জাপানে লাউ সাধারণত গরম কালে পাওয়া যায় কিন্তু জাপানের সব মার্কেটে কিনতে পাওয়া যায় না ।
জাপানের বিশেষ কোন মার্কেটে আর দেশি দোকান থেকে কিনতে হ য়। দাম ও সেই রকম। তবে অনেক দেশিরা এই লাউ চাষ করে , আমরা শাকটা , লাউ টা খেতে পারি।
লাউ এম ন একটা স ব্জি যা ভাজি, ঝোল , ছেঁচকি যাই করো না কেন, তাই খেতে ই ভাল লাগে। তাই লাউ কিনলে আমাদের ভাজি, ঝোল , ছেঁচকি করে খাওয়া হয়ে যায় ।
কিন্তু আমার শাশুরী আম্মা এই লাউ দিয়ে লাউ দুধ রান্না
করতেন, আর আমার সোয়ামী তা খেতে ভালবাসে । দেশ থেকে যখন আমি জাপানে আসি তখন ও আমাকে লাউ দুধ নিয়ে আসতে হয়েছে আবার কেউ দেশ থেকে আসলে আম্মা এই লাউ দুধ , উনাদের ভাষায় দুধ কদু ,পাঠাতেন ।
যা হোক , এইবার গরম কাল জাপানে অক্টোবর পর্যন্ত ছিল, তাই এই অসময়ে , ডঃ মুনির আর ডঃ মুন্নির বাড়ি থেকে দুইটা লাউ আসলো যখন , দেরি না করে, লাউ দুধ রান্না করে
ফেললাম।
এর জন্য, ইউ টিউবে বিভিন্ন রকম লাউ দুধ রান্নার রেসিপি
দেখলাম। আমি আবার স ব গুলি দেখে , স হজ ভাবে আমার নিজের ম ত রান্না ক রি । তাই আমি পানি দিয়ে সিদ্ধ না ক রে
ঘন দুধে লাউ সিদ্ধ করেছি।
কিন্তু আমার হাজবেন্ড এর আবার এতে সেন্টিমেন্ট জড়িত, সে তার মাকে দেখেছে লাউ আগে সিদ্ধ করে নিয়ে প্রচুর ঘন অল্প দুধে লাউ টা দেয় কিন্তু আমি অল্প ঘ ন দুধে লাউ দিছি দেখে একটু মন ক্ষুণ্ণ হ য়ে, এই টা কি খাওয়া যাবে, দুধে লাউই খুঁজে পাওয়া যাবে না , ব লছিল। কিন্তু ফলাফল হ ল, হেভি টে স্টি হয়েছে ।
স বাই খেয়েছে চমচম দিয়ে।
কি যে ম জা লাগে খেতে। আহা !আহা! বাহা! বাহা!
No comments:
Post a Comment