শীত মানেই মাচা থেকে লাউপাতা কেটে এনে বাসপাতি শীধল শুটকির ঝাল ঝাল মচমচে বড়া খাওয়ার সময়। ভিতরের টা হালকা নরম আর বাহিরের আবরণ কুড়মুড়ে চিপসের মত।
প্লেটে নিয়ে বড়ায় চাপ দিতে কুড়মুড় শব্দে ভেঙ্গে গিয়ে ভিতরের অমৃত বেড়িয়ে আসে। একটু ভাত দিয়ে মেখে মুখে পুরে দিতেই তৃপ্তিতে চোখ বন্ধ হয়ে আসে।
আহা!!! এ যেন অমৃত....
২ -৩ গামলা ভাত খাওয়া কোন ব্যাপার ই না।
এটা ব্রাক্ষণবাড়ীয়ার একটি ঐতিহ্যবাহী শুটকির বড়া।
শুঁটকি ধুয়ে নিয়ে প্রথমে পাটায় মরিচ বেটে,রসূন,পেঁয়াজ একে একে বেটে নিতে হয়। এর মধ্যে একটু আলু বেঁটে দিলে স্বাদ দ্বিগুণ হয়। তার ধুয়ে রাখা শুঁটকি বেটে লবণ দিয়ে সব একসাথে মিশিয়ে তেলে ভেজে নিতে হয়।
পরে লাউপাতা ধুয়ে ভর্তার ভাজিটা ভিতরে দিয়ে মুড়িয়ে নিয়ে তেলে কুড়মুড়ে করে ভেজে তুলতে হয়।
তারপর আর কি .. কয়েক গামলা ভাত শ্যাষ 

No comments:
Post a Comment