Thursday, April 9, 2026

রবিন্দ্রনাথ , বে গম মুজিব তারা ও পা্ান্তা কে অব হেলা ক রেন নি।

 


পান্তা আমার অনেক প ছন্দের খাবার কিন্তু অবাক হ চ্ছি এই জেনে যে রবিন্দ্রনাথ , বে গম মুজিব তারা ও পা্ান্তা কে অব হেলা ক রেন নি।
যার প্রমান নীচে

রবীন্দ্রনাথের জীবনস্মৃতি:

 ‘ইসকুল থেকে ফিরে এলেই রবির জন্য থাকে নতুন বউঠানের আপন হাতের প্রসাদ। আর যে দিন চিংড়ি মাছের চচ্চড়ির সঙ্গে নতুন বউঠান নিজে মেখে মেখে দেয় পান্তাভাত, অল্প একটু লঙ্কার আভাস দিয়ে সে দিন আর কথা থাকে না।’


কামরুদ্দীন আহমদ তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন, 

বেগম মুজিব তাঁদের ৩২ নম্বরের বাড়িতে পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে দাওয়াত করেছিলেন অনেককে, সেটা পাকিস্তান আমলের কথা। পান্তা খাইয়েছিলেন শুঁটকি, মাংস, মরিচ-পেঁয়াজ দিয়ে।


পান্তা সেই আদিকাল থেকে বাংলার মানুষ খেয়ে থাকেন। 

প্রাচীন সাহিত্যে পান্তার উল্লেখ পাওয়া যাচ্ছে।
চণ্ডীমঙ্গলে আছে:
‘বাসি অন্ন আনে রামা দিআ তরাতরি।
জল সমে ঢালে অন্ন পাতে শীঘ্র করি।
আছে বা না আছে অন্ন পূর্ণ বাসি জলে।
স্থানীসঙ্গে আনি তাহা বীরের পাতে ঢালে।
ফুল্লরা রন্ধন করে বীরে খাইতে ভাত।
তরাতরি আনিলেক মানকচুর পাত।’

কালকেতুকে ফুল্লরা যেভাবে ভোজন করাল, তার বর্ণনা মুকুন্দরাম দিচ্ছেন:
‘দূর হৈতে ফুল্লরা বীরের পাল্য সাড়া।
সম্ভ্রমে বসিতে দিল হরিণের ছড়া।।
বোঁচা নারিকেলের পুরিয়া দিল জল।
করিল ফুল্লরা তবে ভোজনের স্থল।
চরণ পাখালি বীর জল দিল মুখে।
ভোজন করিতে বৈসে মনের কৌতুকে।
সম্ভ্রমে ফুল্লরা পাতে মাটিয়া পাথরা।
ব্যঞ্জনের তরে দিলা নূতন খাপরা।
মোচড়িয়া গোঁফ দুটা বান্ধিলেন ঘাড়ে।
এক শ্বাসে সাত হাড়ি আমানি উজাড়ে।।
চারি হাড়ি মহাবীর খায় খুদ জাউ।
ছয় হান্ডি মুসুরি সুপ মিশ্যা তথি লাউ।।
ঝুড়ি দুই তিন খায় আলু ওল পোড়া।
কচুর সহিত খায় করঞ্জা আমড়া।।’
সাত হাঁড়ি আমানি হলো পান্তাভাত। জানিয়েছেন অধ্যাপক তারিক মনজুর।
‘পান্তা ওদন দিয়া পুজিবেক তোমা
আশ্বিনে অনন্ত পূজা চিত্তে নাহি সীমা।’
কেতাকাদাস ক্ষেমানন্দ/‘মনসার ভাসান’

বিজয়গুপ্তর ‘পদ্মাপুরাণ’–এ (১৬৫০) আছে, ‘আনিয়া মানের পাত বাড়ি দিল পান্তাভাত’।

No comments:

Post a Comment