমদানি হয়—হারেম, প্রহরা, এবং কঠোর পর্দা। এখান থেকেই পর্দা হয়ে ওঠে নৈতিক অনুশাসন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষার ব্যবস্থা।
২. “সম্মান” নাকি “মালিকানা”: পর্দার রাজনৈতিক অর্থ কি ?
সমাজবিজ্ঞানী দৃষ্টিতে দেখা যায়, যাকে সবচেয়ে “মূল্যবান সম্পদ” হিসেবে ধরা হয়, তাকেই সবচেয়ে বেশি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ইতিহাসে:
• রাজপরিবারের নারী → কঠোর পর্দা
• দাসী ও ক্রীতদাস নারী → অনেক ক্ষেত্রে কোনো পর্দাই না
এই দ্বৈত মানদণ্ড প্রমাণ করে পর্দা নৈতিকতার প্রশ্ন ছিল না, এটা ছিল মালিকানার চিহ্ন।
সম্ভ্রান্ত নারীর শরীর মানে ছিল:
• বংশপরিচয়ের নিশ্চয়তা
• উত্তরাধিকার রাজনীতির নিরাপত্তা
সুতরাং তাকে “দেখা থেকে লুকানো” ছিল রাষ্ট্রীয় স্বার্থ।
৩. পর্দা ও অদৃশ্যতা: নিরাপত্তা নয়, নীরবতা !
রাষ্ট্র ও সমাজ প্রায়ই দাবি করে: “পর্দা নারীর নিরাপত্তার জন্য।”
কিন্তু ঐতিহাসিক ও সমাজতাত্ত্বিক বাস্তবতা বলে পর্দা নারীকে নিরাপদ করেনি, পর্দা নারীকে সামাজিকভাবে অদৃশ্য করেছে।
অদৃশ্যতা মানে:
• সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বাদ পড়া
• জ্ঞান উৎপাদন থেকে বাদ পড়া
• রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিসর থেকে বাদ পড়া
Hannah Arendt-এর ভাষায়, যে দৃশ্যমান নয়, সে রাজনৈতিক সত্তা নয়। এই অর্থে পর্দা নারীর নাগরিক সত্তাকেই সংকুচিত করেছে।
৪. প্রারম্ভিক ইসলামে নারীর সামাজিক উপস্থিতি !
প্রারম্ভিক ইসলামি সমাজে নারীরা:
• মসজিদে উপস্থিত থাকতেন
• বাজারে যেতেন
• যুদ্ধে সেবাকাজ করতেন
• সরাসরি নবীর কাছে প্রশ্ন ও বিতর্ক করতেন
তারা ছিলেন সামাজিকভাবে দৃশ্যমান ও সক্রিয়। এই বাস্তবতা দেখায় যে আজকের “ঘরবন্দি নারী আদর্শ” ইসলামি নৈতিক আন্দোলনের মৌলিক বৈশিষ্ট্য নয়, বরং পরবর্তী রাজতান্ত্রিক রূপান্তরের ফল।
৫. রাজতন্ত্র কীভাবে ধর্মের ভাষা দখল করল ?
উমাইয়া, আব্বাসীয়, উসমানি ও মোগল সাম্রাজ্যগুলোতে আমরা দেখি:
• হারেম = রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
• নারী = উত্তরাধিকার উৎপাদনের যন্ত্র
• পর্দা = নিরাপত্তা দেয়াল
এই ব্যবস্থাগুলোকে পরে ফিকহ ও ধর্মীয় ভাষার মাধ্যমে নৈতিক বৈধতা দেওয়া হয়। ফলে:
• নিয়ন্ত্রণ → শালীনতা
• বন্দিত্ব → সম্মান
• নীরবতা → পবিত্রতা
এই রূপান্তরই হলো নৈতিক আন্দোলনের রাজতান্ত্রিক অনুবাদ।
যাইহোক,
পর্দা নিজে কোনো ধর্মীয় অপরাধ নয়, যদি তা হয় ব্যক্তিগত পছন্দ। কিন্তু ইতিহাসে ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় পর্দা অধিকাংশ সময়ই ছিল নারীর উপর মালিকানার চিহ্ন, নারীর সামাজিক দৃশ্যমানতা মুছে ফেলার যন্ত্র, এবং ক্ষমতার শাসনপ্রযুক্তি।
সবচেয়ে গভীর ট্র্যাজেডি হলো, যে ধর্ম নারীর সামাজিক মুক্তির মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল, সেই ধর্মকে রাজতন্ত্র ধীরে ধীরে নারীর বন্দিত্বের ভাষায় অনুবাদ করেছে।
রেফারেন্স:
• Leila Ahmed – Women and Gender in Islam
• Fatima Mernissi – The Veil and the Male Elite
• Gerda Lerner – The Creation of Patriarchy
• Judith Butler – gender & visibility theory
• Hannah Arendt – public/private & visibility
—————-
জাপান থেকে,
ফকির চাঁদ ॥

