Friday, October 31, 2025

Fashionable products in Manipuri sarees

              Rehmuma Hossain collects discarded Manipuri sarees from weavers and fuses them into various products like bags and shoes. Her dream is that one day Manipuri will be known all over the world.


Long cut Manipuri tops with loose pants



This shawl is made on Manipuri handloom. The tote bag is made of Manipuri cloth.


The garland made of Manipuri cloth looks beautiful.



জীবনের_কয়েকটা_পাতা

 


আমার স্বামী মাসের প্রথমে তার বেতনের সব টাকা আমার হাতে তুলে দিলেও, তার এক পয়সা খরচ করার অধিকার আমার ছিলো না। কোনো জিনিসের প্রয়োজন হলে নিজেই কিনে এনে দিতো। তবুও আমার হাতে টাকা খরচ করতে দিতো না। মাসের শেষে কড়ায়গণ্ডায় সব হিসাবও বুঝে নিতো। এসব নিয়ে আমার অবশ্য তেমন সমস্যা ছিলো না। সমাজে ভালো নামক তকমাটা পেতে গেলে চোখ থাকতে অন্ধ আর মুখ থাকতেও বোকা সাজতে হয়। কালেভদ্রে নিজের কাছে খারাপ লাগলেও কখনো মুখ ফুটে কারো কাছে কিছুই বলিনি।
গতকাল আমার ভাই কল দিয়ে বললো, ' আপু ১০০০ টাকা দিতে পারিস। কলেজে লাগবে, মা আব্বু বাকি সব জোগাড় করতে পারলেও এক হাজার টাকা কারো কাছে পায়নি। শেষ ভরসা হিসাবে তোকে কল দিলাম। "
মধ্যবিত্ত পরিবারে যদি বাবার বয়স বাড়ে, আর কোনো নিদিষ্ট উপার্জনের পথ না থাকে। তখনই অভাব কাকে বলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ভাইটা সবে সবে কলেজে ভর্তি হবে। কমপক্ষে পাঁচ হাজার টাকা তো লাগবেই। সবই আমি বুঝতে পারি। কিন্তু কিছু করার উপায় নেই। আমার নিজের কাছে পাঁচশ টাকার মতো আছে। বেশ কয়েকমাস ধরেই জমা পড়ে আছে ডাইরির পাতার ভাঁজে। বাকি টাকাটা ও-র কাছে চাওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।
সকালে খাওয়ার সময় স্বামীকে বললাম
--" আমাকে পাঁচশ টাকা দিবে?'
--" এতো টাকা দিয়ে তুমি কি করবে?'
--" আসলে ভাইয়ের ভর্তি হতে লাগবে। তুমি দিলে অনেক উপকার হতো। '
--" কেন তোমার মা বাপ সব মরে গেছে নাকি? যে তোমার ভাইয়ের কলেজে ভর্তির টাকা আমার দেওয়া লাগবে। মাসের শেষে পাঁচশ টাকা মানে বোঝো তুমি? টাকা রোজগার করতে কেমন লাগে তা তুমি ঘরে বসে বুঝবে কি করে! আমার কাছে কোনো টাকা পয়সা নেই। "
মাসের শেষে যে হাতে টাকা থাকে না এটা আমি বেশ ভালোই বুঝতে পারি। তবে স্বামীর দেওয়া উত্তরটা কেন জানি কানে বেজে চলছে। কলেজে ভর্তি হওয়া যে পাঁচশ টাকায় হয় না তা আমার স্বামীকে আলাদা ভাবে বলে দেওয়ার দরকার হয় না। নিজে থেকেই বুঝতে পারে।

