যে হরিদাস পাল এই পাঁচালী লিখেছে সে নিশ্চয়ই ভাতের বদলে ঘাস খেয়ে পাঁচালী লিখে নি। যে লোক এত ছন্দ মিলিয়ে মিলিয়ে নারীদের দোষ ত্রুটি নিয়ে একটা পুস্তিকা লিখে ফেলতে পারে তাঁর নিশ্চয়ই " নিঃসন্তান" আর " সন্তান" এই দুইটা শব্দের সাথে পরিচিতি আছে। বাংলা ভাষায় লেখা সত্ত্বেও তিনি এটা কেনো লিখেন নাই " নিঃসন্তান এর সন্তান লাভ হয় তাহাতে।" ??
লেখক আবার কায়দা করে কিন্তু সধবা নারীদের কথাই বলেছেন। যাতে তাকে ঘরের ভেতরে আটকে রেখে তার ঘাড়ের উপর পা দিয়ে নাচতে সুবিধা হয়। অথচ লক্ষ্মী দেবী স্বাধীনচেতা এক নারী চরিত্র। লক্ষ্মীর পাঁচালী সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন আমাদের দেশের পুরুষ সমাজ এবং ঘিলু বিহীন নারী সমাজ। এক নারীবিদ্বেষীর লেখা নারীরাই কত ভক্তি ভরে মাথায় তুলে রাখছে।
পাচালীতে বর্ণিত লক্ষ্মী হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে কালী ঠাকুরের মতো অন্যায় কে দমন করে নিজের মতো বেঁচে থাকা অনেক অনেক অনেক উত্তম।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মেয়েদেরকে বেশি পড়াশুনা করাবেন না। বেশি পড়াশোনা করাইলে মেয়েদের এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন না।

No comments:
Post a Comment