রোড টু বেশ্যালয়



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের হলে একটি রেজিস্টার খাতা থাকে, যারা নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাবার হলে প্রবেশ করে তাদের এই খাতায় নাম লিখে হলে প্রবেশ করতে হয়। ৫ই আগস্টের পর এই রেজিস্টার খাতার উপরে লিখে দেয়া হল, বেশ্যা।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাজার হাজার কর্মী সম্মেলনে মামুনুলরা নারী কমিশনের সদস্যদের নাম দিলেন, বেশ্যা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুকে বেশ্যালয় ডাকলেন একটি দলের জেলার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতা, তার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই এর বাঘিনী নামে খ্যাত কয়েকজন মেয়ে যখন রাস্তায় নামল, ওদেরকে বলা হল শাহবাগী মাগী, বেশ্যা।
বাংলাদেশের মানুষ খারাপ, অনেক খারাপ কোন সন্দেহ নেই, তাই বলে এত নোংরা কি ছিল, আমার ঠিক মনে পড়ছে না।
তনু ধর্ষন এবং হত্যার বিচারে সারা বাংলাদেশ ফুঁসে উঠেছিল, দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষ এটা নিয়ে প্রতিবাদ আন্দোলন করেছিল। আজ যখন রাস্তাঘাট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ্যেই মেয়েদের বেশ্যা বলছে কেউ তেমন প্রতিবাদ করছে না।
৫ই আগস্টের পর মেয়েদের যেভাবে প্রকাশ্যে মাগী, বেশ্যা ট্যাগ দেয়া হচ্ছে তাতে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশে মেয়েদের নিরাপত্তা কি হবে, ভাবতেই গা শিউরে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার পরিচিত অনেক মেয়ে এখনও সরব এনসিপি/ইউনুসের গুন কীর্তন অথবা আওয়ামীলীগকে গালি গালাজ করতে, কিন্তু একজন মেয়েকেও দেখলাম না মেয়েদের বেশ্যা ডাকার প্রতিবাদে টু শব্দটি করতে।
এই যে উগ্র মৌলবাদীদের এত আস্ফালন হয়েছে এর প্রতিবাদে যদি সোচ্চার না হউন কাল যে আপনার পরিবারের কাউকে বেশ্যা ডাকবে না, এর নিশ্চিয়তা কি দিতে পারবেন।
ভাবছেন আপনি প্রতিবাদ করলে আপনাকে গালিগালাজ করবে, বলবে আপনার জানাজা পড়বে না, নাস্তিক ডাকবে??? ধর্ম আর মৌলবাদ ভিন্ন জিনিস, আপনারা দুটোকে গুলিয়ে ফেলতেছেন....
আমি দীর্ঘদিন জাপানে আছি, এদেশেও নারী নির্যাতন হয়, ধর্ষন হয় কিন্তু প্রকাশ্যে কোন মেয়েকে ইংগিত করে টু শব্দটি করার সাহস কারও নেই, আর কোন রাজনৈতিক দলের কোন কর্মী যদি সেটা করে তার শাস্তি হয় ভয়াবহ। জাপানে সেকুহারা (সেক্সচুয়াল হ্যারাজমেনট) একটি খুব সেনসিটিভ শব্দ, আপনি যদি আপনার কোন মেয়ে কলিগকে বলেন তোমাকে সুন্দর লাগছে এবং এতে যদি আপনার কলিগ মনে করে তাকে সেকুহারা করেছেন তাহলে আপনার মিনিমাম শাস্তি হবে বদলি।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি সত্যিই শংকিত।

Lincon Bd

Thursday, January 29, 2026

বার্ধক্য আপনার ত্বক থেকে শুরু হয় না, শুরু হয় এখান থেকেই | Reverse Agin...