সেদিনের পর থেকে কখনো স্বামীর কাছে টাকা চাওয়ার প্রয়োজন পড়েনি আমার। খুব বেশি প্রয়োজন হলেও নিজের জন্য বা বাপের বাড়ির কারোর জন্য কিছুই চাইনি। আমার স্বামী অবশ্য সেদিন অফিস থেকে ফেরার পথে কেজি খানেক গরুর গোশত আর পোলাও চাল এনে বলেছিলো বিরিয়ানি রাঁধতে, অনেকদিন খাওয়া হয়নি। তার জন্য রান্না করেছিলাম ঠিকই কিন্তু আমার গলা দিয়ে অমন সুস্বাদু খাবার নামেনি।
পরেরদিন আমার ভাই এসেছিলো অনেক আশা করে, বিয়ের আগে কয়েকটা টিউশনি করাতাম তখন বোনের কাছে কিছু আবদার করলে না পাওয়া হয়নি। সেই ভরসা নিয়েই হয়তো এসেছিলো, বুঝতে পারেনি তার বোন আজ আর অবিবাহিত নেই। তাদের পরিবারের সদস্য নেই। সমাজের মতে বিয়ের পর মেয়েদের স্বামী সন্তানই সব। মা বাবা ভাই বোন নেহাৎ তার বাড়ির আত্মীয় মাত্র। যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই নিয়মের বাইরে যাওয়ার অধিকার হয়তো কোনো মেয়েই নেই। কেউ কেউ অতিরিক্ত ভাগ্যবতী বলেই এই নিয়ম তাদের স্পর্শ করতে পারেনি। তাদের ব্যাপার হয়তো আলাদা।
ছোট বেলায় খালামনি একজোড়া রূপার নুপুর বানিয়ে দিয়েছিলো। তেমন পায়ে দেওয়া হয় না। সেই নুপুর জোড়া ভাইয়ের হাতে তুলে দিয়ে বলেছিলাম,
--" মাসের শেষ, তোর দুলাভাইয়ের কাছে টাকা নেই। এই জোড়া বিক্রি করে দে। আমি তো এসব পরি না। "
ভাই হাত পেতে নুপুরজোড়া নিয়ে ছিলো বটে, তবে চোখের পানিটা আড়াল করতে পারেনি। খাওয়ার টেবিল থেকে রাতে বেঁচে যাওয়া অবশিষ্ট বিরিয়ানির সুবাস হয়তো তাকে বুঝিয়ে দিয়েছিলো তার বোনের জীবনের আবছা কিছু অংশ। স্কুল পাশ করা ছেলের বয়স তো খুব একটা কম নয়।
ভাই চলে যাওয়ার পর স্বামী অবশ্য জানতে চেয়েছিলো ভাই কেন এসেছে, বলেছিলাম আমাকে দেখতে এসেছে। আমার কাছে থাকা তার বেতনের অবশিষ্ট টাকাগুলো গুনতে গুনতে বলেছিলো, তা ও-কে খেয়ে যেতে বললে না কেন, শালাবাবুর তো বিরিয়ানি অনেক পছন্দের।
উত্তরে আমি শুধু মুচকি হেসেছিলাম। এসব সামান্য কারণে সংসার ফেলে চলে যাওয়ার মতো মেয়ে আমি নই। একা থাকতে পারার সাহস যোগাতে পারলেও সমাজে তিক্ততা মেনে নেওয়ার সাহস আমার কখনোই হবে না। স্বামী সংসার ছেড়ে যাওয়ার চিন্তা আমার মাথায় আসেনি। শধু মনের কোথাও একটা গভীর ক্ষত হয়েছিলো। যে ক্ষত থেকে ব্যাথা ক্রমশ আমার ভিতরে ছড়িয়ে পড়েছে। কষ্টে চোখের পানি বেরিয়ে এসেছে, বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব হয়েছে। পরে আবার ক্ষতটা শুকিয়েও গেছে। আচ্ছা এসব ক্ষত কি কখনো শুকিয়ে যায়?

