“ তাঁর কোনো দায় ছিল না বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তিনি ছিলেন বিখ্যাত জুতা কোম্পানি বাটার সিইও। পুরো নাম উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড। তখন বাটা একাই এক শ। ১৯৭০ সালে ঢাকায় পোস্টিং পাওয়া মানুষটির রক্তে ছিল স্বাধীনতার যুদ্ধ। তিনি জন্মেছিলেন আমস্টারডামে। এই ডাচ মানুষটিকে যৌবনের শুরুতেই পড়তে হয়েছিল নাৎসিদের কবলে। তাদের কুখ্যাত কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে দুঃসহ সময় কাটানোর সময় ও পরে তিনি শিখে নিয়েছিলেন গেরিলা যুদ্ধের কৌশল।
বাংলাদেশ তখন পূর্ব পাকিস্তান। আমি সবে হাইস্কুলের উঁচু ক্লাসের দিকে পা বাড়াচ্ছিলাম। আমার পরিষ্কার মনে আছে কী নির্যাতন আর বিভীষিকাময় ছিল দিনগুলো। আজ আপনারা সব বেমালুম ভুলে গেছেন। আজ প্রজন্মের পর প্রজন্ম বোঝেই না, কেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানপ্রেম আর ধর্মীয় চেতনার নামে সাম্প্রদায়িকতা আঙুল ফুলে কলাগাছের সমাজে ভুলে বসে আছে—দেশ মুক্ত হয়েছিল কীভাবে, আর না হলে পাঠান-পাঞ্জাবির পা মুছে নত থাকতে হতো।”
অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক হয়েও তিনি অংশ নিয়েছেন আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে। বাংলাদেশ তাকে দিয়েছে বীরপ্রতীক উপাধি।
No comments:
Post a Comment