Children are more likely to inherit their intelligence from their mothers

 


New research reveals that children are more likely to inherit their intelligence from their mothers thanks to the X chromosome.
Groundbreaking findings from the University of Cambridge suggest that intelligence is predominantly inherited from the maternal line.
The core of this discovery lies in the X chromosome, which carries intelligence-related genes; since women possess two X chromosomes and men only one, mothers are twice as likely to pass these traits to their offspring.
Furthermore, these maternal genes are specifically programmed to activate in the cerebral cortex, the brain's sophisticated center for memory, language, and complex reasoning. In contrast, genes inherited from the father tend to influence the limbic system, which governs more primal functions and physical development.
While these genetic insights emphasize the mother’s biological impact, researchers underscore that intelligence is not determined by DNA alone. The quality of early caregiving and the nurturing environment provided by both parents remain crucial factors in a child's cognitive growth. This study highlights a fascinating genetic blueprint where mothers provide the foundation for complex thought, while fathers support other vital developmental systems. Ultimately, this research offers a deeper understanding of how our cognitive abilities are shaped, reinforcing the powerful biological and environmental bond between a mother and her child.
source: Malewar, A. Scientists Confirm that Intelligence Comes from Your Mother. Tech Explorist.

Radish salad

 


Ingredients (Serves 2):


1/2 daikon radish (shredded)


1 teaspoon salt


[A] 1 can canned tuna (drained)


[A] 2 tablespoons mayonnaise


[A] 1/2 tablespoon sesame oil


Directions: 


1. Sprinkle salt on the daikon radish and, once soft, drain.

2. Add [A] to 1., mix, and you're done!

Chicken and spinach stew with macaroni

 


Ingredients (Serves 4)


1 chicken thigh (300g)

1 bunch spinach (200g)

40g quick-cook macaroni

1 onion

1 pack shimeji mushrooms (100g)

1 slice bacon (sliced)

Salt and pepper to taste

20g butter (or margarine)

4 tablespoons flour

A [2 cups (400mL) milk, 1 1/2 cups (300mL) water, 4 teaspoons granulated consommé soup stock (2 granulated consommé soup stocks)]

20g pizza cheese (if available)

Coarsely ground black pepper (optional) to taste


[Directions]


(1) Prepare the ingredients


Thinly slice the onion and remove the stems of the shimeji mushrooms and shred them. Roughly chop the spinach and blanch in boiling water in a frying pan for about 1 minute, then drain and drain. Cut the bacon into 1cm cubes. Cut the chicken into bite-sized pieces and sprinkle with a little salt and pepper.


(2) Stir-fry


Melt the butter in the open frying pan (1) over medium heat and fry the chicken (1) skin-side down. Once browned, flip it over and fry the onion, shiitake mushrooms, and bacon (1) in the open space. Once soft, sprinkle in the flour and stir-fry until combined.


(3) Simmer and finish


Add (A) and the macaroni and simmer, stirring, until the macaroni is cooked through. Add the pizza cheese, season with a little salt and pepper, and serve in a serving dish. Sprinkle with coarsely ground pepper.

Milky, round sweet potatoes

 


Ingredients:


200g sweet potato


20g salted butter


[A] 1 tablespoon sugar


[A] 1 tablespoon milk


[A] Black sesame seeds, as needed


Directions:


1. Cut the sweet potato into 1cm cubes, soak in water for about 3 minutes, drain thoroughly, and pat dry with paper towels. Place on a heat-resistant plate, cover with plastic wrap, and microwave at 600W for 3 minutes.


2. Add salted butter to a frying pan and fry over medium heat until the sweet potato is cooked through, then remove to a plate.


3. Wipe off the oil from the frying pan, add [A], and heat over medium heat. When the mixture starts to foam, add [B] and mix thoroughly. Shake the pan to coat the entire mixture in sugar crystals. Finish!

Wednesday, January 28, 2026

সুবর্ণরৈখিক ভাষায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বেগুন পিঠের রেসিপি ...#youtube #v...

"Tum Hi Ho Aashiqui 2" Full Video Song HD | Aditya Roy Kapur, Shraddha K...