। ফারহানা মানাল।

কলার থোড়ের ডালনা

 


উপকরণ


কলার থোড় দুই কাপ, মসুর ডাল এক কাপ, চিংড়ি মাছ বাটা

 আধা কাপ, তেজপাতা একটি, শুকনা মরিচ দুটি, আস্ত জিরা

 আধা চা চামচ, টালা জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ, জিরা গুঁড়া

 আধা চা চামচ, ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ, হলুদ গুঁড়া এক চা

 চামচ, মরিচ গুঁড়া স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ বাটা আধা চা চামচ,

 ধনেপাতা মিহি কুচি স্বাদমতো, লবণ স্বাদমতো, আদা বাটা

 আধা চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ এবং সয়াবিন তেল

 আধা কাপ।

 

যেভাবে তৈরি করবেন


*    মসুর ডাল ধুয়ে কমপক্ষে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে দিন।

 কলার থোড় পরিষ্কার করে লবণ পানি দিয়ে ভাপিয়ে পানি

 ঝরিয়ে নিন।


*    চুলায় হাঁড়ি বসিয়ে সয়াবিন তেল দিয়ে আস্ত জিরা, শুকনা

 মরিচ ও তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে কলার থোড় দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন।

এর মধ্যে আদা বাটা, রসুন বাটা এবং বাকি সব গুঁড়া মসলা দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন।

*    এরপর ডাল দিয়ে ভাজা ভাজা করে নিন। এবার চিংড়ি বাটা

 দিয়ে হালকা ভেজে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে সিদ্ধ হওয়া

 পর্যন্ত রান্না করুন। ডাল সিদ্ধ হবে, কিন্তু গলে যাবে না।


*    নামানোর আগে টালা জিরা গুঁড়া, ধনেপাতা মিহি কুচি দিয়ে

 কিছু সময় দমে রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

দেশীয় জলচর পাখি কালিম

 



পাখি কালিমের ইংরেজি নাম পার্পল সোয়াম্পহেন, বৈজ্ঞানিক নাম Porphyrio porphyrio। বাংলায় ‘কাম পাখি’ ও ‘সুন্দরী পাখি’ নামেও পরিচিত। 

সাধারণতঃ

লম্বায় ৪৫–৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। ঠোঁট ও কপাল গাঢ় লাল, মাথা থেকে গলা নীলাভ রঙে ঠাসা। পালকে বেগুনি ও নীলের মনোরম মিশেল, লেজের তলা ও গলায় সাদার ছোঁয়া। প্রশস্ত পা ও সূচালো নখ লাল ও নীল রঙের আচ্ছাদনে ঢাকা।

দেশীয় জলচর পাখি কালিম—গাঢ় নীল, ইষৎ কালো, কড়া লাল আর হালকা সাদার মনোহর দ্যুতি ছড়িয়ে বিল-ঝিলে ঘুরে বেড়ায়। স্বভাবে ধীরস্থির।

বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জলাশয়ে এদের দেখা মেলে।

 সকাল-সন্ধ্যায় এদের গলায় বৈচিত্র্যময় ডাক ধ্বনিত হয়—

“পি-উ পি-উ, পি-ক পি-ক, পো-য়া-ক পো-য়া-ক, প-ক পক”।

পুরুষের কণ্ঠস্বর ভারী, মেয়েদের কণ্ঠ মিহি। দল বেঁধে একসাথে ডাকলে বিলপাড় মুখরিত হয়ে ওঠে। কালিমরা সামাজিক পাখি, তবে আংশিক পরিযায়ী। হাওড়, বড় বিল বা জলাশয়ে নিরাপদ পরিবেশ পেলে দলবদ্ধভাবে বাস করে। এদের ডুবসাঁতারের মোহনীয় দৃশ্য সবার মন কাড়ে। বর্ষাকাল এদের প্রজনন মৌসুম। মিলনের আগে মেয়ে পাখির মন জয়ের জন্য বেশ কসরত করে পুরুষ পাখি।

ধানখেত, কচুরিপানা, ঘন জলজ উদ্ভিদ ও ঝোপঝাড়ে এরা বাসা বাঁধে। শস্যদানা, কচি ঘাসপাতা, জলজ উদ্ভিদ, নরম শাপলার পাতা ও ডগা, কেঁচো, জোঁক, শামুক, ব্যাঙ, পোকামাকড়, ছোট মাছ ও ধান বা ঘাসের বীজ—সবই এদের পছন্দের খাবার।

অনেকেই সখ করে কালিম পোষেন। পোষ মানলে এরা উড়ে যায় না; হাস-মুরগির মতোই বাড়ির আঙিনায় ঘুরে বেড়ায়।

