Thursday, May 28, 2026

বাতাসা-কর্পূরের শরবত

 


গুড়ের বাতাসা যেকোনও বাড়িতেই মজুত থাকত এক কালে। গরমে বাড়িতে অতিথি এলে যাতে জলের সঙ্গে অন্তত কয়েকটি বাতাসা দেওয়া যায়। আর পুজোর কাজে ব্যবহারের জন্য কর্পূর থাকতই (তখনও মোম দেওয়া প্যাকেটে মোড়া কর্পূর বাজারে আসেনি, ভোজ্য কর্পূরই ব্যবহার হত)। এই শরবত তৈরি করা হত সেই গুড়ের বাতাসা আর কর্পূর দিয়ে। ঠান্ডা জলে বাতাসা ভিজিয়ে গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তাতে চাইলে সামান্য পাতিলেবুর রস বা গোলাপজল দিতে পারেন। আর এক চিমটে খাওয়ার কর্পূর মিশিয়ে নিলেই তৈরি শরীর জুড়ে শীতল ভাব আনা বাতাসার শরবত।

No comments:

Post a Comment