গাজরের আচার

 


উপকরণ

  • গাজর: ৩ কাপ (জুলিয়ান কাট)

  • মুলা: ১ কাপ (জুলিয়ান কাট)

  • সবুজ: ক্যাপসিকাম ১ কাপ (জুলিয়ান কাট)

  • আদা: আধা কাপ (জুলিয়ান কাট)

  • পেঁয়াজ: ১ কাপ (জুলিয়ান কাট)

  • রসুন: ২ কোয়া

  • ভিনেগার: ২ কাপ

  • লবণ: আধা চা-চামচ

  • চিনি: আধা চা-চামচ

  • গোলমরিচের গুঁড়া: আধা চা-চামচ

  • গোটা ধনে: আধা চা-চামচ।

প্রণালি

গাজর, মুলা, ক্যাপসিকাম, আদা ও পেঁয়াজ শুকনা কাপড়ে মুছে ভালোভাবে পানি ঝরিয়ে নিন। বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পরিষ্কার, শুকনা কাচের বয়ামে ভরে নিন। ঢাকনা বন্ধ করে ঠান্ডা জায়গায় সংরক্ষণ করুন। ২-৩ দিন পর খাওয়ার উপযোগী হবে।

Bacon and spinach stir fry

 


Ingredients (Serves 2)

2 slices of bacon


1/2 bunch spinach


A pinch of salt and pepper


Egg Mix


2 beaten eggs


A pinch of salt


1 tablespoon milk


10g butter


Preparation


Cut the bacon into 2cm pieces. Cut the roots of the spinach and cut them into 4cm pieces. Mix the ingredients for the egg mix.


Directions


1. Heat half the butter in a frying pan over medium heat. Once melted, pour in the egg mix and fry. Remove from heat once the mixture is half-cooked.


2. Add the remaining butter to the frying pan and fry the spinach and bacon over medium heat. Add (1) back in, season with salt and pepper, and serve.

Teriyaki Chicken

 


Ingredients (Serves 2)


Chicken thigh...1 piece (300g)


A


Ginger...1 piece


Water, sake, soy sauce, sugar...2 tablespoons each


Vinegar...1 tablespoon


Potato starch dissolved in water...2 teaspoons


(Water: 1 teaspoon, Potato starch: 1 teaspoon)


Directions


1. Finely chop the ginger. Trim any excess tendons or fat from the chicken.


2. Combine ingredients A in a pot, add the chicken skin-side down, and heat. Once boiling, cover with a drop lid and simmer over low heat for 10 minutes, turning occasionally.


3. Remove the lid and simmer for another 3 minutes. Remove the chicken, cut into bite-sized pieces, and serve in a serving dish.


4. Reduce heat to low, add the potato starch dissolved in water to the broth, and once thickened, pour over 3.

Cauliflower soup

 


[Ingredients for 2 servings]


- 1/4-1/2 head of cauliflower


- 1/4 onion


- 5-6 green beans


- 1 slice of bacon


- A pinch of salt and pepper


<Soup>


- 2 teaspoons of granulated soup stock


- 400ml of water


[Preparation]


- Cut the cauliflower into small florets and cut the onion into 1cm cubes.

- Cut off the stems of the green beans and cut into 2cm pieces.


- Cut the bacon in half lengthwise and then cut into 1cm pieces.


[Directions]


1. Place the cauliflower, onion, bacon, and the <soup> ingredients in a pot and bring to a boil over high heat. Once boiling, cover, reduce heat, and simmer for 7-8 minutes. 

2. Add the green beans and simmer for 2-3 minutes, season with salt and pepper and pour into serving bowls.

Tuesday, January 27, 2026

ঢাকাইয়া ভেলপুরি

 


উপকরণ

ভেলপুরির জন্য: সুজি এক কাপ, ময়দা আধা কাপ, বেকিং সোডা আধা চা-চামচ, লবণ সিকি চা-চামচ, কুসুম গরম পানি আধা কাপ এবং তেল খামির তৈরি ও ডুবো তেলে ভাজার জন্য।