গৃহপালিত কালিম রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়না। পোষ মানলে খাঁচার বাইরেও বিচরণ করে। বছরে তিন-চার বার এক সাথে ১২-১৫টি করে ডিম দেয়। দেখতে মুরগীর ডিমের মতো হলেও রং কিছুটা কালচে।

তবে জলজ বা বন্য কালিম নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন বন্যপ্রাণী বিশারদ আলম শাইন। তিনি গবেষণা থেকে জানান,  বিলঝিলের কালিম সাধারনত ৩ থেকে ৬টি করে ডিম দেয়।



Fluffy omelet with grated yam and cheese

 


Ingredients:


300g Nagaimo (Japanese yam)


50g Pizza cheese


[A] 2 tsp potato starch


[A] 1/8 tsp salt


[A] Pinch of black pepper


1 tsp olive oil


Instructions:


① Peel the nagaimo and grate it. Add [A] and mix well.


② Heat olive oil in a frying pan over medium-low heat, then pour in the mixture from step ①. Smooth the surface, top with pizza cheese, and cook until the bottom is browned.


③ Once the bottom is browned, fold it in half and continue cooking, shaping it as you go, until cooked through. When it's fluffy, it's done!



Pan-fried yam with butter and ponzu sauce

 


Ingredients:


200g Nagaimo (Japanese yam)


Cornstarch, as needed


1 tablespoon vegetable oil


[A] 10g butter


[A] 1 tablespoon ponzu soy sauce


Instructions:


① Peel the nagaimo and cut it into bâtonnet (stick) shapes.


② Place the nagaimo in a plastic bag, add the cornstarch, and coat evenly.


③ Heat the vegetable oil in a frying pan, and arrange the nagaimo in the pan. Once browned on all sides, wipe off any excess oil. Add [A] and simmer until coated.  Done!


Serve with chopped green onions on top if desired!

চালতা মিশন স ফ ল

 





চালতা , ইংরেজিতে যাকে ব লে  Elephant apple, তাকে আমরা জাপান প্রবাসীরা জ্যান্ত ভাবে  পাচ্ছি।

মানে আস্ত একটা ফল, ফ্রিজে রাখা না ।  

দেশে আমি  মাত্র একবার এই আচার খেয়েছি তাও আমার বান্ধবী ত্নুর বাসায়, তার ব ড় আপু, মুন্নী আপু এইটা বানিয়েছিলেন । কি যে মজা। আমি এ খন ও সেই সবাদ ভুলতে পারেনি।জাপানে  চালতা দেখে সেই আচারের ক থা ম নে পড়ে কিন্তু  আচার টা বানাতে জানি না আর চালতা দেখে  একে কাটা ও অনেক কঠিন  ম নে হ য়।

আমার একটা জাপানিজ ছাত্রী, আমাকে সেদিন ব লেছে , তোমার জীব নের এ মন কিছু  বলো , যা তুমি 

ম নে ক রতে , অনেক কঠিন  কিন্তু  তুমি সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছো  ।  কিন্তু আমি এ ম ন একজন মানুষ যেটাকে কঠিন ম নে হ য় তার থেকে  শ ত হাত দূরে।  যা আমাদের ব্রেনের জন্য ভাল না । 

ব্রেন চায় চ্যালেঞ্জ।

তাই ঠিক ক রলাম , Elephant apple  নিজে  কেটে  আচার বানাব। এইটা আমার  নিজের জন্য চ্যালেঞ্জ।

কিন্তু চালতা কাটা যে এত স হ জ আর আচার বানানো আর ও সহ জ  আগে জানতাম না ।

প্রথমবারই  চালতার আচার  বানানোর মিশন স ফ ল ভাবে  সম্পন্ন হয়েছে।

এ র থেকে কি শিখলাম, 

"ট্রাই  করো । যাহা কে যত কঠিন ম নে করিতেছ , উহা তত কঠিন ন য়।"

তাই তো

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব লেছেন, 


মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়, 


তিনি আর ও বলেছেন,

মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরি দিয়ো কঠিন পরিচয়॥










Thursday, October 30, 2025

হ্যাপি হ্যালোইন, জাপান, ২০২৫

 

