ফেলে দিচ্ছেন বেদানার খোসা। এই ভুল করেন না।
ফেলনা নয় বেদানার খোসাও। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। এখন থেকে বেদানা তো খাবেনই, বেদানার খোসাও ফেলবেন না। কেননা, বেদানার মতো বেদানার খোসায়ও রয়েছে নানান উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। রয়েছে ভিটামিন সি–ও।
ভেষজ চা:
গরমের সময়ে নানা ধরনের পানীয়ে চুমুক দিতে মন চায়। তার জন্য সিরাপ তৈরি করে রাখতে পারেন ঘরে। তার জন্য জলে বেদানার খোসা, চিনি বা গুড় অথবা মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। জলে ফুটিয়ে নিয়ে সেই সিরাপ যে কোনও শরবতে ব্যবহার করতে পারেন, এমনকি মকটেলেও মন্দ লাগবে না। এক দিকে যেমন স্বাদবৃদ্ধি হবে, তেমনই নয়া রংও পাবে পানীয়টি।
খোসা শুকিয়ে গরম জলে ফুটিয়ে বানানো যায় ভেষজ চা। এর স্বাদ সামান্য টক আর কষা ধরনের। অনেকে আবার এর সঙ্গে দারচিনি বা আদাও মেশান। গরমের সন্ধ্যায় বা বর্ষার দিনে এই চা বেশ আরামদায়ক হতে পারে। পাশাপাশি, স্বাস্থ্যের জন্যও এই টোটকা উপকারী।
বেদানার খোসার প্যাক
বেদানার খোসা গুঁড়া করে পাউডার বানিয়ে নিন। তারপর সেই পাউডার মধু অথবা গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে ভালো করে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহারে এত সপ্তাহেই ত্বকের ইতিবাচক পরিবর্তন ধরা পড়বে।
এ ছাড়া বেদানার খোসার পাউডার, গরম নারকেল তেলে মিশিয়ে ১৫ মিনিট স্কাল্পে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহারেই খুশকি কমে যাবে।
No comments:
Post a Comment