পুরের জন্য: সেদ্ধ ডাবলি আধা কাপ (লবণ দিয়ে), আলু মাঝারি আকারের তিনটি, চাট মসলা এক চা-চামচ, শুকনা মরিচ টেলে গুঁড়া করা আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচকুঁচি পাঁচটি, পেঁয়াজকুঁচি একটি, ধনেপাতাকুঁচি দুই টেবিল চামচ ও লবণ আধা চা-চামচ।

তেঁতুলের সসের জন্য: তেঁতুল ৫০ গ্রাম, ভাজা জিরার গুঁড়া পৌনে এক চা-চামচ, ভাজা শুকনা মরিচের গুঁড়া সিকি চা-চামচ, লবণ এক চা-চামচ, বিট লবণ সিকি চা-চামচ ও চিনি দুই চা-চামচ।

সাজানোর জন্য: বেদানা বা আনার দানা, ধনেপাতাকুঁচি, ঝুরি ভাজা ও শসা-টমেটোকুঁচি পরিমাণমতো।

প্রণালি

একটি বাটিতে সুজি, ময়দা, লবণ, বেকিং সোডা ও তেল নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মাখিয়ে শক্ত ডো তৈরি করুন। মাখানো হলে আধা ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন। আলু ভালো করে সেদ্ধ করে ছিলে আধা ভাঙা করে নিন।

তাতে সেদ্ধ ডাবলি, চাট মসলা, কাঁচা মরিচ, লবণ, পেঁয়াজ, টালা শুকনা মরিচের গুঁড়া, ধনেপাতাকুঁচি দিয়ে মিশিয়ে রাখুন। তেঁতুল এক কাপ পানিতে আধা ঘণ্টার মতো ভিজিয়ে রেখে ক্বাথ বের করে নিন। তারপর তাতে সসের সব উপকরণ দিয়ে ভালোভাবে বিট করুন।

এবার মেখে রাখা ডো থেকে ছয়টি বল বানিয়ে নিন। একেকটি বল থেকে রুটি বেলে নিন। গোল কিছু নিয়ে মাঝারি আকারে কেটে নিন। এভাবে সব রুটি থেকে মাঝারি আকারের রুটি কেটে নিন। গরম তেলে ভেলপুরিগুলো একটা একটা করে দিয়ে বাদামি করে ভেজে তুলুন।

সব ভাজা হয়ে গেলে ঠান্ডা করে এর ওপর ডাবলি-আলুর মেখে রাখা পুর দিয়ে তেঁতুলের সস, ধনেপাতাকুঁচি, শসা-টমেটোকুঁচি, ঝুরি ভাজা ও আনারের দানা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন।



Benefits of raw turmeric

 


Turmeric has been widely used since ancient times. Be it in cooking or beauty, its combination is perfect. But do you know that turmeric also works great as a medicine. Raw turmeric will keep you away from many diseases, if you wake up in the morning and eat a little raw turmeric with honey on an empty stomach, then you will feel its benefits yourself after a few days. Below are some examples of the properties of raw turmeric-


1) Are you gradually gaining weight? Turmeric helps in shedding excess fat. The chemical curcumin in turmeric is absorbed very quickly in the body. And it does not allow the tumors in the body to grow.


2) Mix raw turmeric with milk and apply the mixture on your face as a face pack. If applied regularly, it can help in removing wrinkles.


3) You can use the mixture of raw turmeric and dried orange peels together as a scrubber. This scrubber can restore the glow of the skin in a natural way.


4) Turmeric contains the phenolic compound curcumin, which helps in preventing cancer.


5) Raw turmeric is very beneficial for those who are suffering from acne. Mix raw turmeric paste, grape juice and rose water and apply it on the acne. Wash it off after a while. The acne will disappear and there will be no fear of infection.


6) If the skin has tanned due to the heat of the sun. Then mix yogurt in raw turmeric paste and apply it. The burning sensation will go away.


7) Turmeric is a useless medicine for cold and cough. To reduce cough, keep a piece of raw turmeric in your mouth. Apart from this, you can also drink turmeric powder and black pepper powder in a glass of hot milk. You will see that you will get relief very soon.


8) If you have pain in your body, arms and legs, you can mix a little turmeric in milk and eat it. If you have joint pain, you can make a paste of turmeric and apply it. You will see that you will get relief.


9) According to Ayurveda, turmeric purifies the blood. Therefore, turmeric flower paste is said to help in removing skin diseases.