জাপানে এবার শরত আসেনি। পাতাগুলি তেম ন একটা ব দলে যায়নি।

আমার চারপাশ এখন ও সবুজ। 

পার্শি ম ন গাছ গুলি ফ লে ভ রে গেছে।

আকাশে বাতাসে এ খন ভুতের ফিসফাস ।

কারণ শরত না আসলে ও তাদের  তো আস তেই 

হবে,  হ্যালোইন এ।

তাই জাপানের আনাচে কানাচ সেজে উ ঠেছে ভুতদের কে স্বাগ ত ম জানানোর জ ন্য।

দুঃখের বিষয় হ ল যে,

ভুত গুলি দেখে আমার একটু ও ভ য় লাগেনা । এত এত কিউ ট  যে আ দ র ক রতে ইচ্ছে ক রে ।




এই কি উটি দের কে ভয় পাবে ? এদেরকে বাচ্চারা ও ভয় পায় না । এই যুগে এসে ভুতদের দশা দেখে অনেক খারাপ লাগে। 🥲🥲

হ্যাপি হ্যালোইন





অরিগানো চিকেন

 


উপকরণ

  • হাড় ছাড়া মুরগির বুকের মাংস: ১টি

  • আদাবাটা: সিকি চা-চামচ

  • রসুনবাটা: সিকি চা-চামচ

  • লবণ: স্বাদমতো

  • ফিশ সস: সিকি চা-চামচ

  • সয়াসস: সিকি চা-চামচ

  • মাস্টার্ড পেস্ট: সিকি চা-চামচ

  • পাপরিকা: আধা চা-চামচ

  • গোলমরিচের গুঁড়া: সিকি চা-চামচ

  • চিনি: সিকি চা-চামচ

  • শুকনা অরিগানো: আধা চা-চামচ

  • চিলি সস: আধা চা-চামচ

  • লেবুর রস: সিকি চা-চামচ

  • তেল: পরিমাণমতো

  • প্রণালি

    • মুরগির মাংসে একে একে সব মসলা দিয়ে ভালো করে মেখে ম্যারিনেট করে নিন।

    • এবার ম্যারিনেট করা মাংস গরম তেলে ভেজে উঠিয়ে নিন।

    • গরম-গরম পরিবেশন করুন আলুর ওয়েজেস এবং সতে করা সবজিসহ।

গ্রিলড ফিশ স্টেক

 


উপকরণ

  • ভেটকি মাছ ফিলে করা: ১টা

  • গোলমরিচের গুঁড়া: ১ চা-চামচ

  • মরিচগুঁড়া: আধা চা-চামচ

  • ইয়েলো মাস্টার্ড: আধা চা-চামচ

  • আদাবাটা: আধা চা-চামচ

  • রসুনবাটা: সিকি চা-চামচ

  • লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ

  • লেবুর খোসা কুচি: ১ চা-চামচ

  • চিলি সস: ১ চা-চামচ

  • তেল: পরিমাণমতো

  • লবণ: স্বাদমতো

  • প্রণালি

    • প্রথমে মাছে তেল ছাড়া সবকিছু দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে ম্যারিনেট করুন।

    • ওভেনের বেকিং ট্রেতে তেল ব্রাশ করে ১৮০ ডিগ্রিতে ১০-১৫ মিনিট বেক করে নিন।

    • মাঝে একবার উল্টে দিন।

    • ভেজিটেবল ও ফ্রায়েড রাইসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

শঙ্খচূর্ণ

 




শঙ্খের গুঁড়া আমাদের ত্বকের জন্য কত উপকারি। শঙ্খকে গুঁড়া ব্যবহারে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। 🤍
কেননা শঙ্খের গুঁড়ায় আছে প্রচুর পরিমাণের খনিজ যেমন: আয়রন, জিংক অক্সাইড, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম। যা আপনার ত্বকের দাগ বা কালচে ভাব কমিয়ে, উজ্জলতা ফিরিয়ে আনে। 🤍
এমনকি রোদ থেকে সুরক্ষিত দিতেও সক্ষম এটি।

