Sunday, October 25, 2026

বৃষ্টি ভেজা মেঘলা বিকালে



বৃষ্টি ভেজা মেঘলা বিকালে কেন তেলে ভাজা কিছুমিছু খেতে ই চ্ছে ক রে , বুঝি না।   
আজ দুদিন ধ রে  আবার বৃষ্টি , মেঘময় আকাশ।  শনি আর রবি এই দুইদিন মাত্র ছুটি। কত রকম কাজ , বাইরেও কত কাজ কিন্তু কিছুই কর তে ম ন চাইছে না। এদিকে সারাজীবনে যে কখন ও ভাজাভুজি খেতে চায় নি তার কাছ থেকে তেলে ভাজা কিছু খাওয়া যায় কিনা তার অনুরোধ পেলাম। 
"একে তো নাচুনি বুড়ি তারপরে ঢোলের বাড়ি", যেই এই অফার পেলাম ,  ডাল্পুরি, আলুপুরি আর সমুচা ভেজে ফেল লাম। সেই রোজায় এইগুলি খেয়েছি আর এই এত দিন প র খেলাম। মাঝে মাঝে  এই একটু নিয়ম ভাঙ্গার ভিতরে কেম ন একটা সুক্ষ আন ন্দ উপভোগ ক রা যায়। 
খাদ্যরসিক কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তেলেভাজা নিয়ে মহাত্মা গান্ধীর সাথে তাঁর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মজাদার বাস্তব কাহিনী রয়েছে।

ঘটনাটি শান্তিনিকেতনের। একবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরম তৃপ্তি সহকারে মুচমুচে গরম তেলেভাজা খাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় সেখানে উপস্থিত হন মহাত্মা গান্ধী। গান্ধীজি ছিলেন তাঁর কঠোর ডায়েট ও স্বাস্থ্যসচেতনতার জন্য পরিচিত। কবিগুরুকে গভীর মনোযোগ দিয়ে তেলেভাজা খেতে দেখে গান্ধীজি বেশ অবাক ও চিন্তিত হলেন।
তিনি রবীন্দ্রনাথকে সতর্ক করে দিয়ে সরাসরি বললেন, "গুরুদেব, আপনি কি জানেন যে আপনি আসলে বিষ খাচ্ছেন?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর স্বভাবসুলভ রসবোধ ও তাৎক্ষণিক বুদ্ধির জন্য বিখ্যাত ছিলেন। গান্ধীজির এই গুরুগম্ভীর স্বাস্থ্যোপদেশ শুনে তিনি বিন্দুমাত্র দমে যাননি। বরং মুখে মৃদু হাসি নিয়ে অত্যন্ত চটজলদি উত্তর দিলেন:
"তা তো বটেই! তবে এই তেলেভাজা নামক 'বিষ'-এর কার্যকারিতা নিশ্চয়ই খুব ধীরগতির। কারণ, এই বিষ খেতে খেতেই তো আমি আজ জীবনের পঁয়ষট্টিটি বছর পার করে দিলাম, এবং দেখোই না—আমি এখনো কেমন দিব্যি নীরোগ আর সুস্থ আছি!






 

No comments:

Post a Comment