🤍 ত্বকের যত্নে উপকারিতা 

🦪 ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বক টান টান করে।
🦪 চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে।
🦪 ব্রণের দাগ, পিগমেনটেশন ও রোদে পোড়া ভাব দূর করে।
🦪 ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করে
🦪 ব্রাইট ও গ্লো করে।

এছাড়াও শঙ্খগুড়ার সাথে মুলতানি গুড়া বা গোলাপের পাপড়ির গুড়া অথবা গোলাপ জল মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।

শুষ্ক ত্বকের জন্য

শুষ্ক ত্বকে কালচে ছোপ পড়ে যায়। যাঁদের ত্বকে কালচে ছোপ হয়েই গেছে, এই প্যাক তাঁদের জন্য। মাত্র ২ সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহারে কালচে ছোপ হালকা করে ফেলতে প্যাকটির জুড়ি মেলা ভার। ১ টেবিল চামচ শঙ্খচূর্ণ, ২ চা-চামচ আপেল সিডার ভিনেগার, ৪-৫ ফোঁটা কাঠবাদামের তেল, ভিটামিন সি ট্যাবলেট বা ১টি সিভিট গুঁড়া ও সামান্য গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য

যাঁদের ব্রণ ও ব্ল্যাক হেডসের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা ২ টেবিল চামচ তুলসী পাতার রস, ১ টেবিল চামচ শঙ্খের গুঁড়া মিশিয়ে নিন ভালোভাবে। এবার সামান্য বাদামি চিনি দিয়ে গুলে সারা মুখে লাগাতে হবে। ৫ মিনিট পর একটু ঘষে তুলে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বকে সপ্তাহে ১ দিন ও ছোট দানা বা ব্রণযুক্ত ত্বকে সপ্তাহে প্রতিদিন প্যাকটি লাগালে উপকার পাওয়া যাবে।

সব ধরনের ত্বকের জন্য

১ টেবিল চামচ শঙ্খগুঁড়া, লেবুর খোসাবাটা আধা চা-চামচ, ৩-৪ ফোঁটা গ্লিসারিন ও গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। ৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। প্রতিদিন ১ বার করে প্যাকটি লাগালে রোদের প্রভাবে কালচে ভাব দূর হয়ে যায়।

সারা শরীরে লাগানোর জন্য

১ কাপ শঙ্খগুঁড়ার সঙ্গে ১ কাপ মসুরের ডালের বেসন, ১টি ডিম ও লেবুর রস মিশিয়ে সারা শরীরে লাগিয়ে রাখতে হবে মিনিট দশেক। তারপর ছোট রুমাল বা টাওয়েল ভিজিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলতে হবে। সপ্তাহে ১ দিন প্যাকটি লাগালেই যথেষ্ট। এই প্যাক লাগালে সাবান দেওয়ার দরকার হবে না। গলা, ঘাড়সহ শরীরের যেসব স্থানে কালচে ভাব হয়েছে সেটি তুলে ফেলবে নিয়মিত ব্যবহারে।

রোদ থেকে বাঁচতে

সমান পরিমাণ শঙ্খের গুঁড়া, কেওলিন পাউডার ও মুলতানি মাটির গুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। বাইরে যাওয়ার সময় নিয়মিত ব্যবহারে রোদে পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচা যায়।

Steamed chicken and seasoned rice

 


[Ingredients for 2 servings]


・Chicken thigh (large) 1 piece


・Rice 1.5 cups


・Dried shiitake mushrooms 2 pieces


・Shimeji mushrooms 1/2 pack


・Maitake mushrooms 1/2 pack


・Canned bamboo shoots 1/4 piece


・Carrot 1/4 piece


・Kaiware sprouts 1/2 pack


<Marinade>


・Sake 2 teaspoons


・Soy sauce 1 teaspoon


・Ginger juice 1 teaspoon


・Salt and pepper A pinch


<Green Onion Sauce>


・White part of green onion (finely chopped) 1/4 of a stalk


・Salt A pinch


・Prepared sweet and sour sauce 2 tablespoons


・Sesame oil 1/2 tablespoon


・Soy sauce 1 tablespoon


<Seasonings>


・Sake 2 teaspoons


・Mirin 1/2 tablespoon


・Sugar 1/2 tablespoon


・Salt 1/2 teaspoon


・Soy sauce 1/2 tablespoon


・Shiitake mushroom soaking liquid 100-150ml


[Preparation]


・Put the chicken thigh and the ingredients for the marinade in an airtight bag and massage them together. Rinse the rice with water and drain it in a colander.

・Soak the shiitake mushrooms in 150ml of lukewarm water, cut off the stems, and cut them into 1cm cubes. Strain the soaking liquid and set it aside.

・Cut off the base of the shimeji and maitake mushrooms and separate them into small clusters. Cut the boiled bamboo shoots and peeled carrots into 1cm cubes. Cut off the roots of the radish sprouts and cut them in half lengthwise.


[Instructions]


1. Put the rice in the inner pot of the rice cooker, add the ingredients for the <seasoning>, and stir once. Then add water up to the 1.5 cup mark, and add the shiitake mushrooms, shimeji mushrooms, maitake mushrooms, boiled bamboo shoots, and carrots.

2. Next, place the chicken thigh meat on top, skin-side up, and turn on the rice cooker.

3. While the rice is cooking, mix together the ingredients for the <green onion sauce>.

4. Once the rice is cooked, let it steam for 10-15 minutes. Remove the chicken thigh meat and cut it into easy-to-eat pieces. Serve the chicken thigh meat and the cooked rice in a bowl, pour the <green onion sauce> over the chicken, and garnish with daikon sprouts.


It's also okay to serve the chicken thigh meat and the cooked rice in separate bowls.

Pumpkin ice cream

 


Ingredients (for 2 servings)

Pumpkin: 100g


Sugar: 2 teaspoons


Milk: 1 tablespoon


Vanilla ice cream: 200ml


[Preparation]

Peel the pumpkin and cut it into bite-sized pieces. Take the vanilla ice cream out of the freezer and let it soften slightly.


[Instructions]

1. Place the pumpkin in a heatproof dish, cover with plastic wrap, and heat in the microwave for about 2 minutes until soft.

2. While the pumpkin is still hot, mash it with a fork, add the sugar and milk, mix until smooth, and let it cool slightly.

3. Put (2) and the vanilla ice cream into a resealable storage bag, mix by kneading the bag from the outside, and freeze in the freezer. Serve in a bowl.

Mābōtofu

 


Ingredients (for 2 servings)

Silken tofu: 200-300g


Ground mixed meat: 100g


White leek: 1/2 stalk  Ginger (minced): 1/2 piece


Garlic (minced): 1 clove


Doubanjiang (chili bean paste): 1 teaspoon


<Seasonings>


Sake: 1 tablespoon


Sugar: 1/2 tablespoon


Soy sauce: 1/2 tablespoon


Miso: 1 tablespoon


Granulated Chinese soup stock: 1/2 teaspoon


Water: 100ml


<Cornstarch slurry>


Cornstarch: 1/2 tablespoon


Water: 1 tablespoon


Sesame oil: 1 teaspoon


Vegetable oil: appropriate amount  Green onions (chopped): 2 tablespoons


[Preparation]

Cut the silken tofu into 2cm cubes. Boil in hot water (not included in the ingredients list) for 1-2 minutes, then drain in a colander. Roughly chop the white leek. Mix together the ingredients for the cornstarch slurry.


[Instructions]

1. Heat the vegetable oil in a frying pan over medium heat, add the white onion, ginger, garlic, and chili bean paste, and once fragrant, add the ground meat and stir-fry together.

2. Once the ground meat changes color, add the ingredients for the <seasoning>, bring to a boil, then add the silken tofu. Simmer for 2-3 minutes, then stir in the <cornstarch mixture> to thicken the sauce.

3. Add the sesame oil, give it a quick stir, serve in a bowl, and sprinkle with green onions.

If you like spicy food, adding chili oil or ground Sichuan peppercorns will make it a more authentic mapo tofu.